
ভারতের ঝাড়খণ্ডে সোমবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে এখন ভোট গণনা চলছে। সবশেষ খবর অনুসারে, ঝাড়খণ্ড হাতছাড়া হতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপির)। খবর ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও গণমাধ্যম আনন্দবাজারের।
রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন রঘুবর দাস। বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) জোট। দ্বিতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন হেমন্ত সোরেন।
সবশেষ খবর অনুসারে, রাজ্যটির বিধানসভার ৮১টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস ১৫টিতে জয়লাভ করেছে এবং একটিতে এগিয়ে আছে। হেমন্তের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ২৯টি আসনে জয়লাভ করেছে এবং একটিতে এগিয়ে আছে। আরজেডি একটিতে জয় পেয়েছে।
অন্যদিকে বিজেপি ২২টি আসনে জয় পেয়েছে এবং তিনটিতে এগিয়ে আছে। অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এজেএসইউ পার্টি) দুটি আসনে এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট) (লিবারেশন) একটিতে একটিতে জয়লাভ করেছে।

এএনআই থেকে নেয়া
ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি একটি আসনে জয় পেয়েছে। ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা (প্রজাতান্ত্রিক) তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া একটি আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন এবং আরেকটিতে আরেকজন এগিয়ে আছেন। এ পর্যন্ত ৭৫টি আসনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে।
ভোট গণনার শুরু থেকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে ততই ভোটের ফলাফল জোটের দিকেই ঝুঁকে পড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয় পালাবদলের ইঙ্গিত। ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় মোট আসন ৮১টি। সরকার গড়তে প্রয়োজন ৪১।
ঝাড়খণ্ড রাজ্য ২০০০ সালে গঠিত হয়। গত মাসেই ২০ বছরে পা দিয়েছে রাজ্যটি। এটি রাজ্যটির চতুর্থ বিধানসভা নির্বাচন। হেমন্ত এর আগে ২০১৩ কংগ্রেস ও আরজেডির সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ২০১৪ সালে রাজ্যটিতে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয়।
কে/এসএস




