ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

৮৮১ নোবেলজয়ীর মাত্র ৪৮ জন নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০১৮, ০৪:১২ পিএম

নোবেল পুরস্কার পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক বলে বিবেচিত। বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানকে সফল গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য এই পুরস্কার দেয়া হয়। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, অর্থনীতি, সাহিত্য ও শান্তি- এই ছয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কারটি দেয়া হয়।

এ পর্যন্ত মোট ৮৮১ জন(একাধিকবার পাওয়া ব্যক্তিদের নাম প্রতিবার যোগ করলে সংখ্যাটা হবে ৯২৩) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ৪৮(ম্যারি জলিওট-কুরির দুটো নোবেল ধরলে ৪৯ জন)। অর্থাৎ প্রায় প্রতি ১৮ জন পুরুষের বিপরীতে একজন নারী নোবেল সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল চালুর দুই বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো নারী পুরস্কারটি জেতেন। ১৯০৩ সালে স্বামী পিয়েরে জলিওট-কুরির সঙ্গে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ পান ম্যারি জলিওট-কুরি। এরপর ১৯১১ সালে এককভাবে রসায়নে নোবেল জেতেন তিনি। বিজ্ঞানের দুটি শাখায় দুবার নোবেলজয়ী একমাত্র নারী তিনি।

১৯০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতেন অস্ট্রিয়ার বার্থা ভন সুটনার। ১৯০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পান সুইডেনের সেলমা ল্যাগেরলফ। সাহিত্যে নোবেল পাওয়া প্রথম নারী তিনি। ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পান ইতালির গ্রাজিয়া ডেলেড্ডা। প্রথম ইতালিয়ান নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পান তিনি।

১৯২৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জেতেন নরওয়ের সিগরিড আন্ডসেট। ১৯৩১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান জেইন অ্যাডামস। প্রথম আমেরিকান নোবেলজয়ী নারী তিনি।

১৯৩৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার জেতেন ফ্রান্সের ইরিনে জলিওট-কুরি। তিনি ফ্রেডেরিক জলিওট-কুরির স্ত্রী এবং পিয়েরে জলিওট-কুরি ও ম্যারি জলিওট-কুরি দম্পতি দম্পতির কন্যা।

১৯৩৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জেতেন আমেরিকার পার্ল বাক। ১৯৪৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জেতেন চিলির গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল। এটি তার ছদ্মনাম। তার প্রকৃত নাম লুসিলা গোডোয় আলকায়াগা।

১৯৪৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান আমেরিকার এমিলি গ্রিন বল্চ। ১৯৪৭ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরস্কার জেতেন আমেরিকার গারটি কোরি। ১৯৬৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন আমেরিকার মারিয়া গোয়েপার্ট-মায়ার।

১৯৬৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার জেতেন ইংল্যান্ডের ডরোথি মেরি হজকিন। ১৯৬৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন সুইডেনের নেলি স্যাচস। ১৯৭৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতেন আয়ারল্যান্ডের মাইরিয়াড কোরিগান ও বেটি উইলিয়ামস।

১৯৭৭ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল জেতেন আমেরিকার রোজালিন ইয়ালো। ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভারতের মাদার তেরেসা। ১৯৮২ সালে শান্তিতে নোবেল জেতেন সুইডেনের আলভা মিরডল। ১৯৮৩ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান আমেরিকার বারবারা ম্যাকলিন্টক।

১৯৮৬ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ইতালির রিটা লেভি-মোন্টালচিনি। ১৯৮৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জেতেন আমেরিকার গারট্রুড বি ইলন। ১৯৯১ সালে শান্তিতে মিয়ানমারের অং সান সু চি এবং সাহিত্যে দক্ষিণ আফ্রিকা নাডিন গর্ডিমার নোবেল পুরস্কার পান।

১৯৯২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান গুয়েতেমালার রিগোবারটা মেঞ্চু টুম। ১৯৯৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জেতেন আমেরিকার টনি মরিসন। ১৯৯৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান জার্মানির ক্রিস্টিয়ান নুসলেইন ভলহার্ড। ১৯৯৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পান পোল্যান্ডের ভিশ্লাভা শিমবোরস্কা।

