ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রিটিশ রাজপরিবারের আয়ের উৎস কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মে ২০১৮, ০৪:০২ পিএম

অধিকাংশ মানুষই নিজেদের দৈনন্দিন চাকরি থেকে অর্থ উপার্জন করে থাকে। কিন্তু ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যদের অধিকাংশ মানুষদের সাথে মিলালে হবে না। ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং তার পরিবারের সদস্যদের আয়ের বিভিন্ন উৎস থাকলেও, যা মনে করছেন তা কিন্তু নয়। তারা সেই অর্থে ততোটা ধনী নন। খবর সিএনএন এর।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায় রাণী এলিজাবেথের ব্যাক্তিগত সম্পদ ৩৬০ মিলিয়ন পাউন্ড (৪৭০ মিলিয়ন ডলার)। যদিও ইংল্যান্ডে ব্রিটেনের রাণীর চেয়ে আরও ৩২০ জন ধনী ব্যক্তি আছেন। চলুন আজ সিএনএন এর এই বিশেষ প্রতিবেদনে দেখব ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের আয়ের উৎস কোথায়।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : বিশ্বের সবচেয়ে বয়সী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন মাহাথির
--------------------------------------------------------

রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ

রাণীর তিনটি প্রধান আয়ের উৎস রয়েছে। একটি হচ্ছে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বাৎসরিক হারে পাওয়া সোভরেইন গ্র্যান্ট, ডুচি অব ল্যাংকেস্টার এস্টেট এবং তার ব্যাক্তিগত বিভিন্ন সম্পত্তি ও বিনিয়োগ। সোভরেইন গ্র্যান্টের মাধ্যমে একটি এক্সপেন্স অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ব্রিটিশ রাজপ্রসাদের যাবতীয় খরচ সামলায়।

এই গ্র্যান্টের আওতায় রাণী ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৪২ দশমিক আট মিলিয়ন পাউন্ড করমুক্ত অর্থ পেয়েছিলেন। গেলো অর্থবছরে যে খরচ বেড়ে দাড়িয়েছিল ৭৬ দশমিক এক মিলিয়ন পাউন্ড। বাকিংহাম প্যালেসের সংস্কারের জন্য খরচ বেড়ে গিয়েছিল বলে জানা যায়।

রাণীর আয়ের আরেকটি বিরাট উৎস হলো দ্যা ডুচি অব ল্যাংকেস্টার। এটি ১২৬৫ সাল থেকে চলে আসা একটি প্রাইভেট বাণিজ্যিক, কৃষিজাত ও আবাসিক সম্পত্তি। বছরে এই সম্পত্তি থেকে গড়ে আয় হয় ১৯ দশমিক দুই মিলিয়ন পাউন্ড। এই অর্থ দিয়ে রাণী ব্যক্তিগত খরচ সামলান।

এটি ছাড়াও রাণীর নিজস্ব ‍কিছু সম্পত্তিও আছে যার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত স্কটল্যান্ডের বালমোরাল ক্যাসল এবং পূর্ব ইংল্যান্ডের সান্দ্রিগ্রাম এস্টেট। এই দুটি সম্পত্তিই রাণী উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন তার পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে।

এ সব সম্পত্তি ছাড়াও রাণীর সংগ্রহশালায় আছে বহুমূল্য বিরল ডাকটিকেটের সংগ্রহ, এবং বিশ্বের খ্যাতনামা শিল্পীদের শিল্পকর্মের মূল কপি।

রাণীর স্বামী ডিউক অব এডিনবার্গ বলে খ্যাত প্রিন্স ফিলিপ বাৎসরিক ৩৫ লাখ নয় হাজার পাউন্ডের অনুদান পেয়ে থাকেন। তিনি গেলো বছর ষাট বছরের সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : মার্কিন পতাকা পোড়ানো হলো ইরানের পার্লামেন্টে
--------------------------------------------------------

প্রিন্স চার্লস

প্রিন্স অব ওয়ালস বলে পরিচিতি প্রিন্স চার্লস এবং ডাচেস অব কর্নওয়াল বলে পরিচিত তার স্ত্রী ক্যামিলাও অর্থের জন্য জনগণের টাকা এবং নিজেদের ব্যাক্তিগত সম্পত্তির আয়ের উপর নির্ভর করেন।

তাদের আয়ের ৯০ শতাংশই আসে ১৩৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ডুচি অব কর্নওয়াল’ নামক একটি প্রাইভেট এস্টেট থেকে। এই প্রাইভেট এস্টেটটি ইংল্যান্ডের ওয়ালস এবং কর্নওয়েলের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় সম্পত্তি দেখাশুনাসহ বেশ কয়েকটি দ্বীপ এবং কটেজ ভাড়া দিয়ে থাকে।

অতি সম্প্রতি এই যুগল এই এস্টেট থেকে বছরে ২০ দশমিক ৭ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেছেন। এটা ছাড়াও এই যুগল রাণীর সোভরেইন গ্র্যান্ট থেকে বাৎসরিক এক দশমিক তিন মিলিয়ন পাউন্ড পেয়ে থাকেন। এই অর্থ ছাড়াও ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ থেকেও বছরে চার লাখ একষট্টি হাজার পাউন্ড অর্থ অনুদান হিসেবে পান।

তাদের আয়ের অধিকাংশই খরচ হয় বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কাজ ও ভ্রমণে। তবে তাদের আয়ের চারভাগের একভাগই চলে যায় করের পেছনে।

খরচ করার পর উদ্বৃত্ত ছয় দশমিক ছয় মিলিয়ন পাউন্ড যায় প্রিন্স চার্লসের সন্তান, অনানুষ্ঠনিক কেনাকাটা এবং রাজকীয় সেভিংস অ্যাকাউন্টের পেছনে।

আর কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ে হতে যাচ্ছে ডায়ানাপুত্র প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কেলের। এই বিয়ের পরও মোটা অংকের অর্থ এই যুগলকে দিতে যাচ্ছেন প্রিন্স চার্লস।

প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি

এছাড়াও প্রিন্স উইলিয়াম ও তার পত্নী কেট মিডলটন এবং ‍প্রিন্স হ্যারিও রাণীর পক্ষে কোনও আনুষ্ঠানিক কাজে অংশগ্রহণ করার বিনিময়ে অর্থ নিয়ে থাকেন।

শুধু পিতা প্রিন্স চার্লসের অনুদানের উপরই নয়, প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্স হ্যারি দুই ভাইই তাদের মা প্রিন্সেস ডায়ানার সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়ে ছিলেন।

তবে রাজপরিবারের বাকি সদস্যরা কীভাবে অর্থ পান সে বিষয়ে গনমাধ্যমের কাছে তেমন বেশি তথ্য নেই। প্রিন্স চার্লস ছাড়াও রাণী এলিজাবেথের আরও তিন সন্তান আছেন। এবং সেই তিন সন্তানেরও নাতি পুতি আছে।

রাজপরিবারের বাকি সদস্য

রাণীর সবচেয়ে ছোট দুই ছেলে ডিউক অব ইয়র্ক বলে পরিচিত এন্ড্রু এবং আর্ল অব ওয়েসেক্স বলে পরিচিত এডওয়ার্ড রাজপরিবারের ফুলটাইম কাজ করে থাকেন। তাদের কাজের মধ্যে আছে তাদের মায়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা। রাণী এ কাজের জন্য তার এই দু্ই সন্তানকে বেশ মোটা অংকের অর্থ দিয়ে থাকেন।

রাজপরিবারের পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যরা নিজেদের ক্যারিয়ার নিজেরাই গড়বে এবং অনেক বেশি স্বাধীনচেতা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে সিএনএন এর এই প্রতিবেদনে। তার লক্ষণও এরইমধ্যে দেখা গেছে। এন্ড্রুর দুই মেয়ে প্রিন্সেস বিয়াত্রিস এবং প্রিন্সেস ইউজিন ব্যবসা ও শিল্পজগতে পূর্ণকালীন চাকরি করছেন। যদিও চাকরি থেকে পাওয়া অর্থের বাইরেও তারা তাদের পিতার কাছ থেকে নিয়মিত অর্থসাহায্য পেয়ে থাকেন।

আরও পড়ুন :

