
ডাকঘরে জ়িরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খুললেই নাকি ঢুকবে লাখ লাখ টাকা। এমন গুজবে ভারতের কোচবিহারের প্রধান ডাকঘরের সামনে মানুষজন জড়ো হচ্ছেন।
বিভিন্ন গ্রাম থেকে অ্যাকাউন্ট খুলতে মানুষজন কোচবিহার আসছেন। তাদের একজন দিনহাটার আবুতারার যোগমায়া বর্মণ। তিনি বলেন, জ়িরো বই করতে এসেছি। শুনেছি মোদি সরকার টাকা দেবে। কত দেবে তা অবশ্য জানি না। খবর আনন্দবাজারের।
আরেকজন বামনহাটের পার্বতী বিশ্বাস। তিনি বলেন, লোকমুখে শুনতে পারলাম মোদিজি নাকি এই ডাকঘরে জ়িরো ব্যালান্সে বই করতে বলেছেন। অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে।
কিন্তু সত্যিই কী জ়িরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খুললে গ্রাহকের নামে টাকা জমার কোনও নির্দেশ রয়েছে? ডাক বিভাগ সূত্রের অবশ্য দাবি, এ রকম কোনও নির্দেশ তাদের কাছে আসেনি।
ডাক বিভাগের কোচবিহারের এক কর্মকর্তা রূপক সিংহ বলেন, এ রকম কিছু জানা নেই। তবে তাতে অ্যাকাউন্ট খোলার হিড়িক কমছে না।
ডাক বিভাগ সূত্রের খবর, বুধ ও বৃহস্পতিবার দুদিনে কোচবিহারের প্রধান ডাকঘরে দেড় শতাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। তাদের মধ্যে অনেকেই দিনহাটা মহকুমার প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার ‘লিংক ফেল’ না হলে নতুন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা একদিনেই ১০০ পেরিয়ে যেত। ডাকঘরের এক কর্মকর্তার দাবি, প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন সরকারি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুললে খুব কম টাকা রাখা যায় না। তাই এই ভিড়।
তবে এমন পরিস্থিতিতে দেশটির কংগ্রেস ও বিজেপি নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করছে।
এ




