
তুরস্কের কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের বিশ্বাস সুপরিচিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসহোগ্গিকে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যা করা হয়েছে। চারদিন আগে ওই সাংবাদিক সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন। খবর আল-জাজিরার।
তুরস্কের একজন কর্মকর্তা শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, পুলিশের প্রাথমিক মূল্যায়ন হচ্ছে ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটের ভেতরই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত এবং ঘটনার পর তার দেহ কনস্যুলেট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তবে কনস্যুলেটের একটি সৌদি সূত্র খাসহোগ্গিকে মিশনের ভেতর হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে বর্ণনা করে ওই সূত্রটি।
সৌদি সরকারের অন্যতম সমালোচক খাসহোগ্গি মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর প্রবেশ করেন। কিন্তু এরপর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি।
জানা গেছে, নিজের তার্কিশ বাগদত্তা হ্যাটিস এ-কে বিয়ে করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক করতে মঙ্গলবার প্রায় ১টার দিকে মিশনে প্রবেশ করেন খাসহোগ্গি। হ্যাটিস জানান, খাসহোগ্গি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর তিনি বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন, কিন্তু সে আরে ফেরেনি।
এর আগে শনিবার বিভিন্ন সূত্র জানায়, যেদিন ৫৯ বছর বয়সী খাসহোগ্গি নিখোঁজ হয়, ওইদিনই ১৫ সদস্যের একটি সৌদি প্রতিনিধি দল তুরস্কে পৌঁছায়। দুটি ভিন্ন ফ্লাইটে করে ওই সৌদি কর্মকর্তারা মঙ্গলবার তুরস্কে পৌঁছান। তবে ওই প্রতিনিধি দলে নিরাপত্তা নাকি কূটনীতিক কর্মকর্তারা ছিলেন সেটি জানা যায়নি।
এদিকে তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টি জানিয়েছে, তারা খাসহোগ্গি নিখোঁজ হওয়ার বিস্তারিত ‘উদঘাটন’ করবে।
এর আগে শুক্রবার তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ইস্যুতে দেশটিতে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠায়। ওইদিনই আরও পরের দিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ তুরস্কে তাদের কনস্যুলেট সার্চ করার অনুমতি দেবে।
মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গকে তিনি বলেন, আমরা তাদের প্রবেশ এবং সার্চ করতে এবং যা খুশি করার অনুমতি দেবো; আমাদের লুকানোর কিছু নেই।
অন্যদিকে খাসহোগ্গি যে কনস্যুলেটের ভেতর নেই সেটি প্রমাণ করার জন্য শনিবার মিশনের ভেতর সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল সৌদি আরব।
আরও পড়ুন :
এ




