
ছুটির আমেজে ঘুরতে এসে সুস্বাদু খাবার খেলেন, কিন্তু মোটা অঙ্কের বিল দেখে তা না দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন গুজরাটের পাঁচ পর্যটক। কিন্তু কপাল খারাপ! হোটেলের বিল ফাঁকি দিতে গিয়েছিলেন বটে, তবে রাস্তার মারাত্মক যানজটই তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়তে হয়। সম্প্রতি ভারতের রাজস্থানে ঘটে যাওয়া এই পুরনো ধাঁচের পলায়ন কাহিনি এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে। খবর এনডিটিভির।
রাঘটনাটি ঘটে রাজস্থানের মাউন্ট আবুর কাছে সিয়াভা এলাকার হ্যাপি ডে হোটেল-এ। সেখানে তারা নানা ধরনের খাবার অর্ডার করে তৃপ্তি সহকারে ভোজ শেষ করেন। কিন্তু খাবারের বিল যখন আসে, দেখা যায় তা প্রায় ১০ হাজার ৯০০ রুপি। এই টাকা পরিশোধ না করেই তখনই তারা পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
পর্যটকদের পরিকল্পনা ছিল সহজ—‘ওয়াশরুমে যাচ্ছি’ বলে একে একে সবাই চুপিসারে রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে যাবেন। ঠিক সেইভাবেই তারা দ্রুত গাড়িতে উঠে স্থান ত্যাগের চেষ্টা করেন।
তবে হোটেলের মালিক ও একজন ওয়েটার দ্রুত বিষয়টি টের পান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি রাজস্থান-গুজরাট সীমান্তের দিকে দ্রুত রওনা হয়েছে। কালক্ষেপণ না করে হোটেল মালিক দ্রুত একটি গাড়ি নিয়ে ধাওয়া শুরু করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
মাউন্ট আবু থেকে অম্বাজির দিকে যাওয়ার পথে ভাগ্য সহায় ছিল না পর্যটকদের। তীব্র যানজটে ফেঁসে তাদের গাড়িটি আটকে যায়। হোটেল মালিক ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানজটে আটকে থাকা তাদের গাড়িটি সনাক্ত করে। পুলিশ ঘটনাস্থলেই পাঁচজনকে আটক করে।
পরে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, আটক হওয়ার পর পর্যটকরা তাদের এক বন্ধুকে ফোন করে দ্রুত অনলাইনে বিলের পুরো টাকা হোটেলে পাঠিয়ে দেন এবং শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মিটমাট হয়। বিলাসবহুল ভোজের খরচ এড়াতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত এই পর্যটকদের পড়তে হলো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে।
আরটিভি/এআর




