ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদায়ী অভিভাষণে যা বললেন প্রধান বিচারপতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২৩ পিএম
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

বিচারকদের অনেক অভিমতই রাষ্ট্র ও ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণে অসামান্য ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

আগামী ২৭ ডিসেম্বর দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে অবসর গ্রহণের আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দেওয়া বিদায়ী অভিভাষণে তিনি একথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই সত্য অস্বীকার করা যায় না যে, বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্বে, বিচার বিভাগ অসাংবিধানিক ক্ষমতা, অপশাসন ও রাষ্ট্রীয় কপট-কৌশলের অঘোষিত সহযোগী হিসেবেও পরিগণিত হয়েছে। দুঃশাসনের বলয়কে আবরণ দিয়েছেন অনেক বিচারক। অন্যায় ও অবিচারে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন। রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিচারকদের এই নৈতিক বিচ্যুতি জনসাধারণকে শেষ পর্যন্ত জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করার অন্যতম অনুঘটক বলে আমি মনে করি।

অভিভাষণে উপস্থিত সারা দেশের বিচারকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, জ্ঞান অর্জন ও পাঠাভ্যাসকে যেন আপনারা জীবনের পরম দায় হিসেবে গ্রহণ করেন। অধ্যয়ন, গবেষণা ও বিচারচর্চার অভিজ্ঞতা - উন্নয়নে নিজেকে সর্বক্ষণ নিয়োজিত রাখুন। কেবল কর্মসম্পাদন নয়, বরং কর্মের উৎকর্ষ অন্বেষাই হোক আমাদের সকল প্রচেষ্টার প্রাথমিক ভিত্তি। প্রথাগত পড়াশোনার বাইরে এসে আমি আপনাদেরকে সমাজ, সংস্কৃতি, নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার জগতে জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে অনুরোধ করি। সেইসঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি বিজ্ঞানের বিভিন্ন বৈচিত্র্যপূর্ণ শাখা যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পরিবেশ-বিজ্ঞান, সাইবার নিরাপত্তা এসবেও নিজেদের বিচরণ বৃদ্ধি করুন। কেননা, একজন বিচারক হিসেবে আমরা কখনোই নিশ্চিত থাকতে পারি না, মানুষের জীবনের প্রাত্যহিক কোন ঘটনা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হবে এবং কখন সেটি আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবে? জীবনযাত্রার কোন স্তর থেকে, কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে, অভূতপূর্ব সব প্রশ্ন আদালতের দ্বারস্থ হবে এবং আমাদের বিচারবোধ ও বিচক্ষণতাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করবে? তাই সব রকমের জ্ঞান ও সমাজের প্রতিটি স্পন্দন যেমন আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও রায় লিখনে প্রভাব বিস্তার করে, তেমনি বিচারকদের অনেক অভিমতই রাষ্ট্র ও ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণেও অসামান্য ভূমিকা রাখে।

