ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিস্তব্ধ প্রকৃতির একাকী সন্তান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৩:১২ পিএম

স্কুল শেষে বাড়ি ফিরছে তিন বন্ধু। হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে উঠল। বৃষ্টি নামল ধুম, বাতাসও ছিল ভীষণ। করিমের ব্যাগে ছাতা ছিল। ছাতা খুলবে কি খুলবে না? সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগল করিম, কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্যই। ছাতা খুলতে নিল করিম, কিন্তু আজাদ বাধা দিল। বলল, ‘পাগল তুই! এত সুন্দর বৃষ্টিতে ভিজবি না, তাই কি হয়?’

করিম ক্ষীণ স্বরে প্রতিবাদ করতে চাইলে আজাদ তার মাথায় দিল এক গাট্টা! অগত্যা বৃষ্টিতে ভিজেই ওরা রওনা হলো বাড়ির পথে। আর বৃষ্টিও বেড়ে গেল হঠাৎ। মেঠোপথ পিচ্ছিল হয়ে উঠল, সবুজ প্রকৃতি আরও সজীব হয়ে উঠল। দিগন্তবিস্তৃত মাঠ, ধানখেতের আইল, পথের ধারে ছোট্ট বনফুলের ঝোপ, তাতে না জানি কত ফুল ফুটে আছে।

বাতাসের চোখ রাঙানোতে কেঁপে কেঁপে উঠছে বাঁশঝাড়। মাটির সোঁদা গন্ধ আকুল করে দিচ্ছে তিন বন্ধুকে।

‘আরে, সবুজ কোথায়?’ বন্ধুকে হঠাৎ না দেখে চিন্তিত হলো আজাদ আর করিম। সবুজ কিছুতেই ভিজতে চাচ্ছিল না। কিন্তু এখন গেল কোথায়? হঠাৎ চোখ পড়ল মাঠের দিকে। সবুজ না? হ্যাঁ, ও-ই তো। শুয়ে আছে। ঘাসের সবুজ আর মাটির সবুজ যেন একাকার হয়ে আছে। নিস্তব্ধ প্রকৃতির একাকী সন্তান; নিশ্চুপ, স্থবির।