১৯৯৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতেন আমেরিকার জোডি উইলিয়ামস। ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইরানের শিরিন এবাদি। ২০০৪ সালে শান্তিতে কেনিয়ার ওয়ানগারি মাথাই, চিকিৎসাবিজ্ঞানে আমেরিকার লিন্ডা বি. বাক, সাহিত্যে অস্ট্রিয়ার এলফ্রিডে জেলিনেক নোবেল পুরস্কার পান।

২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান ইংল্যান্ডের ডোরিস লেসিং। ২০০৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়াজ বারে সিনৌসি নোবেল পুরস্কার পান। ২০০৯ সালে অর্থনীতিতে আমেরিকার এলিনর অসট্রম, সাহিত্যে জার্মানির হারটা মুলার, চিকিৎসাবিজ্ঞানে আমেরিকার এলিজাবেথ ব্ল্যাকবার্ন ও ক্যারল গ্রেইডার এবং রসায়নে ইসরায়েলের আদা ইয়োনাথ।

২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পান লাইবেরিয়া এলেন জনসন সারলিফ ও লেমাহ গাবোয়ি এবং ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান। ২০১৩ সালে কানাডীয় লেখক অ্যালিস মুনরো সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ২০১৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নরওয়ের মে-ব্রিট মোসার এবং শান্তিতে পাকিস্তানের নারী শিক্ষা আন্দোলনের কর্মী মালালা ইউসুফজাই। সব থেকে কম বয়সে নোবেল জয় করেন মালাল।

২০১৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে চীনের ইউইউ তু এবং সাহিত্যে রুশ লেখিকা সেভেটুরসা অ্যালেক্সিয়েভিচ নোবেল পুরস্কার পান। এরপর আর কোনো নারী নোবেল পুরস্কার জেতেননি।

তালিকা থেকে স্পষ্ট যে প্রবর্তেনেরর পর টানা দুই বছর এবং সবশেষ দুই বছর কোনো নারীই নোবেল পুরস্কার জেতেননি।

এ পর্যন্ত বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায়(পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও অর্থনীতি) ৩৫৭ নোবেলজয়ীর মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ১৬।

পদার্থবিজ্ঞান: পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ম্যারি কুরি। এরপর ১৯৬৩ সালে দ্বিতীয় ও সর্বশেষ নারী হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান মারিয়া গোয়েপার্ট-মায়ার।

রসায়ন: রসায়নে নোবেল পেয়েছেন চার নারী। এদের মধ্যে মেরি জুলিয়েট কুরি(১৯১১) এবং তার মেয়ে আইরিন জুলিয়েট কুরি(১৯৩৫) রয়েছেন। অন্য দুজন হলেন- ডরোথি মেরি হজকিন(১৯৬৪) এবং আদা ইয়োনাথ(২০০৯)।

চিকিৎসাবিজ্ঞান: এই শাখায় এ পর্যন্ত ১২ জন নারী নোবেল পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নে এককভাবে নারীদের নোবেল জয়ের রেকর্ড থাকলেও ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন কৃতিত্ব ছিল না। ১৯৮৩ সালে প্রথম ও শেষবারের মতো এককভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল জেতেন মার্কিন নারী বারবারা ম্যাকক্লিটক। সবশেষ ২০১৫ সালে এই শাখায় নোবেল লাভ করেন ইউইউ তু।

অর্থনীতি: ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল দেয়া শুরু হয়। অথচ ২০০৯ সালে এই শাখায় একমাত্র নারী হিসেবে নোবেল লাভ করেন এলিনর অস্ট্রম।

সাহিত্য: সাহিত্যে এ পর্যন্ত নোবেল পেয়েছেন ১৪ জন। এই শাখায় প্রথম নারী নোবেলজয়ী হলেন সেলমা ল্যাগেরলফ(১৯০৯)। আর শেষ নোবেলজয়ী নারী হলেন সেভেটুরসা অ্যালেক্সিয়েভিচ(২০১৫)।

শান্তি: শান্তিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৬ জন নারী এ পর্যন্ত নোবেল সম্মাননা পেয়েছেন। নারী হিসেবে শান্তিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান জেইন অ্যাডামস(১৯৩১)। এই শাখায় শেষ নোবেলজয়ী নারী হলেন মালালা ইউসুফজাই(২০১৪)।