ঐতিহাসিক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, পৃথক সচিবালয় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে এদেশের আপামর জনসাধারণের সাংবিধানিক সকল অধিকার সুরক্ষিত করার প্রধান নিয়ন্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অসৎ ও অসাধু বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচারকদের দ্বারা সৃষ্ট যাবতীয় অন্যায়ের জন্য এখন থেকে অন্যের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ বন্ধ করতে হবে। জনগণের জন্য সংক্ষিপ্ত সময়ে সুবিচার নিশ্চিত করতে শতভাগ দায়িত্ব পালন করতে হবে। পছন্দসই পদায়নের জন্য রাজনৈতিক পদলেহন পরিহার করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, আইন বৃহত্তর রাজনীতির একটা অঙ্গ হলেও বিচারকদেরকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠার প্রয়াস রপ্ত করতে হয়। কেবল ক্ষমতাবান শাসক শ্রেণির পক্ষে প্রয়োজনীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব নিলে বিচার বিভাগের আলাদা কোনো অস্তিত্বেরই প্রয়োজন নেই। সে কাজের জন্য নির্বাহী বিভাগ ও পুলিশই যথেষ্ট। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভিত্তি যে আদর্শকে ধারণ করেই গড়ে উঠুক না কেন, বিচারকদেরকে সুনীতি ও সুবিবেচনা বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আজকের এই সমাপনী অভিভাষণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দেশের সকল জেলার জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আরএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ (আপিল ও হাইকোর্ট) আজ সাধারণ ছুটি পালন করবে। এর আগে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকার গতকালই নির্বাহী আদেশে আজ বুধবার দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। আরটিভি/আইএম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় এই শোক জানানো হয়। দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদের এই শোকবার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতি সম্মান জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় বলা হয়, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করতে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন তারা। আরও পড়ুন যেভাবে আপোষহীন নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া প্রধান বিচারপতি তার বার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি পরম করুণাময় রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করেন যেন দেশের তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনে আসিন করা হয়। বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা পাঠানোর পর আইনি অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বেগম খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার প্রস্তুতির মধ্যেই রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই শোকবার্তা আসার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আগামীকাল সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
চব্বিশের জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক সাত আসামিকে আগামীকে ৮ জানুয়ারি হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দিয়েছে বলে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্ধারিত তারিখে (৮ জানুয়ারি) পলাতক আসামিরা হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হবে। আরও পড়ুন মাকে নিয়ে তারেক রহমানের আবেগঘন পোস্ট এই মামলায় মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।  সেইসঙ্গে এই মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আরটিভি/আরএ
কাদেরসহ ৭ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
বিএনপি যেদিন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বগুড়ার একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল, সেদিনই আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থী হতে বাধা হয়ে এল হাইকোর্টের এক আদেশ। অবশেষে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা অতিক্রম করেছেন তিনি। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো রেজাউল হক মান্নার নাম সম্বলিত ঋণ খেলাপিদের তালিকায় (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) স্থগিত করছেন।  আদালতে মান্নার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।  ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল কাইয়ুম লিটন। তিনি জানান, তালিকা আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন। ফলে মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা নেই।  এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। হাইকোর্টে মান্নার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।  ২৪ ডিসেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান জানান, ঋণের একটা অংশ পরিশোধ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন তিনি। সিআইবি থেকে ওনাদের নামটা যেন প্রত্যাহার করে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হননি। খারিজ করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম হচ্ছে দুই শতাংশ জমা দেওয়ার কথা। তিনি দুই শতাংশের বেশি পরিশোধ করেছেন। কিন্তু আদালত বলছেন, তালিকা থেকে মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম প্রত্যাহার করতে আদালত বাংলাদেশ ব্যাংককে কোনো নির্দেশনা দেবেন না। ঋণ গ্রহণকারী ইসলামী ব্যাংক এটি বাংলাদেশ ব্যাংককে (ঋণের তথ্য জানাবে) দেবে। আরও পড়ুন ৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১০ ডিসেম্বর নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে খেলাপি ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ে ‘কল ব্যাক নোটিশ’ জারি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা। মান্না ও তার দুই অংশীদারের ঠিকানায় পাঠানো এই নোটিশে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। শাখা প্রধান তৌহিদ রেজার স্বাক্ষরিত নোটিশটি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায় পাঠানো হয়।  তথ্য অনুযায়ী, আফাকু কোল্ড স্টোরেজের মালিকানায় মান্না ৫০ শতাংশ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ও পরিচালক ইসমত আরা লাইজু ২৫ শতাংশ অংশীদার। গত ৩ ডিসেম্বর পাঠানো নোটিশে বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কাছে খেলাপি বিনিয়োগ বাবদ মোট ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্যাংকের নোটিশে বলা হয়, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত মুনাফা, চার্জ ও জরিমানা পরিশোধ করেনি। ফলে বকেয়া বেড়ে বর্তমান পরিমাণে দাঁড়িয়েছে। লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও কোনোরকম অগ্রগতি না থাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা হিসেবে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।  ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ না করলে ব্যাংক আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। আরটিভি/এমএ
বাধা কাটল, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
সারাদেশে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ একটি স্মারক জারি করেছে। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল দশটায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ দেবেন। আরও পড়ুন শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এরপর বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।  আরটিভি/আরএ
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
আরও পড়ুন
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি
৩০ ডিসেম্বর অভিভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি
শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর শপথ আজ