ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কাশ্মীর ও বাবরি মসজিদের পর মোদির টার্গেট কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৪৩ পিএম
বিবিসি বাংলা

ভারতের আসন্ন লোকসভা অধিবেশনে তোলা হচ্ছে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। পাশাপাশি মুসলিম পারিবারিক আইন রদ করে অভিন্ন দেওয়ানি আইনের জোর দাবি জানাচ্ছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতারা। খবর বিবিসি বাংলার।

ভারতে নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ দুটি দিন ছিল ৫ আগস্ট ও ৯ নভেম্বর। ৫ আগস্টে ভারতীয় সরকার হঠাৎ এক আদেশে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে।

এর তিনমাস পর দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বাবরি মসজিদের চত্বরের মালিকানা বিতর্কের মামলায় হিন্দুদের পক্ষে রায় দেন। ফলে বাবরি মসজিদের জায়গায় একটি রামমন্দির নির্মাণের বিষয়ে বিজেপির অনেক দিনের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণের পথ সুগম হয়ে যায়।

ভারতের রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন, কাশ্মীর এবং অযোধ্যার পর মোদি সরকারের টার্গেট কী?

ভারতের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিজেপির রাজনীতি বিশ্লেষক প্রদীপ সিংকে উদ্ধৃত করে বিবিসি হিন্দির নভিন নেগি জানান, দলটির টার্গেটগুলোর তালিকায় প্রথম তিনটি ছিল সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ, অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ এবং মুসলিম পারিবারিক আইন রদ করে অভিন্ন দেওয়ানি আইন করা।

প্রদীপ সিং বলেন, দুটো টার্গেট পূরণ হয়েছে। এখন বিজেপির টার্গেট হলো ইউনিফর্ম সিভিল কোড অর্থাৎ অভিন্ন দেওয়ানি আইন। অবশ্য বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ বলেন, অভিন্ন দেওয়ানি আইনের আগে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন বিল নিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে বিজেপি।

মুসলিম পারিবারিক আইন বাতিলের প্রস্তাবে বিক্ষোভ (ফাইল ফটো)

সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনের কার্যতালিকায় নাগরিকত্ব সংশোধন বিল রাখা হয়েছে। এতে প্রস্তাব করা হয়েছে, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের আগে ভারতে আসা বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও আফগান ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা (হিন্দু, বৌদ্ধ, পার্সি বা খ্রিস্টান) চাইলে নাগরিকত্ব পাবেন।

কিন্তু কোনও মুসলমান সেই সুযোগ পাবেন না। এই প্রস্তাবিত বিলে ভারতে তীব্র বিতর্ক আছে। বিরোধীরা বলছেন, শুধু ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্বের সিদ্ধান্ত হলে ভারতের সংবিধান লঙ্ঘিত হবে। তাদের কথা, এমন আইন করতে হলে সংবিধান বদলাতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রদীপ সিং বলছেন, নাগরিকত্ব ও এনআরসি নিয়ে বিজেপি ইতোমধ্যে অনেকদূর এগিয়েছে। দলটি এই দুই বিষয়ে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি মোদি সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট হলো ভারতে একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন করা।

অভিন্ন দেওয়ানি আইন কি?

ভারতের দেওয়ানি আইনে বিয়ে, পরিবার, সম্পত্তির ভাগাভাগির মতো কিছু বিষয়ে ধর্মীয় রীতিনীতি এবং বিধিনিষেধকে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে মুসলিমদের পারিবারিক আইন নিয়ে কট্টর হিন্দু দলগুলোর সবসময় আপত্তি ছিল।

বিজেপি বহুদিন ধরেই বলে আসছে, তারা ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি আইন করতে চায়। এতে বিশেষ কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা বিধি থাকবে না। বিজেপির নেতারা বিভিন্ন ফোরামে এই অভিন্ন দেওয়ানি আইনের দাবি জোরদার করতে শুরু করেছেন।

কাশ্মীরে সেনা টহল

বিজেপির জেনারেল সেক্রেটারি রাম মাধব থেকে শুরু করে প্রভাবশালী নেতা নাশিক কান্ত দুবে লোকসভার প্রথম অধিবেশনেই দাবি করেন, অভিন্ন দেওয়ানি আইন করতে হবে। শুভজ্যোতি ঘোষের মতে, তিন তালাক নিষিদ্ধের পর মুসলিম পারিবারিক আইন অনেকটা খাটো হয়ে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রদীপ সিং মনে করেন, নাগরিকত্ব আইন বাস্তবায়নের চেয়ে অভিন্ন দেওয়ানি আইন করা বিজেপির জন্য বেশি কষ্টকর হতে পারে। তার মতে, বিয়ে ও সম্পত্তি নিয়ে ভারতের অনেক ধর্মীয় এবং গোষ্ঠীর আলাদা আলাদা বিধি আছে। এগুলো বাতিল করলে অনেকেই ক্ষিপ্ত হবে।


নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আসামে বিক্ষোভ (ফাইল ফটো)

হিন্দু রাষ্ট্রের পথে হাঁটছেন মোদি?

কাশ্মীর, অযোধ্যা, নাগরিকত্ব আইন ও অভিন্ন দেওয়ানি আইনের পেছনে যে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ছায়া আছে, তা নিয়ে কারও তেমন কোনও সন্দেহ নেই।

শুভজ্যোতি ঘোষের মতে, বিজেপির আদর্শিক অভিভাবক আরএসএস (রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ) সবসময় খোলাখুলি বলেছে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাকিস্তান মুসলিম রাষ্ট্র হলেও, ভারতকে জোর করে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর লক্ষ্য আরএসএসের ডিএনএ-তে আছে। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল, অযোধ্যায় রামমন্দির এর এক একটি ধাপ। নতুন নাগরিকত্ব আইন ও অভিন্ন দেওয়ানি আইনও এই ধাপেরই অংশ।

কে/জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই। কে/সি
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
জম্মু ও কাশ্মীরে দুই ঘণ্টায় চার ভূমিকম্প
সীমান্তে ভারত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে: পাকিস্তান