ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মুন সিনেমা হলের মালিককে দিতে হবে ১শ কোটি টাকা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:১১ পিএম

পুরান ঢাকার মুন সিনেমা হলের মালিককে ৯৯ কোটি ২১ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। জমি ও তার ওপর গড়ে তোলা বর্তমান স্থাপনার মূল্য বাবদ এই টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর এজন্য সরকারকে সময় বেধে দেয়া হয়েছে দুই মাস।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে জানান, মুন সিনেমা হলের মালিক ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেডকে ওই অর্থ দিতে সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্মত হয়েছে। অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়ার জন্য তিন মাস সময় চাইলে আদালত ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেন।

শুনানিতে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক টুটুল। আর মুন সিনেমা হলের মালিকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি ও সাইফুল্লাহ মামুন।

এই অর্থ পরিশোধের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির চিঠি আদালতে উপস্থাপন করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, এ মামলা শুনতে শুনতে আমরা ক্লান্ত। আর কত দিন ঘুরাবেন। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে টাকা পেলেই তা ইটালিয়ান মার্বেলকে দিয়ে দেবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, মুন সিনেমা হলটি ছিল পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাটে, যার মূল মালিক ছিল ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ওই সম্পত্তি ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করা হয়। পরে শিল্প মন্ত্রণালয় ওই সম্পত্তি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ন্যস্ত করে। ইতালিয়ান মার্বেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুল আলম ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করলেও বিষয়টি আটকে যায়।

১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের একটি সামরিক ফরমানে ঘোষণা করা হয়, সরকার কোনো সম্পত্তিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে আদালতে তা চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। মুন সিনেমা হলের সম্পত্তিও এর আওতায় পড়ে যায়।

এরপর ২০০০ সালে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস। রিটে সংবিধানের ওই পঞ্চম সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করা হয়। ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট হাইকোর্টের এক ঐতিহাসিক রায়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাক, বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ সংবিধান বহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে মুন সিনেমা হল ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেডকে ফেরত দিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন।

এরপর দীর্ঘ দিনেও মালিকানা ফিরে না পেয়ে ২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি তখনকার ভূমিসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ দাখিল করে ইতালিয়ান মার্বেল কর্তৃপক্ষ।

ওই অভিযোগের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, ১৯৭২ সালে মুন সিনেমা হল মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২০০১ সালে প্রতীকী মূল্য ১ টাকা দরে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট তা ডেভেলপারদের কাছে হস্তান্তর করে। ডেভেলপাররা মূল সিনেমা হলটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ করে এবং নিজেদের অংশ বর্তমান দোকান মালিকদের কাছে বিক্রি করে দেয়।

এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে মত দেন, মুন সিনেমা হল আগের অবস্থায় ফেরত দেওয়ার কোনো উপায় না থাকায় জমির মূল্য ও মুন সিনেমা হলের মূল কাঠামোর মূল্য ধরে এর মালিককে দেওয়া যেতে পারে।

ওই শুনানির পর আপিল বিভাগ সিনেমা হলের জমি ও স্থাপনার মূল্য নির্ধারণের জন্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়। তিনি মুন সিনেমা হল ও এর জায়গার মূল্য ৯৯ কোটি ২১ লাখ টাকা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেন।

