ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি : আলালের বক্তব্য অনলাইন থেকে সরানোর নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩৬ এএম
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৯ পিএম
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বির্তকিত বক্তব্য অনলাইন থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় আলালের বিরুদ্ধে আগেই রাজধানীর শাহবাগ থানায় ২টি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এবার তার কটূক্তিমূলক বক্তব্য সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার আদেশ দেয়। বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আর আদালতে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন খন্দকার রেজা ই রাকিব।

ব্যারিস্টার সুমন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কটূক্তি করে যে বক্তব্য দিয়েছে এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে সরানোর জন্য আদালতে ম্যানশন করি। আমার কাছে মনে হয়েছে এই ভিডিওটিও একটি সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আদালত আমার বক্তব্যটি আমলে নিয়ে বিটিআরসিকে মুরাদ সাহেবের ভিডিওগুলোর সঙ্গে আলাল সাহেবের ভিডিও সরানোর নির্দেশনা দিয়েছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানো মুরাদ হাসানের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে আলালের বক্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

এতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের সমালোচনা করতে গিয়ে আলাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে অশালীন আক্রমণ করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় রীতির প্রতি ইঙ্গিত করেও আপত্তিকর বক্তব্য রাখেন।

মুরাদের উক্তির পর বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছিল, যা ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। এখন দলটি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আলালের মন্তব্যের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার রাতেই শাহবাগ থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ করেন ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হাসান শাহাদাত। থানা পুলিশ অভিযোগ দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে গ্রহণ করেছে।

অভিযোগপত্রে শাহাদাত উল্লেখ করেন, মোয়াজ্জেম হোসেনের এ বক্তব্য সরকার ও রাষ্ট্রের জন্য চরম হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানিকর বলে মনে করেন তিনি। সেজন্য তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কেএফ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে এবার শরিয়তপুরে মামলা করা হয়েছে। গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন, শরীয়তপুর জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন। মামলার বাদী ডামুড্যা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাত হোসেন (৫২) জানান, গতকাল দুপুর একটার দিকে আমরা শরীয়তপুর জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেছি। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপি এবং তারেক রহমানের পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। মানহানিকর এই বক্তব্যের কারণে মামলাটি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের সময় সাথে ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বক্তব্যের সিডি আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এই আদালত আগামী কার্যদিবসে শুনানী শেষে আদেশ দিবেন এমনটা প্রত্যাশা করছি।  মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তার মেধাবী কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ পরিবারের বিরুদ্ধে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুরাদ হাসান। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে শরীয়তপুরের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট কামরুল হাসান জানান, মামলার বাদী এডভোকেট শাহাদাত হোসেন এর সাথে ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩ (ক), ৫০৩ (ক) ও ৫০৯ ধারায় ওকালত নামায় সাক্ষর করেছেন শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম কাশেমসহ ফোরামের বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ। আদালত পরবর্তী কার্যদিবসে শুনানির মাধ্যমে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন। এমএন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হয়। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেন।শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বিকেল ৪টায় শুরু হয় প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমন্ডি ল’ কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এমএন/টিআই
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ বিকেলে শপথ নেবেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠান হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী কুষ্টিয়ার সন্তান। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। সাতক্ষীরা থেকে আইএসসি এবং বিএ পাস করেন। মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি ধানমণ্ডি ল কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি, ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি এবং ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আরএ/
বিকেলে শপথ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ সুপ্রিম কোর্টের ৩৩ আইনজীবীকে জ্যেষ্ঠ (সিনিয়র) আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত স্মারক থেকে এ তথ্য জানা যায়। সিনিয়র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত তালিকায় রয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ ছাড়াও তালিকায় আছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান, দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. আবদুস সালাম (মামুন), তাবারক হোসাইন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট সামরেন্দ্র নাথ গোস্বামী, অ্যাডভোকেট নিহাদ কবির, অ্যাডভোকেট মো. জাহেদুল বারি, অ্যাডভোকেট সারওয়ার আহমেদ, কে.এম. তানজিব উল আলম, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট শেখ আওশাফুর রহমান বুলু, অ্যাডভোকেট ড. আবুল কাশেম মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট এস.এম. শাহজাহান। সিনিয়র তালিকাভুক্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন বাবুল, অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাসুদ রেজা সোবহান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট খায়ের ইজাজ মাসউদ, অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা, অ্যাডভোকেট মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নাহিদ মাহতাব, অ্যাডভোকেট সৈয়দ হায়দার আলী, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ (এসকে) মো. মোর্শেদ, অ্যাডভোকেট মো. সালাউদ্দিন (দোলন), অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন (সাজু), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম বি এম আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সৈয়দ আহমেদ (রেজা)। এফএ/টিআই
রেলমন্ত্রী-মেয়রসহ সিনিয়র আইনজীবী হলেন যারা
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিষ্ঠানটির সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।  বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ এ আদেশ দেন।  এদিন ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক সালমান রহমান। তবে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন সালাউদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল। জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন। এর আগে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের ওই শিক্ষার্থী।  জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  পরে ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। এনএইচ/টিআই
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির সেই চিকিৎসক কারাগারে
আরও পড়ুন
ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী 
বোনকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই ড্যাপের গেজেট প্রকাশ
আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর শেখানো বক্তব্য দিচ্ছেন: রিজভী