কেএইচ/ জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। জর্ডান-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্য রয়্যাল অল আল-বাইত ইনস্টিটিউট ফর ইসলামি থট’র শাখা দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন তিনি। ‘দ্য মুসলিম ৫০০’ নামের এই ওয়েবসাইটে  প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ৯৩ বছর বয়সে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়স্ক সরকার প্রধান হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়া মাহাথিরের অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, এই সম্পূর্ণ অসাধারণ মানুষের আছে ৭০ বছরের একটি গতিশীল রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। পাশাপাশি তিনি ১৭টি বই প্রকাশ করেছেন। এগুলোর মধ্যে মাত্র দুটি স্মৃতিচারণমূলক। বাকি বইগুলো মালয়েশিয়ার শাসনপদ্ধতি এবং অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান সংক্রান্ত। প্রতিবেদনটিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথিরের প্রথম মেয়াদটাকেই বেশি হাইলাইট করা হয়েছে, যা ২২ বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন। এটির শেষে বলা হয়, ৯৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিকের আছে দুটি হার্ট অ্যাটাক এবং একটি বাইপাস সার্জারির ইতিহাসও, যেগুলো মোটেও তাকে দমাতে পারেনি। দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্টাডিজ সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ইসরায়েলি সৈন্যের গালে চড় মারা ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমিকে মুসলিম ৫০০ উইম্যান অব দ্য ইয়ার তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলি সেনারা বাড়ি থেকে তামিমির ভাইকে ধরে নিতে এলে সে তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে এক সেনাকে চড় মারে তামিমি। এজন্য তাকে তখন গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরের মার্চে বিচার শেষে তামিমিকে আট মাসের কারাদণ্ড দেন ইসরায়েলি আদালত। জুলাই মাসে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। আরো পড়ুন :  রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮ কে/ এমকে
মাহাথির মোহাম্মদ, দ্য মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
পশ্চিম-মধ্য রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক অঞ্চলের ম্যাগনিটোগোর্স্ক শহরের একটি ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে। এছাড়া ভবনটির ১২০ বাসিন্দার মধ্যে ৬৮ জন এখনও নিখোঁজ আছেন। স্থানীয় সময় সোমবার চেলিয়াবিনস্ক গভর্নর বোরিস দুব্রোভস্কি এই তথ্য জানান বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস। তিনি তার টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আরও লিখেছেন, বিধ্বস্ত ভবনটি থেকে সবশেষ সাতটি শিশুসহ ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বিস্ফোরণের শিকার দুই শিশুসহ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে এ পর্যন্ত ২৮ জন জীবিত বাসিন্দা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এর আগে এই গভর্নর বলেন, ৫০ জনের মতো বিধ্বস্ত ভবনটিতে আটকে থাকতে পারেন। এদিন সকালে ম্যাগনিটোগোর্স্কের কেন্দ্রে অবস্থিত এই ভবনের গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনটির প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। উদ্ধার ও অনুসন্ধান প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। ৬৬টি উদ্ধারযন্ত্র নিয়ে ৪৬৯ জন কর্মকর্তা এই কাজে নিয়োজিত আছেন। এছাড়া দেশটির জরুরি সেবাদান মন্ত্রণালয়ের ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী দ্রুতই ভবনটিতে চলমান উদ্ধারকাজে যোগ দেবেন। ইয়েকাটেরিনবার্গ থেকে একটি মি-৮ হেলিকপ্টার এবং দুটি প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে তারা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন। নগর প্রশাসন জানিয়েছে, ভবনটির আরও দুটি প্রবেশপথ বিধ্বস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।এই ঘটনায় ম্যাগনিটোগোর্স্কে শোক ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থাটি। কে/পি
রাশিয়ায় ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চার, নিখোঁজ ৬৮
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