আরও পড়ুন:

কে/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। জর্ডান-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্য রয়্যাল অল আল-বাইত ইনস্টিটিউট ফর ইসলামি থট’র শাখা দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন তিনি। ‘দ্য মুসলিম ৫০০’ নামের এই ওয়েবসাইটে  প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ৯৩ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক সরকার প্রধান হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়া মাহাথিরের অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, এই সম্পূর্ণ অসাধারণ মানুষের আছে ৭০ বছরের একটি গতিশীল রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। পাশাপাশি তিনি ১৭টি বই প্রকাশ করেছেন। এগুলোর মধ্যে মাত্র দুটি স্মৃতিচারণমূলক। বাকি বইগুলো মালয়েশিয়ার শাসনপদ্ধতি এবং অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান সংক্রান্ত। প্রতিবেদনটিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথিরের প্রথম মেয়াদটাকেই বেশি হাইলাইট করা হয়েছে, যা ২২ বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন। এটির শেষে বলা হয়, ৯৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিকের আছে দুটি হার্ট অ্যাটাক এবং একটি বাইপাস সার্জারির ইতিহাসও, যেগুলো মোটেও তাকে দমাতে পারেনি। দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ইসরায়েলি সৈন্যের গালে চড় মারা ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমিকে মুসলিম ৫০০ উইম্যান অব দ্য ইয়ার তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলি সেনারা বাড়ি থেকে তামিমির ভাইকে ধরে নিতে এলে সে তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে এক সেনাকে চড় মারে তামিমি। এজন্য তাকে তখন গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরের মার্চে বিচার শেষে তামিমিকে আট মাসের কারাদণ্ড দেন ইসরায়েলি আদালত। জুলাই মাসে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। আরো পড়ুন :  রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮ কে/ এমকে
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
পশ্চিম-মধ্য রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক অঞ্চলের ম্যাগনিটোগোর্স্ক শহরের একটি ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে। এছাড়া ভবনটির ১২০ বাসিন্দার মধ্যে ৬৮ জন এখনও নিখোঁজ আছেন। স্থানীয় সময় সোমবার চেলিয়াবিনস্ক গভর্নর বোরিস দুব্রোভস্কি এই তথ্য জানান বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস। তিনি তার টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আরও লিখেছেন, বিধ্বস্ত ভবনটি থেকে সবশেষ সাতটি শিশুসহ ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বিস্ফোরণের শিকার দুই শিশুসহ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে এ পর্যন্ত ২৮ জন জীবিত বাসিন্দা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এর আগে এই গভর্নর বলেন, ৫০ জনের মতো বিধ্বস্ত ভবনটিতে আটকে থাকতে পারেন। এদিন সকালে ম্যাগনিটোগোর্স্কের কেন্দ্রে অবস্থিত এই ভবনের গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনটির প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। উদ্ধার ও অনুসন্ধান প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। ৬৬টি উদ্ধারযন্ত্র নিয়ে ৪৬৯ জন কর্মকর্তা এই কাজে নিয়োজিত আছেন। এছাড়া দেশটির জরুরি সেবাদান মন্ত্রণালয়ের ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী দ্রুতই ভবনটিতে চলমান উদ্ধারকাজে যোগ দেবেন। ইয়েকাটেরিনবার্গ থেকে একটি মি-৮ হেলিকপ্টার এবং দুটি প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে তারা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন। নগর প্রশাসন জানিয়েছে, ভবনটির আরও দুটি প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।এই ঘটনায় ম্যাগনিটোগোর্স্কে শোক ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থাটি। কে/পি
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
ফিলিপিন্সের একটি মলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস(আইডি) বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজন নিহত এবং শিশুসহ ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর একটা ৫০ মিনিটে দেশটির মাগুইনদানাও প্রদেশের কোতাবাতো শহরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম জিএমএ নিউজ। ফিলিপিন ন্যাশনাল পুলিশ (পিএনপি) বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুজনকে শনাক্ত করেছে। নিহতরা হলেন মাইলাভ নাতারা এবং সিদিক কুতিন। আহতাবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তারা। আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালগুলো ভর্তি করা হয়েছে। আর্মির ষষ্ঠ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল