ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

ইথিওপিয়ার যে পবিত্র শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০১৯, ০৪:০২ পিএম
মসজিদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন একদল মুসলিম

একদল মুসলিম ইথিওপিয়ার আকসুম শহরে মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে। যা সেখানকার খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলছেন, এর চেয়ে বরং মৃত্যুই তাদের কাছ শ্রেয়। সিনিয়র একজন ধর্মীয় নেতা গডেফা মেরহা বলেন, আকসুম আমাদের মক্কা।

তিনি বলেন, ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোতে যেমন গির্জা নিষিদ্ধ; তেমনি আকসুমেও কোনও মসজিদ থাকতে পারে না। খবর বিবিসি বাংলার।

গডেফা বলেন, আকসুম একটি পবিত্র স্থান। সিটি অব মনেস্ট্রি। এখানে কেউ যদি মসজিদ নির্মাণ করতে আসেন তাহলে আমরা মরবো। কখনই এটা মেনে নেয়া হবে না। আমাদের জীবদ্দশায় এটা আমরা অনুমোদন করবো না। যদিও ‘জাস্টিস ফর আকসুম মুসলিম’ ব্যানার নিয়ে একদল মুসলিম ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।

তারা বলছেন, মসজিদ নির্মাণ ও প্রার্থনার সুযোগ পাওয়া তাদের অধিকার। আর মুসলিমদের এ তৎপরতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে সেখানকার অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা।

যদিও সেখানকার অনেকে বিশ্বাস করেন যে এ বিতর্ক অর্থহীন কারণ প্রাচীন এ শহরটি অনাদিকাল থেকেই ধর্মীয় সহনশীলতার জন্য সুপরিচিত। ধর্ম দুটির অনুসারীদের মতে, ইসলামের সূচনালগ্নে মক্কায় অমুসলিম শাসকদের অত্যাচারে পালিয়ে প্রথম মুসলিমরা এসেছিল এই শহরে।

তখনকার খ্রিস্টান রাজা তখন তাদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। আর মূলত আরব উপত্যকার বাইরে এটাই ছিল মুসলিমদের প্রথম কোনও উপস্থিতি। এখন আকসুমের ৭৩ হাজার অধিবাসীর ১০ শতাংশই মুসলিম। আর ৮৫ ভাগ হলো অর্থোডক্স খ্রিস্টান। আর পাঁচ শতাংশ খ্রিস্টান ধর্মের অন্য ধারার অনুসারী।

বাইরে প্রার্থনায় বাধ্য হচ্ছে মুসলিমরা

শহরের মুসলিমদের একজন ৪০ বছর বয়সী আব্দু মোহাম্মেদ আলী। তিনি বলছেন, খ্রিস্টানদের একটি বাড়িই তারা কয়েক প্রজন্ম ধরে প্রার্থনার জন্য ব্যবহার করে আসছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের ১৩টি অস্থায়ী মসজিদ আছে। শুক্রবারে আমরা যদি মাইক ব্যবহার করি তাহলে তারা বলে যে আমরা সেইন্ট ম্যারিকে অসম্মান করছি।

চিকিৎসক আজিজ মোহাম্মেদ প্রায় ২০ বছর ধরে আকসুমে বাস করছেন। তিনি বলছেন, মসজিদ না থাকায় অনেক মুসলিম খোলা জায়গায় প্রার্থনা করতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, এখানে আমরা মুসলিম ও খ্রিস্টানরা একসঙ্গেই বাস করি। খ্রিস্টানরা বাধা দেয় না কিন্তু বহু বছর ধরেই আমরা রাস্তায় প্রার্থনা করছি। আমাদের একটি মসজিদ দরকার।

আমাদের শান্তিতে থাকতে হবে

প্রায় ৫০ বছর আগে যখন ইথিওপিয়ায় সম্রাট হাইল সেলেসি ক্ষমতায় ছিলেন তখন আকসুমেও একই রকম মতপার্থক্য দেখা দেয়। রাজপরিবারের সদস্য, যিনি শহরের তখনকার নেতা ছিলেন তিনি একটি সমঝোতা করে দেন। যার ফলে মুসলমানরা ভুকিরো-মারে শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিল।

ওই শহরে মুসলিমদের জন্য রান্নার কাজ করেন কেরিয়া মেসুদ। তিনি বলছেন, মসজিদের জন্য আমরা জোর করতে পারি না। আমাদের শান্তিতে থাকতে হবে।

গডেফা মেরহা অবশ্য বলছেন, উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং উভয়ের মধ্যে ইব্রাহীম (আ.) সম্পর্কীয় কিছু একই বিশ্বাস কাজ করে। তিনি বলেন, তার বেস্টফ্রেন্ড হলো একজন মুসলিম এবং তারা এক সঙ্গেই বিয়ে, শেষকৃত্যের মতো অনুষ্ঠানগুলোতে যোগ দেন।

তার বিশ্বাস ইথিওপিয়ার অন্য অঞ্চলের মুসলমানরা আকসুমে মসজিদ বানানোর এই প্রচারণার পেছনে আছে। কিন্তু অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা আকসুমের পবিত্রতা রক্ষায় সেটি হতে দেবে না। তবে অনেকেই আশা করছেন, সম্রাট হেইলি সেলাসিসের সরকার একটি সমঝোতা তৈরি করতে পারবেন।

এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবিই আহমেদের বাবা একজন মুসলিম ছিলেন আর মা খ্রিস্টান। রিজিওনাল কাউন্সিল অব মুসলিম বলছে, তারা খ্রিস্টানদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। কাউন্সিল কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাহসে বলেন, আমরা আশা করি খ্রিস্টানরা মসজিদ নির্মাণে সহায়তাই করবেন।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই। কে/সি
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
উইঘুর মসজিদে নামাজ পড়ায় আটক একদল মালয়েশীয় পর্যটক
‘প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে মসজিদ করে দেওয়া হবে’
ভারতের মসজিদ থেকে সতর্ক করা হচ্ছে মুসলিমদের
মসজিদে নামাজ পড়লে ফি দিতে হবে ইয়েমেনিদের