
আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতা, সততা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করতে বিভাগীয় পর্যায়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় জানায়, জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কর্মরত ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের জন্য ‘স্ট্রেনদেনিং দ্য প্রিন্সিপালস অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস অব প্রসিকিউটোরিয়াল এথিক্স ফর দ্য অ্যাটর্নি জেনারেলস অফিস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) বাংলাদেশ অফিসের প্রধান শাহ মোহাম্মদ নাহীয়ান এবং ইউএনডিপির রুল অব ল, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভাইজার রোমানা শোয়াইগার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সারাদেশের আইনজীবীদের এ ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে বিভাগীয় পর্যায়ে নৈতিকতা বিষয়ক উচ্চতর প্রশিক্ষণ আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য হয়।
কর্মসূচিটির মূল লক্ষ্য হলো আইনজীবী ও আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত সততা ও স্বাধীনতা জোরদারের পাশাপাশি মানবিক মর্যাদা, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি তাদের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে ২০২৬ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগেও তা সম্প্রসারণ করা হবে।
প্রতিটি বিভাগভুক্ত জেলা বার ও চৌকি বারের আইনজীবীরা প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
আরটিভি/এমএ