সিরিলিতো সবেজানা বলেন, আতশবাজি বিক্রির দোকান সংলগ্ন সাউথ সিস মলের প্রবেশমুখে এই আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশের রিপোর্টে বিস্ফোরক দ্রব্যটি একটি বাক্সে মোড়ানো ছিল বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে একজন অপরিচিত পুরুষ বাক্সটি এখানে রাখার কিছুক্ষণের মধ্যে, তা বিস্ফোরিত হয়। আরও বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটাতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ইতোমধ্যে পুলিশের এক্সপ্লোসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং সিন অব দ্য ক্রাইম অপারেটিভস(এসওসিও) ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এদিকে স্থানীয় আরেকটি গণমাধ্যম বালিতা পিলিপিনাসের খবরে বলা হয়, একটি তিন চাকার সাইকেলে আইইডি’টি মলের সামনে আনা হয় এবং একটি মোবাইল ফোনের সাহায্যে এতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থলে অবিস্ফোরিত আরও একটি আইইডি পাওয়া যায়। বিস্ফোরণের আগেই কর্তৃপক্ষ সেটি নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। ফলে আর কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণের পর এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কে/পি
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
সাইবার হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র বড় ধরনের প্রিন্টিং ও বিতরণ বিঘ্নতার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবারের এই হামলার কারণে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস, শিকাগো ট্রিবিউন, বাল্টিমোর সান এবং ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মালিকানাধীন আরও কিছু পত্রিকা বিতরণ বিলম্বিত হয়েছে। কোম্পানিটি বলছে, শুক্রবার তারা প্রথম ম্যালওয়ারটি শনাক্ত করে। লস অ্যাঞ্জেলসের এই প্রোডাকশন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের পশ্চিম উপকূলীয় সংস্করণও এই হামলায় বিলম্বিত হয়। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা সম্পর্কে অবহিত একটি অজ্ঞাত সূত্র লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো বিশেষ করে সার্ভারগুলো অকার্যকর করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে, তথ্য চুরির জন্য নয়। ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মুখপাত্র মারিসা কোলিয়াস এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের সংবাদপত্র প্রকাশে ব্যবহৃত অফিসিয়াল সিস্টেমে আঘাত হানে এই ভাইরাস। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের মতে, তিনি বলেন যে কোম্পানিটির সব মার্কেটে এর প্রভাব পড়েছে। তবে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে তিনি আপত্তি জানান। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’র একজন কর্মকর্তা বিবৃতিতে বলেন, কিছু গণমাধ্যম সাইবার হামলা শিকার হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। পরিস্থিতিটি ভালোভাবে বুঝতে আমাদের সরকার ও সংশ্লিষ্টরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্ত কর্মকর্তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ, অর্ল্যান্ডো সেন্টিনেল এবং অ্যানাপোলিস ক্যাপিটাল-গেজেটসহ কোম্পানিটির অন্যান্য পাবলিকেশনের কর্মীর ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। কে/পি
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
ভারতের গুজরাটে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার এই সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তিরা নিহত হন। তারা জানিয়েছে, গুজরাটের কুটচ জেলার বাচাওয়ের কাছে দুটি চলন্ত ট্রাকের মাঝে একটি এসইউভি পিষ্ট হলে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। খবর ইন্ডিয়া টুডের। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় বাচাও মহাড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি লবণবাহী ট্রেইলার ট্রাক ডিভাইডার পেরিয়ে আরেকটি লেনে চলতে থাকা স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি)কে ধাক্কা দেয়। গাড়িটিতে ওই সময় ১১ জন আরোহী ছিলেন বলে জানাচ্ছে পুলিশ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একইসময় একটি চলন্ত ট্রাক ওই এসইউভি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ১০ জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, ওই ব্যক্তিরা বাচাও থেকে থেকে তাদের নিজ শহর ভুজে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি শোক জানিয়েছেন। এসময় তিনি ‍ভুক্তভোগীদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
আরও পড়ুন
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন নর্ডহাউস-রোমার
শান্তিতে নোবেল পেলেন মুকওয়েগে ও নাদিয়া
রসায়নে নোবেল পেলেন আর্নল্ড, স্মিথ ও উইন্টার
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন অ্যাশকিন-মৌরো-স্ট্রিকল্যান্ড