ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলা ভাষার পক্ষে কলকাতায় অভিনব প্রচারণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৩৪ পিএম
ছবি: বিবিসি বাংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় বাংলা ভাষার পক্ষে এক অভিনব প্রচারণা শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় গত কয়েকদিন ধরে বাংলা ভাষার পক্ষে ব্যানার ও হোর্ডিং লাগানো হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন হিন্দি-উর্দু শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ দেয়া রয়েছে। খবর বিবিসি বাংলার।

কোনও হোর্ডিংয়ে লেখা ‘সওরভের থেকে সৌরভ ভালো’, কোনও হোর্ডিংয়ে লেখা ‘জলেবির থেকে জিলিপি ভালো’, বা ‘পরাঠার থেকে পরোটা ভালো’। কলকাতার অনেক বাংলাভাষী মানুষ নিয়মিত কথোপকথনের সময়ে যেসব হিন্দি বা উর্দু শব্দ মিশিয়ে বাংলা বলেন- সেগুলোই তুলে ধরে হোর্ডিংগুলোতে লেখা হয়েছে ‘নিজের ভাষা নিজের থাক’।

কিন্তু এসব ব্যানার কারা লাগিয়েছে, তা কোথাও উল্লেখ নেই। তবে বাংলা ভাষার ওপর কথিত হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রচার চালায়, এমন একটি সংগঠন বাংলা পক্ষ, বেশ কয়েক বছর ধরে অনেকটা এ ধরনেরই প্রচার চালিয়ে আসছে।

তবে এই হোর্ডিং তাদের লাগানো কিনা, তা নিয়ে সংগঠনটির প্রধান গর্গ চ্যাটার্জি বলেন, আমাদের চিন্তাধারাকে সমর্থন করেন, এমন কেউ লাগিয়েছেন হয়তো। তবে আমরা হোর্ডিংয়ের বিষয়বস্তুকে সমর্থন করি। এই যে বানান বদলে যাওয়া, উচ্চারণ বদলে যাওয়া, ভাষার ওপরে আগ্রাসন- এগুলো আসলে বাংলার চাকরি, বাজার, পুঁজি আর জমি- তার ওপরে হিন্দি-উর্দুর আগ্রাসন। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই হোর্ডিংগুলোতে।

কলকাতায় রাস্তাঘাটে নিয়মিত শোনা যায়- বহু মানুষ বাংলার মধ্যে হিন্দি-উর্দু আর ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলছেন- কেউ অজান্তে, কেউ জেনে-বুঝেই। কলকাতার বাসিন্দা সুজাতা ঘোষ বলছিলেন, বাংলার সঙ্গে হিন্দি বা উর্দু মিশিয়ে যে ভাষায় কথা বলতে দেখেন তিনি নিয়মিত, তা যথেষ্ট কানে লাগে তার।

তিনি বলেন, যখন রাস্তাঘাটে কথাগুলো কানে আসে, তার মধ্যে অনেক হিন্দি-উর্দু শব্দ দেখি অনেকে অবলীলায় বলে চলেন। যেমন ‘ডানে-বামে’ না বলে ‘ডাহিনে-বাঁয়ে’ বলেন, বা ‘কেননা’ শব্দটার বদলে হিন্দির অনুকরণে ‘কেন কি’ বা সরাসরি হিন্দিতেই ‘কিঁউ কি’ বলেন। ছোটরাও এই ধরনের জগাখিচুড়ি ভাষা বলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

সহেলী চক্রবর্তী বলছিলেন, শুধু ভাষার ব্যবহার নয়, বাইরের প্রভাব পড়েছে পোশাক থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস- সবকিছুতেই।

তার কথায়, বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, পোশাক-আশাক, খাবার- সব কিছুতেই যেন বাইরের একটা প্রভাব চলে এসেছে খুব বেশি করে। বাইরে থেকে যেন চাপিয়ে দিচ্ছে কেউ সবকিছু। আমরা আমাদের জায়গাগুলোই হারিয়ে ফেলছি। তার জন্যই সচেতন করতেই এ ধরনের হোর্ডিং লাগানো হচ্ছে।

