
নিউজিল্যান্ডের ৪৫ বছর বয়সী নারী পর্যটক কুসিলা স্টেইন গত শনিবার এজিয়ান সাগরে হারিয়ে যাওয়ার পর রোববার তাকে উদ্ধার করা হয়।
স্টেইন এক ব্রিটিশ নাগরিকের সাথে সমুদ্র ভ্রমণের জন্য ভ্রমণ বোটে করে সাউদারন টার্কি থেকে এথেন্স যাচ্ছিলেন। ভ্রমণ পথে ফলগ্র্যান্ডস আইল্যান্ডে বোটের সঙ্গে থাকা ডিঙ্গি চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। ডিঙ্গি চালিয়ে বোটে ফেরার পথে তার একটি বৈঠা পানিতে পরে যায়। তিনি একটি বৈঠা দিয়ে বোটে ফেরত আসার চেষ্টা করলেও বেশি বাতাসের কারণে স্টেইন তার ডিঙ্গি সহকারে অনেক দূরে চলে যান। একটা সময় তিনি তার বোটের থেকে এতোটাই দূরে চলে আসেন যে, তিনি বোটে যাওয়ার পথ হাড়িয়ে ফেলেন।
স্টেইনের সঙ্গে থাকা ব্রিটিশ নাগরিক অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে কোনো খোঁজ না পেয়ে তাকে খোঁজার জন্য গ্রিক কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে গ্রিক কোস্টগার্ড স্টেইনকে খোঁজার জন্য তৎপরতা শুরু করে। ৬টি জাহাজ ১টি হেলিকপ্টার এবং পানির নিচে ড্রোন দিয়ে তাদের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন।
স্টেইন হারিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যুর কথা চিন্তা করে তার ডিঙ্গির গায়ে তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার নম্বর লিখে দেন। দীর্ঘ ৩৭ ঘণ্টা হারিয়ে থাকার পর গ্রিক কতৃপক্ষ তাকে গ্রিসের সবচেয়ে বড় দ্বীপ উত্তর ক্রিটের ১০১ কিলোমিটার দূর থেকে তাকে উদ্ধার করে। স্টেইন বলেন, ৩৭ ঘণ্টার মধ্যে আমি ললি চকলেট সিদ্ধ করে খাই এবং গায়ে প্লাস্টিক পেচিয়ে থাকি।
স্টেইনের মা বলেন, স্টেইন একজন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সমুদ্র ভ্রমণকারী। তার এই প্রশিক্ষণ তাকে বাচিয়ে রেখেছে।
এমকে




