ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১৩ পিএম
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমান। ফাইল ছবি

এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমান।

ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় আদালত অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ফজলুর রহমান। অর্থাৎ ক্ষমা প্রার্থনা করে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আগামী ৮ ডিসেম্বর শুনানির কথা রয়েছে। যা কিছু বলেছেন তা ভুলে বলেছেন বলে স্বীকার করেছেন ফজলুর রহমান। এজন্য আদালতের অনুকম্পা বা ক্ষমা পেতে চান।

এর আগে, এ অভিযোগের ব্যাখ্যা শুনতে ফজলুর রহমানকে আগামী ৮ ডিসেম্বর সশরীরে হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অন্য সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ওইদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার নিয়ে চ্যালেঞ্জ, আদালতের নিরপেক্ষতায় হস্তক্ষেপকারী ‘অভ্যন্তরীণ বন্দোবস্ত’ রয়েছে বলে দাবি ও প্রসিকিউশন প্রসঙ্গে অবমাননাকর মন্তব্য; এই তিনটি কারণে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে প্রসিকিউশন। এ নিয়ে ২৬ নভেম্বর প্রথম শুনানি হয়। ৩০ নভেম্বর অবশিষ্ট শুনানি শেষে ব্যাখ্যা জানতে বিএনপির এই নেতাকে তলব করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৩ নভেম্বর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ‘মুক্তবাক : রাজনীতির তর্ক-বিতর্ক’ টকশোতে অতিথি হয়ে যান ফজলুর রহমান। টকশোর একপর্যায়ে শেখ হাসিনার রায় প্রসঙ্গ আসতেই নানান কথা বলেন তিনি। ৪৯ মিনিটের টকশোটি পেনড্রাইভের মাধ্যমে এরইমধ্যে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালেও ফজলুর রহমানের বক্তব্যের কিছু অংশ বাজিয়ে শোনানো হয়।

ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই বলছি এই কোর্ট মানি না। তখন উপস্থাপক বলেন, তাহলে কি আমরা শুনতে পাইনি। মিডিয়া কি জানতে পারেনি।’ ফজলুর রহমান বলেন, ‘সবাই জানে। জানবে না কেন। আমার ইউটিউব শোনেন। আমি এই কোর্ট মানি না। এই কোর্টের বিচার মানি না। ইউটিউবে বলেছি, টকশোতে বলেছি। যদি না বলে থাকি এখন বললে আমার ভুল আমার মাফ চাইবো প্রতিদিন বলছি এই বিচার আমি মানি না। এই ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার হতে পারে না। এই কোর্টের গঠনপ্রক্রিয়া বলে এই কোর্টে বিচার হতে পারে না।’ প্রসিকিউশনের সবাই শিবির সমর্থিত বলেও টকশোতে দাবি করেন জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী।

ট্রাইব্যুনাল আইন না বুঝেই ফজলুর রহমান এসব মন্তব্য করেছেন বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। ফজলুর রহমানের আর কোনো পরিচয় আছে কিনা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। পরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী বলে জানানো হয়। জুলাই বিপ্লব নিয়ে মন্তব্য করায় বিএনপি আগেও তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছিল বলে জানান প্রসিকিউশন।

আদালতকে তামিম বলেন, ফজলুর রহমান দাবি করেছেন যে তিনি ট্রাইব্যুনালকে মানেন না। কারণ এটি ১৯৭১ সালের রাজাকারদের বিচার করার জন্য গঠিত হয়েছিল।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে। এ আইনের অধীনে ১৯৭৩ সালের আগে ও পরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা যায়। আর প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

সবশেষ ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে এসব অভিযোগ গুরুতর মন্তব্য করেন ট্রাইব্যুনাল। তাই চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন এ বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফজলুর রহমানের ব্যাখ্যা শুনতে আগামী ৮ ডিসেম্বর সশরীরে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাও।

জানা যায়, জোরপূর্বক গুম, খুন ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়ে না আসায় জেড আই খান পান্নাকে তলব করা হয় ট্রাইব্যুনালে। পরে ট্রাইব্যুনালে গিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান তিনি।

গত ২৩ নভেম্বর সকালে শেখ হাসিনার পক্ষে লড়তে চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। পরে এ বিষয়ে শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দেন পান্নাকে।

