ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

খ্রিস্টধর্ম প্রচারে সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ক্যাথলিক পরিবারে জন্ম, বোন সন্ন্যাসিনী, পরিবারের অন্য সদস্যরাও যুক্ত গির্জার সঙ্গে। শৈশব থেকেই খ্রিস্টীয় ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা সেই নারী একসময় খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে যান সৌদি আরবে। কিন্তু সেখানে মুসলমানদের ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.)-এর প্রতি শ্রদ্ধা, পবিত্র কুরআনের শিক্ষা এবং আজানের ধ্বনি তার চিন্তাজগতে পরিবর্তন আনে। দীর্ঘ সাত বছরের প্রশ্ন, অনুসন্ধান ও পারিবারিক বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ইসলাম গ্রহণ করেন সিস্টার ডেইজি।

সিস্টার ডেইজির ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও সত্য অনুসন্ধানের দীর্ঘ যাত্রার গল্প হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ধর্মপ্রাণ আইরিশ ক্যাথলিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন তিনি। তার বোন ছিলেন কারমেলাইট সন্ন্যাসিনী। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও গির্জার সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল।

শৈশব থেকেই গির্জা, প্রার্থনা ও খ্রিস্টীয় ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে বেড়ে ওঠেন ডেইজি। তবে খ্রিস্টধর্মের কিছু মৌলিক বিশ্বাস নিয়ে তার মনে প্রশ্ন ছিল। বিশেষ করে ত্রিত্ববাদ এবং যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তাকে ভাবিয়ে তুলত। ঈশ্বর সর্বশক্তিমান হলে তার মৃত্যুবরণের ধারণা কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে গির্জার সংশ্লিষ্টতা এবং মার্কিন দূতাবাসে চাকরির সুবাদে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পান ডেইজি। সেখানে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের পরিকল্পনা ছিল তার। তার ধারণা ছিল, আরবের মানুষ যিশু ও মরিয়ম সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না।

কিন্তু সৌদি আরবে গিয়ে তার সেই ধারণায় পরিবর্তন আসে। তিনি দেখতে পান, মুসলমানেরা ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.)-কে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পবিত্র কুরআনেও তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। বিষয়টি ডেইজির মনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করে এবং ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।

সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলের পাহাড়ি পরিবেশ ও আজানের ধ্বনিও তার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলমানদের ইবাদত, আল্লাহর প্রতি নিবেদন এবং ধর্মীয় জীবনযাপন তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।

যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার পরও সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা তাকে তাড়িত করত। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র ‘দ্য মেসেজ’-এর একটি অংশ দেখার পর ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ আরও বাড়ে। এরপর তিনি ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং নিজের দীর্ঘদিনের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে থাকেন।

তবে তার এই পরিবর্তন পরিবার সহজভাবে মেনে নেয়নি। বিশেষ করে সন্ন্যাসিনী বোনসহ পরিবারের সদস্যরা তার সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাকে বিভিন্ন যাজক, সন্ন্যাসী ও বিশপের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় সাত বছর ধরে তাকে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে বর্ণনায় বলা হয়েছে।

এ সময় এক সন্ন্যাসী তার দেওয়া ইংরেজি কুরআন রাগ করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ওই সন্ন্যাসী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুশয্যায় নিজের আচরণের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন এবং ডেইজির কাছে ক্ষমা চান বলে বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে।

দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে ডেইজির সঙ্গে ফাদার টম নামের এক যাজকেরও আলোচনা হয়। পরিবারের প্রত্যাশা ছিল, তার বক্তব্যে ডেইজি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন। তবে বর্ণনা অনুযায়ী, ফাদার টম তাকে নিজের বিবেক ও সত্য অনুসন্ধানের গুরুত্ব বোঝান। এতে নিজের বিশ্বাস নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সুযোগ পান ডেইজি।

