ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখে এখনও ট্রমায় নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৯, ০৯:২৯ পিএম
ছবি: যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ডের লড়াই দেখে এখনও ট্রমায় আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন।

তিনি সোমবার সকালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহরের মেয়র ফিল গফের সঙ্গে কথোপকথনের সময় একথা জানান বলে জানিয়েছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আরএনজেড।

এই ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী এসময় অকল্যান্ডের মেয়রের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল দেশে ফেরার পর তাদেরকে কিভাবে বরণ করে নেবেন তা নিয়ে আলোচনা করেন।

আরডার্ন বলেন, আমার মনে হয় নিউজিল্যান্ডের জনগণের মতো এই ম্যাচ দেখে আমি এখনও পুরোপুরি ট্রমায় আছি। এটি একটি আশ্চর্যজনক ম্যাচ।

তিনি বলেন, আমি এই ধরনের ম্যাচ আগে কখনো দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না। আমার মনে হয় এটি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য ম্যাচ হিসেবে পরিগণিত হবে।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আসরজুড়ে ব্ল্যাক ক্যাপদের পারফর্ম্যান্সে আমি গর্ববোধ করছি। আশা করছি নিউজিল্যান্ডের জনগণও এতে গর্ববোধ করবে।

এদিকে তিনি তার ইনস্টাগ্রামে খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের কোলাকুলির ছবি পোস্ট করে লেখেন, এটি অনস্বীকার্যভাবে একটি আশ্চর্যজনক খেলা।

তিনি লেখেন, আমি মনে করি একটি জাতি হিসেবে সুপার ওভারটি আমাদের কাছে এক বছরের সমান ছিল। ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন। ব্ল্যাক ক্যাপদেরকেও অভিনন্দন।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী দেশটির ক্রিকেট দলের উদ্দেশে লেখেন, আমি গর্ব ছাড়া আর কিছুই অনুভব করতে পারছি না। সত্যিই অসাধারণ একটি দল।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমে নিউজিল্যান্ড ব্যাট করে ২৪১ সংগ্রহ করে। ইংল্যান্ডও ২৪১ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেনি। পরে সুপার ওভারে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড উভয় দলই ১৫ করে সংগ্রহ করে। কিন্তু বেশি বাউন্ডারি হাঁকানোয় ইংল্যান্ড জয়ী হয়।