ফিলিপিন্সের একটি মলে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস(আইডি) বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজন নিহত এবং শিশুসহ ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর একটা ৫০ মিনিটে দেশটির মাগুইনদানাও প্রদেশের কোতাবাতো শহরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম জিএমএ নিউজ। ফিলিপিন ন্যাশনাল পুলিশ (পিএনপি) বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুজনকে শনাক্ত করেছে। নিহতরা হলেন মাইলাভ নাতারা এবং সিদিক কুতিন। আহতাবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান তারা। আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালগুলো ভর্তি করা হয়েছে। আর্মির ষষ্ঠ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল সিরিলিতো সবেজানা বলেন, আতশবাজি বিক্রির দোকান সংলগ্ন সাউথ সিস মলের প্রবেশমুখে এই আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশের রিপোর্টে বিস্ফোরক দ্রব্যটি একটি বাক্সে মোড়ানো ছিল বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে একজন অপরিচিত পুরুষ বাক্সটি এখানে রাখার কিছুক্ষণের মধ্যে, তা বিস্ফোরিত হয়। আরও বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ ঘটাতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ইতোমধ্যে পুলিশের এক্সপ্লোসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং সিন অব দ্য ক্রাইম অপারেটিভস(এসওসিও) ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এদিকে স্থানীয় আরেকটি গণমাধ্যম বালিতা পিলিপিনাসের খবরে বলা হয়, একটি তিন চাকার সাইকেলে আইইডি’টি মলের সামনে আনা হয় এবং একটি মোবাইল ফোনের সাহায্যে এতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাস্থলে অবিস্ফোরিত আরও একটি আইইডি পাওয়া যায়। বিস্ফোরণের আগেই কর্তৃপক্ষ সেটি নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। ফলে আর কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণের পর এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কে/পি
ফিলিপিন্সে মলে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত দুই, আহত ৩২
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
সাইবার হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র বড় ধরনের প্রিন্টিং ও বিতরণ বিঘ্নতার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবারের এই হামলার কারণে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস, শিকাগো ট্রিবিউন, বাল্টিমোর সান এবং ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মালিকানাধীন আরও কিছু পত্রিকা বিতরণ বিলম্বিত হয়েছে। কোম্পানিটি বলছে, শুক্রবার তারা প্রথম ম্যালওয়ারটি শনাক্ত করে। লস অ্যাঞ্জেলসের এই প্রোডাকশন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের পশ্চিম উপকূলীয় সংস্করণও এই হামলায় বিলম্বিত হয়। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা সম্পর্কে অবহিত একটি অজ্ঞাত সূত্র লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো বিশেষ করে সার্ভারগুলো অকার্যকর করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে, তথ্য চুরির জন্য নয়। ট্রিবিউন পাবলিশিংয়ের মুখপাত্র মারিসা কোলিয়াস এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের সংবাদপত্র প্রকাশে ব্যবহৃত অফিসিয়াল সিস্টেমে আঘাত হানে এই ভাইরাস। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের মতে, তিনি বলেন যে কোম্পানিটির সব মার্কেটে এর প্রভাব পড়েছে। তবে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে তিনি আপত্তি জানান। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’র একজন কর্মকর্তা বিবৃতিতে বলেন, কিছু গণমাধ্যম সাইবার হামলা শিকার হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। পরিস্থিতিটি ভালোভাবে বুঝতে আমাদের সরকার ও সংশ্লিষ্টরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্ত কর্মকর্তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ, অর্ল্যান্ডো সেন্টিনেল এবং অ্যানাপোলিস ক্যাপিটাল-গেজেটসহ কোম্পানিটির অন্যান্য পাবলিকেশনের কর্মীর ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। কে/পি
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদপত্রে সাইবার হামলা
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
ভারতের গুজরাটে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার এই সড়ক দুর্ঘটনায় ওই ব্যক্তিরা নিহত হন। তারা জানিয়েছে, গুজরাটের কুটচ জেলার বাচাওয়ের কাছে দুটি চলন্ত ট্রাকের মাঝে একটি এসইউভি পিষ্ট হলে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। খবর ইন্ডিয়া টুডের। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় বাচাও মহাড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি লবণবাহী ট্রেইলার ট্রাক ডিভাইডার পেরিয়ে আরেকটি লেনে চলতে থাকা স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি)কে ধাক্কা দেয়। গাড়িটিতে ওই সময় ১১ জন আরোহী ছিলেন বলে জানাচ্ছে পুলিশ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একইসময় একটি চলন্ত ট্রাক ওই এসইউভি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ১০ জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, ওই ব্যক্তিরা বাচাও থেকে থেকে তাদের নিজ শহর ভুজে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি শোক জানিয়েছেন। এসময় তিনি ‍ভুক্তভোগীদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
আরও পড়ুন
সঙ্গীকেই বিয়ে করছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ভাই