ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

এ মাসেই বাবরের যুক্তিতর্ক শেষ, তারপরেই রায়

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৮, ১১:০৬ এএম

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার দুই মামলার বিচার এখন শেষ পর্যায়ে। আর মাত্র একজন আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হলেই রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন আদালত। ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন। আজ তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সহ আহত হন অনেকে।

পরে ২০০৮ সালে সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ও হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ সহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় সিআইডি।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন :বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর সবাই মুক্ত
-------------------------------------------------------

কিন্তু ২০০৯ সালে আদালতের নির্দেশে মামলার অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। এতে নতুন করে অভিযুক্ত হন বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সাবেক তিন আইজিপি, গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের সাবেক শীর্ষ কর্তাসহ ৩০ জন।

আসামিদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু ও গোয়েন্দা সংস্থার দুই শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ২৩ জন কারাগারে আটক। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল আলম বিপুলের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি ৫২ জন। এর মধ্যে ১৮ জন পলাতক। এ মামলায় আদালতে ২২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এছাড়া মামলার এজাহারে অভিযুক্ত আসামিদের প্রত্যেককে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ আদালতে চলা মামলায় এখন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের যুক্তিতর্ক চলছে, এ মাসেই তার যুক্তিতর্ক শেষ হবে। এরপরই তা রায়ের জন্য রাখা হবে।


আরও পড়ুন :

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচ নেতার কারাদণ্ড
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মীকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রমমাণ আদালত।  শনিবার রাত ৯টার দিকে পৌরসভার থানা রোড এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।  আটককৃতরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলার থানা রোডের মৃত তলিজার রহমানের ছেলে জহুরুল আলম তরফদার রুকু(৬০), একই উপজেলা বিএনপির আরেক সাবেক সভাপতি ও দমদমা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম বক্সের ছেলে আব্দুর রব বুলু(৬৬), বিএনপি নেতা ও পারইল গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মজিবর রহমান(৬০), রতনপুর গ্রামের মৃত পান বক্স মণ্ডলের ছেলে আবুল কাশেম মণ্ডল(৫৮) এবং দমদমা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমান(৫২)। পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলার রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটারদের টাকা বিতরণ করছেন। গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঁচবিবি পৌরসভার থানা রোড মহল্লার বিএনপি নেতা জহুরুল আলম তরফদার রুকুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে নগদ ১৬ হাজার টাকাসহ বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আলম প্রত্যেককে ১ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বলেও জানান ওসি। আরএস/এসএস
ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচ নেতার কারাদণ্ড
জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়া কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার প্রার্থিতা কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তবে জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে ইসির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত বা জামায়াতের ২৫ প্রার্থীকে ভোটের অযোগ্য ঘোষণা করেননি আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি জে বিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আদালত। জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। জামায়াত নেতাদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, এ আদেশে জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে কোন বাধা নেই। আদালত নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত না করায় কিংবা জামায়াতের ২৫ প্রার্থীকে ভোটের অযোগ্য ঘোষণা করেননি। তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনও আইনি বাধা থাকছে না। শুনানিতে তানিয়া আমীর আদালতকে বলেন, জামায়াতের গঠনতন্ত্র গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সংবিধানের ৮-১১ এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গত ২৩ ডিসেম্বর জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ইসির হাতে নেই বলেই তাদের প্রার্থিতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে, জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিবসহ চার জন। তাদের আবেদন তিন দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ইসির হাতে নেই বলেই তাদের প্রার্থিতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতাকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এছাড়া, বাকি তিনজন জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। জেএইচ
জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়া কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
হাইকোর্টে বিএনপির তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। তার হলেন-নাটোর-৪ আসনের আব্দুল আজিজ, গাইবান্ধা-৪ আসনের ফারুক কবির এবং নরসিংদী-৩ আসনের মঞ্জুর এলাহী। পৃথক পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। উপজেলা চেয়ারম্যান পদ লাভজনক হওয়ায় এর আগে আপিল বিভাগ একাধিক নেতার প্রার্থিতা বাতিল করেন। যার ধারাবাহিকতায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের করা রিটের শুনানি শেষে বিএনপির আরও ৩ নেতার প্রার্থিতা বাতিল করেন হাইকোর্ট। অপরদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠানের (চিত্রনায়ক ফারুক) প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি, এই মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন থাকলো না। বুধবার হাইকোর্টর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। আরও পড়ুন :  নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না: মাহবুব তালুকদার বিকেলে ড. কামালের জরুরি সংবাদ সম্মেলন পি
হাইকোর্টে বিএনপির তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠানের (চিত্রনায়ক ফারুক) প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি, এই মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন থাকল না। বুধবার হাইকোর্টর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। ঋণখেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করেন একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের আইনজীবী সাজেদ শামীম। রিট আবেদনে ফারুকের মনোনয়ন স্থগিতের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানাতে রুল জারির নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিট আবেদন থেকে জানা গেছে, আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। রাজধানীর মতিঝিলের স্থানীয় শাখা থেকে তিন প্রতিষ্ঠানটির নামে ৫ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তার একক ঋণ হিসাবে সোনালী ব্যাংকের ৩৬ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়নি। হলফনামার ঘরে একক ঋণের বিষয়টি স্বীকার করলেও তিনি খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। এ সংক্রান্ত কলামে তিনি ‘প্রযোজ্য নয়’বলে এড়িয়ে গেছেন। আরও পড়ুন :  আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আছি: মির্জা ফখরুল বিকেলে ড. কামালের জরুরি সংবাদ সম্মেলন পি
চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ
জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট
জামায়াতে ইসলামী নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই বলে নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে বুধবার সকালে এ রিট আবেদন দাখিল করা হয়।  আগামীকাল শুনানির জন্য রিট আবেদনটি আসবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী তানিয়া আমির। এর আগে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ চারজন জামায়াত নেতাদের ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। আরও পড়ুন :  ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করেছে ইসি এসএস
জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট
আরও পড়ুন
আবারও পেছাল সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন
জামায়াত বিএনপির ওপর ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
এস কে সিনহার বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক: আইনমন্ত্রী
এস কে সিনহার বই পরাজিত ব্যক্তির হা-হুতাশ: আইনমন্ত্রী