প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি মুন সিনেমা হলের মালিককে ওই অর্থ তিন কিস্তিতে পরিশোধের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু এত টাকা দিতে অপারগ উল্লেখ করে সরকারকে এ দায় শোধ করতে বলে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট। এরপর নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করায় গত ১ জুলাই দ্রুত অর্থ পরিশোধের জন্য মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিক নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত এক চিঠি মাননীয় অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে উপস্থাপন করেছেন। এতে জানানো হয়েছে, সংশোধিত বাজেট থেকে ওই অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচ নেতার কারাদণ্ড
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মীকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রমমাণ আদালত।  শনিবার রাত ৯টার দিকে পৌরসভার থানা রোড এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।  আটককৃতরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলার থানা রোডের মৃত তলিজার রহমানের ছেলে জহুরুল আলম তরফদার রুকু(৬০), একই উপজেলা বিএনপির আরেক সাবেক সভাপতি ও দমদমা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম বক্সের ছেলে আব্দুর রব বুলু(৬৬), বিএনপি নেতা ও পারইল গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মজিবর রহমান(৬০), রতনপুর গ্রামের মৃত পান বক্স মণ্ডলের ছেলে আবুল কাশেম মণ্ডল(৫৮) এবং দমদমা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমান(৫২)। পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলার রহমান আরটিভি অনলাইনকে জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটারদের টাকা বিতরণ করছেন। গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঁচবিবি পৌরসভার থানা রোড মহল্লার বিএনপি নেতা জহুরুল আলম তরফদার রুকুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে নগদ ১৬ হাজার টাকাসহ বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আলম প্রত্যেককে ১ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বলেও জানান ওসি। আরএস/এসএস
ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির পাঁচ নেতার কারাদণ্ড
জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়া কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার প্রার্থিতা কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তবে জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে ইসির ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত বা জামায়াতের ২৫ প্রার্থীকে ভোটের অযোগ্য ঘোষণা করেননি আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি জে বিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আদালত। জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। জামায়াত নেতাদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, এ আদেশে জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে কোন বাধা নেই। আদালত নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত না করায় কিংবা জামায়াতের ২৫ প্রার্থীকে ভোটের অযোগ্য ঘোষণা করেননি। তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনও আইনি বাধা থাকছে না। শুনানিতে তানিয়া আমীর আদালতকে বলেন, জামায়াতের গঠনতন্ত্র গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সংবিধানের ৮-১১ এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গত ২৩ ডিসেম্বর জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ইসির হাতে নেই বলেই তাদের প্রার্থিতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে, জামায়াতের ২৫ প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিবসহ চার জন। তাদের আবেদন তিন দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ইসির হাতে নেই বলেই তাদের প্রার্থিতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতাকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এছাড়া, বাকি তিনজন জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। জেএইচ
জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেয়া কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট
হাইকোর্টে বিএনপির তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। তার হলেন-নাটোর-৪ আসনের আব্দুল আজিজ, গাইবান্ধা-৪ আসনের ফারুক কবির এবং নরসিংদী-৩ আসনের মঞ্জুর এলাহী। পৃথক পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। উপজেলা চেয়ারম্যান পদ লাভজনক হওয়ায় এর আগে আপিল বিভাগ একাধিক নেতার প্রার্থিতা বাতিল করেন। যার ধারাবাহিকতায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের করা রিটের শুনানি শেষে বিএনপির আরও ৩ নেতার প্রার্থিতা বাতিল করেন হাইকোর্ট। অপরদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠানের (চিত্রনায়ক ফারুক) প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি, এই মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন থাকলো না। বুধবার হাইকোর্টর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। আরও পড়ুন :  নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না: মাহবুব তালুকদার বিকেলে ড. কামালের জরুরি সংবাদ সম্মেলন পি
হাইকোর্টে বিএনপির তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল
চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠানের (চিত্রনায়ক ফারুক) প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি, এই মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন থাকল না। বুধবার হাইকোর্টর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। ঋণখেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করেন একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের আইনজীবী সাজেদ শামীম। রিট আবেদনে ফারুকের মনোনয়ন স্থগিতের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানাতে রুল জারির নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিট আবেদন থেকে জানা গেছে, আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। রাজধানীর মতিঝিলের স্থানীয় শাখা থেকে তিন প্রতিষ্ঠানটির নামে ৫ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তার একক ঋণ হিসাবে সোনালী ব্যাংকের ৩৬ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়নি। হলফনামার ঘরে একক ঋণের বিষয়টি স্বীকার করলেও তিনি খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। এ সংক্রান্ত কলামে তিনি ‘প্রযোজ্য নয়’বলে এড়িয়ে গেছেন। আরও পড়ুন :  আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আছি: মির্জা ফখরুল বিকেলে ড. কামালের জরুরি সংবাদ সম্মেলন পি
চিত্রনায়ক ফারুকের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ
জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট
জামায়াতে ইসলামী নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই বলে নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে বুধবার সকালে এ রিট আবেদন দাখিল করা হয়।  আগামীকাল শুনানির জন্য রিট আবেদনটি আসবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী তানিয়া আমির। এর আগে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ চারজন জামায়াত নেতাদের ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। আরও পড়ুন :  ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করেছে ইসি এসএস
জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট
আরও পড়ুন
খালেদার রিটের শুনানি করতে তৃতীয় বেঞ্জ গঠন
জাতিসংঘ দূত হিসেবে নুয়ার্টের নাম প্রস্তাব করবেন ট্রাম্প
খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন না: অ্যাটর্নি জেনারেল
প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ইমান আলী