ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সংসদে বিল পাস

বঙ্গবন্ধুর পরিবারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেবে এসএসএফ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২১, ০৭:২৬ পিএম
ফাইল ছবি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে সংসদে বিল পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের কাছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠান এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়। বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর দুটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।

গত ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে তোলেন মন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯৮৬ সালের একটি অধ্যাদেশ দিয়ে বর্তমানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সামরিক আমলে প্রণীত ওই আইন বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে বিলটি পাস করা হলো।

বিলে জাতির পিতার পরিবারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা এবং তাদের সন্তানাদি ও ক্ষেত্রমতো ওই সন্তানাদির স্বামী বা স্ত্রী এবং তাদের সন্তানাদি।

আগের বিষয়গুলোকে আইনে রাখা হয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্য ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান।

সরকারি গেজেট দিয়ে ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার প্রধানরাও এই আইনের অধীনে নিরাপত্তা পাবেন।

বিলে বলা হয়েছে, এসএসএফের তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত থাকবে। তল্লাশি, আটক ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসহ থানার একজন ওসির যেসব ক্ষমতা আছে, এসএসএফের একজন কর্মকর্তার এই আইনের অধীনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সারাদেশে সেই ক্ষমতা থাকবে।

বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং জাতির পিতার পরিবারের সদস্যরা যেখানেই অবস্থান করুন না কেন এসএসএফ তাদের দৈহিক নিরাপত্তা দেবে। এসএসএফ কাজের প্রয়োজনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছেও সহায়তা চাইতে পারবে। যাদের কাছে সহায়তা চাওয়া হবে তাদের তা দিতে হবে বলেও বিলে বিধান রাখা হয়েছে।

জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন-২০০৯-এ যাই থাকুক না কেন, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

কেএফ/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে এবার শরিয়তপুরে মামলা করা হয়েছে। গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন, শরীয়তপুর জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন। মামলার বাদী ডামুড্যা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাত হোসেন (৫২) জানান, গতকাল দুপুর একটার দিকে আমরা শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছি। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপি এবং তারেক রহমানের পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। মানহানিকর এই বক্তব্যের কারণে মামলাটি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের সময় সাথে ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বক্তব্যের সিডি আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এই আদালত আগামী কার্যদিবসে শুনানী শেষে আদেশ দিবেন এমনটা প্রত্যাশা করছি।  মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেধাবী কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ পরিবারের বিরুদ্ধে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুরাদ হাসান। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে শরীয়তপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট কামরুল হাসান জানান, মামলার বাদী এডভোকেট শাহাদাত হোসেন এর সাথে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় ওকালত নামায় সাক্ষর করেছেন শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম কাশেমসহ ফোরামের বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ। আদালত পরবর্তী কার্যদিবসে শুনানির মাধ্যমে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন। এমএন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হয়। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেন।শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বিকেল ৪টায় শুরু হয় প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমন্ডি ল’ কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এমএন/টিআই
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ বিকেলে শপথ নেবেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমণ্ডি ল কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আরএ/
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ সুপ্রিম কোর্টের ৩৩ আইনজীবীকে জ্যেষ্ঠ (সিনিয়র) আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত স্মারক থেকে এ তথ্য জানা যায়। সিনিয়র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত তালিকায় রয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ ছাড়াও তালিকায় আছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান, দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. আবদুস সালাম (মামুন), তাবারক হোসাইন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট সামরেন্দ্র নাথ গোস্বামী, অ্যাডভোকেট নিহাদ কবির, অ্যাডভোকেট মো. জাহেদুল বারি, অ্যাডভোকেট সারওয়ার আহমেদ, কে.এম. তানজিব উল আলম, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট শেখ আওশাফুর রহমান বুলু, অ্যাডভোকেট ড. আবুল কাশেম মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট এস.এম. শাহজাহান। সিনিয়র তালিকাভুক্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন বাবুল, অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাসুদ রেজা সোবহান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট খায়ের ইজাজ মাসউদ, অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা, অ্যাডভোকেট মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নাহিদ মাহতাব, অ্যাডভোকেট সৈয়দ হায়দার আলী, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ (এসকে) মো. মোর্শেদ, অ্যাডভোকেট মো. সালাউদ্দিন (দোলন), অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন (সাজু), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম বি এম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সৈয়দ আহমেদ (রেজা)। এফএ/টিআই
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠানটির সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ এ আদেশ দেন।  এদিন ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক সালমান রহমান। তবে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন সালাউদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল। জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন। এর আগে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের ওই শিক্ষার্থী।  জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  পরে ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। এনএইচ/টিআই
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
আরও পড়ুন
বঙ্গবন্ধুর পরিবারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেবে এসএসএফ
শোক দিবসে সিলেট ৪৮ বিজিবির খাদ্য বিতরণ
বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে ফেরত চেয়ে কানাডাকে অনুরোধ
টাইমস স্কয়ারে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে প্রদর্শনীর সহযোগী আনোয়ার গ্রুপ