একপর্যায়ে ছোট দুই পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফিলিস্তিনি মসজিদে যান তিনি। সেখানে এক ফিলিস্তিনি নারী তাকে নামাজের নিয়ম শেখান। এরপর জীবনে প্রথমবারের মতো মুসলমানদের মতো নামাজ আদায় করেন ডেইজি এবং আল্লাহর সামনে সিজদায় অবনত হন।

বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম সিজদার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। দীর্ঘদিনের প্রশ্ন, দ্বিধা ও অনুসন্ধানের পর এই অভিজ্ঞতাকে তিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে অনুভব করেন।

ডেইজির ইসলাম গ্রহণের পেছনে ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.) সম্পর্কে ইসলামের শিক্ষা বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। ঈসা (আ.) আল্লাহর সম্মানিত নবী ও রাসুল এবং মরিয়ম (আ.) পবিত্র ও মর্যাদাবান নারী। পবিত্র কুরআনে তাদের জীবন ও ঈসা (আ.)-এর অলৌকিক জন্মের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে।

বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে ডেইজির জীবনযাপনে পরিবর্তন দেখে তার মেয়েও ইসলাম গ্রহণ করেন।

সিস্টার ডেইজির এই কাহিনি ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিগত অনুসন্ধান ও পারিবারিক বাধার মধ্য দিয়ে একটি নতুন জীবনদর্শন গ্রহণের গল্প হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে তার ইসলাম গ্রহণের ঘটনা, জীবনের বিভিন্ন পর্যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সূত্র এখানে উল্লেখ নেই। তাই ঘটনাগুলোকে নিশ্চিত ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে উপস্থাপনের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজকের মৃত্যু
ইকুয়েডরে গির্জায় প্রার্থনার অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের সময় বড় একটি কাঠের ক্রুশ পড়ে এক যাজকের মৃত্যু হয়েছে।
লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজকের মৃত্যু
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমে আসায় তেলের বাজারে এ নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর পরপরই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে। এর আগে, রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছিল। গত শুক্রবার লেনদেন শেষে অপরিশোধিত তেলের দাম গত ১৯ মে’র পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তবে শুক্রবার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের মাধ্যমে রাশিয়াসংশ্লিষ্ট কয়েকটি নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পরিকল্পনা স্থগিত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্ধারিত সময়সীমার আগেই নেওয়া এ সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার রপ্তানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ এবং দেশটির জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য শাস্তিমূলক পদক্ষেপ কার্যকরের পরিকল্পনা থেকে সরে আসে মার্কিন প্রশাসন। রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের উদ্বেগ তৈরি করেছিল। বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা ছিল, নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে। এ আশঙ্কায় গত কয়েক দিনে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। কিন্তু ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ঘোষণায় সেই উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রশমিত হওয়ার প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন দেখা দিয়েছে। আরটিভি/এসকে
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
প্রতিদিন ৫ হাজার সিঁড়ি বেয়ে উঠে আজান দেন, নামাজ পড়ান সিবগাতুল্লাহ