করিমের মনে পড়ে, এমনই এক বাদলা দিনে সবুজের মা চলে গিয়েছেন না ফেরার দেশে। ওকে ঘাঁটায় না ওরা। গিয়ে বসে পড়ে তার পাশে। অভিমানী আকাশকন্যার কান্নায় সিক্ত হয়ে তারা মিশে যায় প্রকৃতির সঙ্গে, আর সঙ্গী হয় দূরের গাছে বসা দুটো ভেজা দাঁড়কাক।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীতে নিন শিশুর বাড়তি যত্ন
চলে এলো শীতের মৌসুম। কিন্তু বাইরে কখনো ঠাণ্ডা, কখনো গরম। প্রকৃতির এই পালাবদলের একটি বিরাট প্রভাব পড়ছে আমাদের শরীরের ওপর। ঠাণ্ডা গরমের এই মিশ্রণে বড়রা মানিয়ে নিতে পারলেও বেশি সমস্যা দেখা দেয় শিশুদের। খুব অল্পতেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে তারা।         শীতের মৌসুমে বেশিরভাগ মায়েরা দ্বিধায় পরেন শিশুদের গোসল করানো এবং তাদের ত্বকের যত্ন নিয়ে। শীতে শিশুদের গোসল করালে ঠাণ্ডা লেগে যাবে এমন ভুল ধারণা আছে অনেকেরই। শীতকালে আমাদের মতো শিশুদের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই নিয়মিত গোসল না করালে শিশুদের ত্বকে যেমন সমস্যা হতে পারে, তেমনই প্রতিদিনের ঘাম, ময়লা জমে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। তাই শিশুকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন প্রতিদিন গোসল করানো। তাই জেনে নিন এই শীতে শিশুদের বাড়তি যত্ন নিবেন কীভাবে - গোসল করানোর পদ্ধতি:  চিকিৎসকদের মতে, ১ মাস (০ থেকে ৩০ দিন) বয়স পর্যন্ত শিশুদের সপ্তাহে ২ দিন গোসল করানো উচিৎ। ১ মাস পর থেকে নিয়মিত গোসল করানো যাবে। কিন্তু যে সকল শিশুরা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে জন্মায় তাদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া গোসল করানো উচিৎ না। প্রতিদিন একেই সময়ে শিশুদের গোসল করাবেন। শীতের সময় সকালে রোদ থাকা অবস্থায় তাদের গোসল সেরে ফেলবেন। আপনার শিশুকে কখনই ঠাণ্ডা বা অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল করাবেন না। ত্বকে সহনীয় এমন হালকা গরম  পানিতে শিশুকে গোসল করান। বাইরের বাতাস যাতে ঘরে না ঢুকে, তাই গোসলের সময় দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখুন। শিশুকে গ্লিসারিনযুক্ত সাবান দিয়ে গোসল করানো ভালো। হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে প্রথমে তাদের কান, নাক, বগল পরিষ্কার করে নিন। একদিন পর পর শ্যাম্পু করুন। শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুইয়ে মুছে নিন। এরপর তার শরীর ধুয়ে দিন। ত্বকের যত্ন: গোসল করানোর সময় শুকনা কাপড় এবং নরম তোয়ালে হাতের কাছে রাখুন। গোসল করানো শেষ হলে সাথে সাথে শিশুর শরীর মুছে ফেলুন। সারা শরীরে লোশন এবং মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ফেলুন। শিশুকে আরামদায়ক কাপড় পরিয়ে কান টুপি, হাত মুজা এবং পা মুজা পরিয়ে ফেলুন। উল্লেখ্য, আপনার শিশুকে ভেজা ডায়াপার বেশিক্ষণ পরিয়ে রাখবেন না। প্রতিবার ডায়াপার ভিজিয়ে ফেলার পর তা সাথে সাথে পাল্টে ফেলুন।   এন/পি
শীতে নিন শিশুর বাড়তি যত্ন
ঘরেই তৈরি করুন শিশুর জন্য সেরেলাক
সাত মাস পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি শিশুদের দেয়া হয় সেরেলাক, খিচুড়ি কিংবা সুজি। বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বাদের সেরেলাক। তবে সেগুলো বাচ্চাদের জন্য কতটুকু স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। তাই ১ বছরের বাচ্চার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ঘরেই সেরেলাক তৈরি করার পক্ষে আরিফা হোসেইন। পেশায় আইনজীবী এই মা আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য শেয়ার করেছেন তার এই ঘরোয়া রেসিপি।   উপকরণ: নাজিরশাইল চাল ২০০ গ্রাম, পোলাও চাল ১০০ গ্রাম, লাল বিন্নি চাল ১০০ গ্রাম, কালো বিন্নি চাল ৫০ গ্রাম, মুসুর ডাল ৫০ গ্রাম, মাস কালাই ডাল ৫০ গ্রাম, মুগ ডাল ৫০ গ্রাম, রাজমা ২ মুঠ, ছোলা (খোসা ছাড়া) ১০০গ্রাম, গম  ১০০ গ্রাম, ভুট্টা ১০০ গ্রাম, চিনা বাদাম ১০০ গ্রাম, কাঠ বাদাম ১০০ গ্রাম এবং সাগু দানা ১০০ গ্রাম।  প্রস্তুতি: সাগু দানা বাদে সব উপকরণ ভালোভাবে ঝেড়ে পরিষ্কার করতে হবে। পানি ঝরিয়ে সেগুলো রোদে শুকাতে হবে। উপকরণগুলো শুখিয়ে গেলে সব একসাথে চাল ভাঙানোর মেশিনে গুঁড়া করে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন। এভাবে ঘরের তৈরি সেরেলাক ফ্রিজে রেখে ২ থেকে ৩ মাস ব্যাবহার করা যাবে। প্রণালী: একটি পাত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ সেরেলাক দিন। পানি ফুটে উঠলে সেরেলাক নামিয়ে ফেলুন। বাচ্চার পছন্দ অনুযায়ী সবজি কিংবা ফল দিন। স্বাদের জন্য সেরেলাক পাতলা বা ঘন রাখতে পারেন। সেরেলাক স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চলে এলে বাচ্চাকে খাওয়াবেন।  বাচ্চার হজম অনুযায়ী উপকরণ বাড়ানো, কমানো কিংবা বাদ দেয়া যাবে। এন/ওয়াই
ঘরেই তৈরি করুন শিশুর জন্য সেরেলাক
বাঁচার তাগিদেই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে অনেক শিশু
১২ বছরের নীচে সব শিশুশ্রম  নিষিদ্ধ থাকলেও বেঁচে থাকার তাগিদে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে দেশের অনেক শিশু। রাজধানী ও তার আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন অমানবিক দৃশ্য চোখে পড়ে প্রতিনিয়ত। যে বয়সে বাবা-মায়ের স্নেহ-মমতা আর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে বই-খাতা হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সেই এসব শিশু হাতে তুলে নিয়েছে হাতুড়ি ও ইট। রাজধানীর পাশের নারায়ণগঞ্জের পাগলায় ইট-বালির ব্যবসার যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে শিশুদের কোমল হাত। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এসব শিশুর কচি হাত ব্যস্ত থাকে ইট ভাঙ্গার মতো কঠোর পরিশ্রমে। সমাজ ও রাষ্ট্রের উদাসীনতায় মানবাধিকার বঞ্চিত এমন অনেক শিশু জীবন বাঁচানোর তাগিদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা ধরনের কঠোর পরিশ্রমের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত ‘জাতীয় শিশু শ্রম জরিপ-২০১৩ এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু কোনো না কোনো শ্রমে নিয়োজিত। এদের মধ্যে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশুই বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়িত রয়েছে। শুধু তা-ই নয় ২ লাখ ৬০ হাজার শিশু অপেক্ষাকৃত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে। অবশ্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার জানান, শিশুশ্রম বন্ধ করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া শিশুশ্রম নিরুৎসাহিত করতেও নানা রকম উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার জানান, শিশুদের অধিকার রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এসব উদ্যোগ বেশী কার্যকর হবে। এছাড়া শিশুশ্রম বন্ধ করে শিশুদের স্বাভাবিক জীবন দেয়ারও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।  আরকে/জেএইচ
বাঁচার তাগিদেই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে অনেক শিশু
বাবা মায়ের দেয়া নাম হারিয়ে গেছে টোকাই নামের আড়ালে
বেঁচে থাকার তাগিদে ময়লার স্তূপের মধ্যে জীবিকা বেছে নিয়েছে রাজধানীর অনেক শিশু। পেটের ক্ষুধা মেটাতে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে তারা।  ময়লার স্তূপে দম বন্ধ হয়ে আসা উৎকট দুর্গন্ধ, হাইড্রোলিক বুলডোজার ও ক্রেনের শব্দের সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবন সংগ্রামে ব্যস্ত এক ঝাঁক কচি হাত। ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লার ভাগাড়, মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ডে রোদের তির্যক তেজের মধ্যে দিনের বেশীরভাগ সময়ই হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে এসব শিশু। শৈশব-কৈশোর নিয়ে চিন্তার সুযোগ নেই এ শিশুদের। রাজধানীর মানুষের ফেলে দেয়া বর্জ্যের মধ্যে জীবিকার সন্ধানী এ শিশুদের বাবা মায়ের দেয়া নাম হারিয়ে গেছে ওয়েস্ট পিকার বা টোকাই নামের আড়ালে। সুবিধা বঞ্চিত এসব শিশু লোকলজ্জার কারণে আরটিভির ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও এসব  সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের বিকাশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এদিকে শিশু আইন বিশেষজ্ঞ ও জাতিসংঘের আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী জানান, মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এসব শিশুদের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকারি ও বেসরকারি দায়বদ্ধতার কথা।   আরকে/জেএইচ
বাবা মায়ের দেয়া নাম হারিয়ে গেছে টোকাই নামের আড়ালে
রোহিঙ্গা শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ নিয়ে শঙ্কায় ইউনিসেফ
জাতিসংঘের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু। ইউনিসেফের হিসাবে সহিংসতা থেকে বাঁচতে শরণার্থী হয়ে এদেশে এসেছে অন্তত দুই লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু। তবে একাই সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে কয়েক হাজার শিশু। আশ্রয় শিবিরে খাবার মিললেও এদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ কী হবে তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থাটি। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাবা-মায়ের সঙ্গে সাগর পাড়ি দিয়েছিল শিশু আব্দুল মাসুদ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পথে নৌকাডুবি কেড়ে নিয়েছে এই শিশুটির প্রাণ। ২৫ আগস্টের পর থেকে সীমান্ত এলাকায় এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটছে প্রায় নিয়মিত। ইউনিসেফের হিসাবে এরইমধ্যে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে এসেছে দুই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশু। এদের বড় অংশটিই স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি। তাদের দাবি, বাড়তে থাকা শরণার্থীর চাপ ও জল-কাদায় সয়লাব শিবিরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে শিশুরা। রয়েছে পাচারসহ শারীরিক নিপীড়ন, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমের শঙ্কা। ইউনিসেফ মুখপাত্র ক্রেসটোফে বুলিরাক বলেছেন, ‘শরণার্থী হয়ে আসা অনেক শিশুই একা পাড়ি দিয়েছে লম্বা পথ। তাদের মনে এখনও গেঁথে আছে সহিংসতার স্মৃতি। এসব বিষয় আমাদের গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু খাবার ও আশ্রয় দিলেই হবে না, এসব শিশুর মনোবিকাশ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ইউনিসেফের গড়া শিশুবান্ধব পরিবেশে এরইমধ্যে থাকছে ১৮ হাজারের বেশি শিশু। আগামীতে আরো বড় পরিসরে এ ধরনের আশ্রয়নের পরিকল্পনা করছে তারা। এতে হারানো শিশুদের স্বজনরা সহজে শনাক্ত করতে পারবেন বলেও জানাচ্ছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক এই সংস্থা। ইউনিসেফ এর শিশু সুরক্ষা বিভাগের প্রধান জ্যঁ লিবি জানান, খাবারের অভাবে এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে এসে স্বজন হারানোর বেদনায় কাতর মায়েরাও সেভাবে তাদের সন্তানের যত্ন নিতে পারছে না। শিশুকে ঠিকমতো বুকের দুধ খাওয়াতে না পারায় তাদের শারীরিক অবস্থা একেবারে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে। জ্বরে ভুগলেও কোলে নিয়ে বসে থাকা ছাড়া রোহিঙ্গা মায়েদের করার কিছুই নেই। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এবং বিভিন্ন সংস্থা স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকলেও রোহিঙ্গাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে তা একেবারেই কম। তিনি বলেন, তবে এরইমধ্যে ঢাকা থেকে ইউনিসেফের সহায়তায় জরুরি সামগ্রী কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্যাম্পগুলোয় বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার বলেও জানান তিনি।   সি/
রোহিঙ্গা শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ নিয়ে শঙ্কায় ইউনিসেফ