
কয়েক মাস আগে ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক সংঘাতের সময় উভয় পক্ষই যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও চীনের তৈরি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে দেশ দুটি নিজ নিজ সামরিক শক্তির পরিচয় ও মাত্রা তুলে ধরেছিল। স্বভাবতই জনমনে প্রশ্ন জেগেছিল—বিশ্বে এই দুই দেশের বিমানবাহিনীর আসল অবস্থান কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্র্যাফ্টের (ডব্লিউডিএমএমএ) সর্বশেষ তথ্যে। সংস্থাটির তালিকা অনুযায়ী, সামরিক বিমানবাহিনীর সামগ্রিক শক্তির নিরিখে ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় দেশ। অন্যদিকে, ভারতের চির বৈরী প্রতিবেশী
সামরিক বিমানবাহিনীর সামগ্রিক শক্তির বিচারে ভারত এশিয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে বিশ্বের দরবারে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি এয়ারক্র্যাফ্টের (ডব্লিউডিএমএমএ) সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারত কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরেই অবস্থান করছে।
ডব্লিউডিএমএমএ-এর এই ক্রমতালিকা কেবল যুদ্ধবিমানের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং সামরিক বিমানের সার্বিক শক্তির নিরিখে তৈরি করা হয়েছে। সংস্থাটির 'ট্রু ভ্যালু রেটিং' অনুযায়ী, ভারতের স্কোর হলো ৬৯.৪, যা এশিয়ার দ্বিতীয় শক্তিশালী বিমানবাহিনী চীনের (৫৮.১ স্কোর) তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভারতের হাতে এই মুহূর্তে মোট ১ হাজার ৭১৬টি সামরিক বিমান রয়েছে, যার মধ্যে ৩১ শতাংশই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান।
অন্যদিকে, বৈশ্বিক এই তালিকায় জাপান ও ইসরায়েল রয়েছে যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে, আর চীন রয়েছে এর পরেই।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাতে উভয় পক্ষই একে অপরের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল, যা নিজ নিজ সামরিক শক্তির জানান দিয়েছিল।
আরটিভি/এআর