অন্যদিকে কলকাতায় জন্ম নেয়া, বড় হওয়া আর এখন ব্যবসায়ী মানিত সিং বলছিলেন, হিন্দিভাষী বন্ধুবান্ধবের চেয়ে বাঙালি বন্ধুর সংখ্যাই তার অনেকগুণ বেশি।

সামান্য কিছু ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করলেও মূলত স্পষ্ট বাংলাতেই মানিত বললেন, এই ব্যাপারটা আমরা টিভিতে দেখি, কাগজে পড়ি, কিন্তু সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে বলুন বা কাজের জায়গায় এই বাঙালি-অবাঙালি ডিভাইডটা কিন্তু নেই। আমার তো মনে হয় পলিটিক্যালি মোটিভেটেড হয়ে এরকম প্রোপাগান্ডা চালানো হয় যাতে আমাদের মধ্যে স্প্লিট হয়।

তিনি আরও বলেন, আমার নিজের কথাই বলতে পারি, জন্মেছি এখানে, বড় হওয়া, পড়াশোনা সবই এখানে। এখন ব্যবসা করি। আমার যা বাঙালি বন্ধুবান্ধব, তার দশভাগও বোধহয় হবে না অবাঙালি বন্ধু। কথাও তো বেশি বলি বাংলাতেই।

বাংলা ভাষা আর সংস্কৃতির ওপর হিন্দি-উর্দুর কথিত আগ্রাসনের পেছনে রাজনীতি রয়েছেন বলে মনে করেন অনেকেই। তেমনই একজন চারুচন্দ্র কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: অমিত শাহকে বহনকারী হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ
---------------------------------------------------------------

তিনি বলছিলেন, হোর্ডিংগুলো আমারও চোখে পড়েছে। কিন্তু কোথাও কোনও সংগঠনের নাম নেই। একটা সংগঠন এ ধরনের প্রচার করছে ঠিকই। আর তাদের পেছনে সরাসরি সংযুক্ত না হলেও রাজ্যের শাসক দলের যে প্রশ্রয় রয়েছে, সেটা বোঝাই যায়। কারণ এরকম হোর্ডিং লাগানো হলে সেগুলো সরিয়ে ফেলার নিয়ম। সেটা করা হয়নি। এগুলোর পেছনে নিঃসন্দেহে রাজনীতি রয়েছে।

অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ বলেন, আসলে বিজেপি একটা সময় মূলত হিন্দিভাষীদের ভোটই পেত। কিন্তু ৯০-এর পর থেকে সেই চিত্রটা পাল্টাতে থাকে আর বিগত নির্বাচনে যেসব জায়গায় বিজেপি জিতেছে, সেগুলো কোনোভাবেই হিন্দিভাষী প্রধান অঞ্চল নয়। এখানেই মনে হচ্ছে যে বিজেপিকে হিন্দি প্রধান অঞ্চলের দল বলে তকমা দেয়ার একটা চেষ্টা বা বাংলার ওপরে হিন্দি চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে- এসব বলে বাঙালির আত্মাভিমানকে ব্যবহার করার একটা চেষ্টা চালাচ্ছে শাসক দল।

কিছুদিন আগে বিজেপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, হিন্দিকেই প্রধান ভারতীয় ভাষা হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার ইচ্ছা আছে তাদের। ওই ঘোষণার পরই দক্ষিণ আর পশ্চিম ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছিল প্রতিবাদ। তারপরই কলকাতা শহরে চোখে পড়ছে এসব হোর্ডিং।

এ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই। কে/সি
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
টালিগঞ্জে পদ্মার একটি ইলিশের সঙ্গে এক কেজি পেঁয়াজ ফ্রি
কলকাতায় কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তুলছে অন্য কেউ
কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
কলকাতার রাস্তায় ৫০০ ও ২০০০ রুপির বান্ডিলের বৃষ্টি