পূর্ব তুরস্কের ভান শহরে এক যুবক প্রতিদিন দুর্গম ও খাড়া পথ পাড়ি দিয়ে ভান দুর্গের চূড়ায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদে যান। সেখানে তিনি নামাজের ইমামতি করেন এবং তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের স্বাগত জানান। সিবগাতুল্লাহ বিলমেজ গত পাঁচ মাস ধরে ঐতিহাসিক সুলেইমান খান মসজিদে ভারপ্রাপ্ত ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মসজিদে পৌঁছাতে তাকে আতাতুর্ক কালচারাল পার্ক থেকে প্রায় ৫ হাজার সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। মসজিদটি ভান দুর্গের পাথুরে চূড়ায় অবস্থিত। কষ্টকর এই যাত্রা সত্ত্বেও বিলমেজ নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি আজান দেন, জামাতে নামাজ পড়ান এবং পর্যটকদের মসজিদ ও এলাকার ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য জানান। মসজিদটি ঠিক কবে নির্মিত হয়েছিল, তা জানা যায়নি। তবে জানা যায়, ১৫৩৪ সালে উসমানীয় সুলতান সুলেইমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট এটি সংস্কার করেছিলেন। তিন বছর আগে মসজিদটি আবার সংস্কার করা হয় এবং নামাজের জন্য খুলে দেয়া হয়। বিলমেজ বলেন, বর্তমান দায়িত্ব নেয়ার আগে তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে তুরস্কের ধর্মবিষয়ক অধিদপ্তর এবং স্থানীয় মুফতি কার্যালয়গুলোর অধীনে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। প্রতিদিনের এই ওঠানামা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যদিও এটি ক্লান্তিকর, তবু সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, আমি কাজটি উপভোগ করি। কারণ, আমি স্বেচ্ছায় এটি করি।’ বিলমেজ বলেন, তিনি জোহরের নামাজের আগে মসজিদে পৌঁছান এবং এশার নামাজের পর নিচে নেমে আসেন। মসজিদটি জাদুঘর অধিদপ্তরের অধীন হওয়ায় এখানে ফজর ও এশার নামাজের নিয়মিত জামাত হয় না। দুর্গ দেখতে আসা দর্শনার্থীরাও মসজিদটি ঘুরে দেখেন। সেখানে বিলমেজ তাদের স্বাগত জানান এবং মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দর্শনার্থীরা শুধু দুর্গ দেখেই থেমে থাকেন না; তারা সুলেইমান খান মসজিদও পরিদর্শন করেন। এটি সুলতান সুলেইমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্টের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি স্থাপনা।’ বিলমেজ আরও জানান, এই দায়িত্ব পালনের ফলে তার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বেড়েছে। এতে বিদেশি দর্শনার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং মসজিদ, উরার্তীয় দুর্গ ও পুরোনো ভান শহরের ইতিহাস ব্যাখ্যা করা তার জন্য সহজ হয়েছে। তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গে ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বও আয়োজন করেন। তার মতে, এ ধরনের আলোচনা উভয় পক্ষের জন্যই উপকারী। নিজের কাজের বিষয়ে বলতে গিয়ে বিলমেজ জানান, দুর্গের চূড়ায় পৌঁছে চারপাশের দৃশ্য উপভোগ করলে কঠিন যাত্রার কষ্ট সার্থক মনে হয়। তিনি বলেন, ‘ক্লান্তিকর যাত্রার পর যখন আমি চূড়ায় পৌঁছাই এবং চারপাশের দৃশ্য দেখি, তখন এমন সুন্দর ও মূল্যবান দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’ তিনি আরও বলেন, মানুষের দোয়া পাওয়া, এমনকি তাদের মুখে ‘সৃষ্টিকর্তা আপনার ওপর সন্তুষ্ট হোন’ কথাটি শোনাও আমার জন্য সম্মানের। সূত্র: ডেইলি সাবাহ আরটিভি/এসআর
প্রতিদিন ৫ হাজার সিঁড়ি বেয়ে উঠে আজান দেন, নামাজ পড়ান সিবগাতুল্লাহ
জাহাজ ডুবে হরমুজ প্রণালিতে ভাসছে আইফোন-সুগন্ধি, কুড়াতে সাগরে শত শত মানুষ
হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর সাগরে ছড়িয়ে পড়েছে শত শত আইফোন, ফরাসি সুগন্ধি ও বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এসব পণ্য সংগ্রহ করতে ছোট নৌকা ও উদ্ধারকারী জলযান নিয়ে সাগরে নেমেছেন শত শত মানুষ।
জাহাজ ডুবে হরমুজ প্রণালিতে ভাসছে আইফোন-সুগন্ধি, কুড়াতে সাগরে শত শত মানুষ
হুতিদের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান, সমর্থন সৌদি আরবের
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের অস্ত্র সংগ্রহ ঠেকাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
হুতিদের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান, সমর্থন সৌদি আরবের
আরও পড়ুন
‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ 
সৌদিতে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু
ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, ক্ষতিগ্রস্ত ১৮৩৬২ যাত্রী
সৌদির সড়কে প্রাণ গেল প্রবাসী বাংলাদেশির, দেশে অসহায় পরিবার