কিন্তু, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ঘোষণা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতি শেখ হাসিনার আস্থা নেই। যে আদালতের প্রতি বঙ্গবন্ধু কন্যার আস্থা নেই, সে আদালতে তো আমি তাকে ডিফেন্ড করতে পারি না; উচিত না, অনৈতিক।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ (আপিল ও হাইকোর্ট) আজ সাধারণ ছুটি পালন করবে। এর আগে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকার গতকালই নির্বাহী আদেশে আজ বুধবার দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। আরটিভি/আইএম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় এই শোক জানানো হয়। দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদের এই শোকবার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় বলা হয়, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করতে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন তারা। আরও পড়ুন যেভাবে আপোষহীন নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া প্রধান বিচারপতি তার বার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি পরম করুণাময় রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করেন যেন দেশের তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনে আসিন করা হয়। বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা পাঠানোর পর আইনি অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বেগম খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার প্রস্তুতির মধ্যেই রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা আসার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আগামীকাল সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
চব্বিশের জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক সাত আসামিকে আগামীকে ৮ জানুয়ারি হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দিয়েছে বলে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত তারিখে (৮ জানুয়ারি) পলাতক আসামিরা হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হবে। আরও পড়ুন মাকে নিয়ে তারেক রহমানের আবেগঘন পোস্ট এই মামলায় মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।  সেইসঙ্গে এই মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আরটিভি/আরএ
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
বিএনপি যেদিন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বগুড়ার একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল, সেদিনই আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থী হতে বাধা হয়ে এল হাইকোর্টের এক আদেশ। অবশেষে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা অতিক্রম করেছেন তিনি। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো রেজাউল হক মান্নার নাম সম্বলিত ঋণ খেলাপিদের তালিকায় (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) স্থগিত করছেন।  আদালতে মান্নার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।  ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল কাইয়ুম লিটন। তিনি জানান, তালিকা আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। ফলে মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা নেই।  এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। হাইকোর্টে মান্নার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।  ২৪ ডিসেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান জানান, ঋণের একটা অংশ পরিশোধ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন তিনি। সিআইবি থেকে ওনাদের নামটা যেন প্রত্যাহার করে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হননি। খারিজ করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম হচ্ছে দুই শতাংশ জমা দেওয়ার কথা। তিনি দুই শতাংশের বেশি পরিশোধ করেছেন। কিন্তু আদালত বলছেন, তালিকা থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম প্রত্যাহার করতে আদালত বাংলাদেশ ব্যাংককে কোনো নির্দেশনা দেবেন না। ঋণ গ্রহণকারী ইসলামী ব্যাংক এটি বাংলাদেশ ব্যাংককে (ঋণের তথ্য জানাবে) দেবে। আরও পড়ুন ৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১০ ডিসেম্বর নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে খেলাপি ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ে ‘কল ব্যাক নোটিশ’ জারি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা। মান্না ও তার দুই অংশীদারের ঠিকানায় পাঠানো এই নোটিশে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। শাখা প্রধান তৌহিদ রেজার স্বাক্ষরিত নোটিশটি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায় পাঠানো হয়।  তথ্য অনুযায়ী, আফাকু কোল্ড স্টোরেজের মালিকানায় মান্না ৫০ শতাংশ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ও পরিচালক ইসমত আরা লাইজু ২৫ শতাংশ অংশীদার। গত ৩ ডিসেম্বর পাঠানো নোটিশে বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কাছে খেলাপি বিনিয়োগ বাবদ মোট ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্যাংকের নোটিশে বলা হয়, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত মুনাফা, চার্জ ও জরিমানা পরিশোধ করেনি। ফলে বকেয়া বেড়ে বর্তমান পরিমাণে দাঁড়িয়েছে। লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও কোনোরকম অগ্রগতি না থাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা হিসেবে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।  ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ না করলে ব্যাংক আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। আরটিভি/এমএ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
সারাদেশে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ একটি স্মারক জারি করেছে। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল দশটায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ দেবেন। আরও পড়ুন শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এরপর বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।  আরটিভি/আরএ
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
আরও পড়ুন
বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন রুমিন ফারহানা
মাকে কবরে রেখে বিষণ্ন মনে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে
স্বামীর কবরের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া