কে/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
অস্ট্রেলিয়ায় সাইকেল আরোহীকে থামিয়ে পানি পান তৃষ্ণার্ত কোয়ালার
দাবানলের গ্রাসে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার জঙ্গল। এর প্রভাবে সবচেয়ে বিপন্ন অবস্থায় সেখানকার অধিবাসীরা। আগুনে পুড়েছে গাছ। ফলে থাকার জায়গা হারিয়ে পথে বসেছে কোয়ালারা। আগুনের গরম হাওয়া আর অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে তাদের অবস্থা বেশ সঙ্গীন। বিধ্বংসী দাবানলে ঘরছাড়া ও অসহায় কোয়ালার ছবি ভাইরাল হয়েছে আগে। সম্প্রতি আর একটি ঘটনা সবার মন নাড়িয়ে দিয়েছে। তৃষ্ণার্ত এক কোয়ালা থাকতে না পেরে, সাহস নিয়েই একদল সাইকেলআরোহীদের পথ আটকায়। সে দূর থেকেই দেখেছে তাদের সাইকেলে রয়েছে পানির বোতল। এক আরোহীর সাইকেলের ওপর চড়াও হয়ে পানির দাবি করে ছোট্ট, নরম তুলতুলে নিরীহ কোয়ালাটি। আরোহীরাও থেমে যান তার কীর্তি দেখে। ছোট্ট অবলার মনের কথা বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে বোতল থেকে পানি খাইয়ে দেন এক সাইকেল আরোহী। তার হাতটি ধরে বোতল থেকে নিমেষে পানি শেষ করে তৃষ্ণার্ত কোয়ালাটি। পরম যত্নে, আদরে কোয়ালার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন সহৃদয় আরোহী। এ/পি
অস্ট্রেলিয়ায় সাইকেল আরোহীকে থামিয়ে পানি পান তৃষ্ণার্ত কোয়ালার
অস্ট্রেলিয়ার বনে আগুন, ছুটিতে থাকায় ক্ষমা প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর
অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি বনে যখন আগুন জ্বলছে, তখন ছুটি কাটানোর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। খবর যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম বিবিসির। একদিকে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে, অন্যদিকে বনে আগুন জ্বলছে। সব মিলিয়ে দেশটির জনগণের দুর্ভোগের শেষ নেই। এর মধ্যে ছুটি কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে যান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। আগুন নেভানোর জন্য সিডনির কাছে অবস্থানরত দুই স্বেচ্ছাসেবী দমকলকর্মী বৃহস্পতিবার সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এসময় তিনি দেশে না থাকায় তার বিরুদ্ধে নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে। মরিসন ইতোমধ্যে তার ছুটি সংক্ষিপ্ত করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অনেক অস্ট্রেলিয়ান যখন তীব্র গরম ও আগুনের শিকার, তখন পরিবার নিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি আমি। গত সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে বনের আগুনের শিকার হয়ে আটজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া সাত শতাধিক বসতবাড়ি পুড়ে এবং কয়েক মিলিয়ন হেক্টর এলাকা ঝলসে গেছে। শুক্রবার সাউথ অস্ট্রেলিয়ার এক শতাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এদিকে নিউ সাউথ ওয়েলসে সাত দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। কে/এমকে
অস্ট্রেলিয়ার বনে আগুন, ছুটিতে থাকায় ক্ষমা প্রার্থনা  প্রধানমন্ত্রীর
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে সাত দিনের জরুরি অবস্থা
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের তাপমাত্রা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। কর্তৃপক্ষ রাজ্যটিতে সাত দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। খবর জার্মানির গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের। এখানকার তাপমাত্রা ইতোমধ্যে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দাবানল। সিডনির কাছে চলে এসেছে দাবানল। প্রবল হাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের মুখ্যমন্ত্রী গ্লাডিস বেরেজিকলিয়ান বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলো। এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কমিশনার শেন ফিটজসিমনস বলেন, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় সব সময়ের জন্য ১০০ কর্মীর পাঁচটি টিম নিয়োজিত আছে। সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। কয়েক মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ার ৩০ হাজার কিলোমিটার এলাকা আগুনে ঘেরা ছিল। এখনও আগুনের সঙ্গে লড়ছেন দুই হাজার মানুষ। এই আগুন নেভাতে অস্ট্রেলিয়াকে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। কে/সি
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে সাত দিনের জরুরি অবস্থা
নিউজিল্যান্ডে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত ১
নিউজিল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, দেশটির হোয়াইট আইল্যান্ড আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে একজন নিহত এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের কিছুক্ষণ আগে ধারণ করা এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পর্যটকরা ওই আগ্নেয়গিরির গর্তে প্রবেশ করছে। পুলিশ বলছে, এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে তারা। হোয়াইট আইল্যান্ড আগ্নেয়গিরিটি হোয়াকারি নামেও পরিচিত। এই আগ্নেয়গিরিটি নিউজিল্যান্ডের উত্তর আইল্যান্ডের উপকূল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এবং এটি দেশটির সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এরপরও এটি পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয় এবং পর্যটক দিনব্যাপী ভ্রমণ ও আকাশপথে সৌন্দর্য উপভোগ করেন। সকালে ওই আগ্নেয়গিরি থেকে ঘুরে ফেরার পথে সেটির বিস্ফোরণের ভিডিও ধারণ করেন মাইকেল স্ক্যাড নামের একজন দর্শনার্থী। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভারী কালো ধোঁয়া ও ছাই বের হচ্ছে। এসময় একদল পর্যটকদের উদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। স্ক্যাড বিবিসিকে বলেন, তিনি ওই আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতের ৩০ মিনিট আগেই সেটি থেকে বের হয়ে আসেন। এটা এখনও নিরাপদ পর্যায়ে আছে কিন্তু আগ্নেয়গিরিতে পর্যটকদের গ্রুপের আকার সীমিত করা হচ্ছে। অগ্ন্যুৎপাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে স্ক্যাড বলেন, আমরা মাত্রই নৌকায় উঠেছি...এমন সময় একজন অগ্ন্যুৎপাতটি দেখায় এবং আমরা সেটি দেখি। আমি অবাক হয়ে যাই। পরে আমরা নৌকা ঘুরিয়ে আগ্নেয়গিরিতে যাই এবং কিছু লোক সঙ্গে নিয়ে ফেরত আসি। এদিকে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, ওই দ্বীপে বা এর আশেপাশে এখনও ‘বেশ কিছু’ পর্যটক রয়েছে। তাদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড এবং বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। অন্যদিকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে ছাইয়ের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এ/পি
নিউজিল্যান্ডে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত ১
আরও পড়ুন
লিভারপুল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, নায়ক ফিরমিনো
সব ধরনের আন্তর্জাতিক খেলা থেকে নিষিদ্ধ রাশিয়া
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশের সূচি
অকল্যান্ডের স্কাইসিটি কনভেনশন সেন্টারে ভয়াবহ আগুন