আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ , ০৩:০৮ পিএম


আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ
আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি বেশকয়েকটি সাক্ষাৎকারে শেয়ার মার্কেটের দুর্নীতির তদন্ত চেয়েছেন সাকিব আল হাসান। এর মধ্যেই আড়াইশো কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারির অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবে বিএসইসি থেকে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ ১৫ আসামির বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

পুঁজিবাজারে আলোচিত কারসাজির ঘটনায় সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দ করেন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা।

গত বছরের জুনে দায়ের করা দুদকের মামলায় বলা হয়, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুদ্ধ করে সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে সরাসরি ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

মামলায় বলা হয়, আলোচিত কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরুর মাধ্যমে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিলেন এই অলরাউন্ডার।
 
পরে তিনি মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে প্রলুব্ধ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও নথিপত্র সংগ্রহ করছে দুদক।

আরও পড়ুন

এদিকে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যে নিউজে আসে যে অনেক সমস্যা আছে, কিন্তু কেউ বিস্তারিত বলতে পারে না। কেউ বলল যে, ‘শেয়ার মার্কেটের কারসাজি আছে।’ তো সেটা কি? দুই বছর ধরে কেউ কিছু প্রমাণ করতে পেরেছে? রাজনৈতিক মামলা একটা আছে, হত্যা মামলা। সেটাও তো দেড় বছরে কিছু এগোয়নি! 

‘আর একটা চেক বাউন্সের মামলা আছে, সেটা একদম বেসিক জিনিস, যদি আপনি ইনস্টলমেন্ট না দিতে পারেন, সাইন করা যে চেকগুলো থাকে, ওটা নিয়ে ব্যাংক মামলা করে। সেটা খুবই নরম্যাল ব্যাপার এবং এটা রিশিডিউলও করা যায়, টাকা দিলে সেই মামলা বন্ধ হয়ে যায়। আমি যে সেটা করব, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রেখেছে ফ্রিজ করে।’

তিনি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন? হয়তো তাদের মনে হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা দরকার। এখন তো দেড় বছর হয়ে গেল সেই তদন্ত! কিছুই তো এখনও পর্যন্ত পায়নি! আমার বিশ্বাস, কিছুই পাওয়ার কোনো চান্স নাই। 

সাকিব জানিয়ে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করা উচিত। তার ভাষ্য, লোকের কথা শুনলে মনে হয় যে, আমার কয়েক হাজার সমস্যা এবং সমস্যা সমাধান করতে কয়েক দশক লেগে যাবে। আসলে ইচ্ছে থাকলে কতদিন লাগতে পারে? তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে অ্যাকশন নিন। তদন্তে কিছু না পেলে ক্লিয়ারেন্স দিন, রিলিজ দিন। আমার অ্যাকাউন্ট ওপেন হয়ে গেলে রিশিডিউল করে আমি কালকেই এটা জমা দিয়ে দিলে পরশুদিন ওরা মামলা তুলে নেবে!

আরটিভি/এসআর

 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission