ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪৫ এএম
ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ১৪ নভেম্বর। ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর এই দিনে বিশ্ব জুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। প্রায় প্রতি ঘরেই ডায়াবেটিসের রোগী দেখা যায়। আমাদের দেশে প্রায় দেড় কোটি লোক, পৃথিবীতে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিস নিয়ে জীবন যাপন করছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ২০৩০ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে দাঁড়াবে। আরটিভি নিউজের পাঠকদের জন্য এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন।

ডায়াবেটিসের সঙ্গে ত্বকের সম্পর্ক

আমরা খাবারের মাধ্যমে যে সুগার নিই, এটি ব্লাডে চলে যায়। আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন থাকে, যা সুগারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে, নতুবা জমে থাকে। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের কোনো কারণে ইনসুলিন উৎপাদন কম হয়, রেজিসটেন্স হয়ে যায়। তখন এই কোষ এই সুগারকে কাজে লাগাতে পারে না। তখন অস্বাভাবিকভাবে জমতে থাকে। আর একটি একটি করে অঙ্গ সে ক্ষতি করতে থাকে। ত্বক আসলে এই ক্ষতির মধ্যে দুভাবে জড়িয়ে পড়ে। প্রথমত, আমাদের ত্বকে যে রক্তনালীগুলো থাকে, এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেভাবে ত্বক প্রভাবিত হয়। এরপরও আমাদের যে অঙ্গগুলো আছে, এগুলো যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন তকেও প্রভাব পরে ।

কী কী ধরনের সমস্যা ত্বকে আসতে পারে

অনেক সময় রোগী নিজেই বুঝতে পারে না যে তার ডায়াবেটিস হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যদি ডায়াবেটিস থাকে, সুগার বেড়ে গেলে তো ডায়াবেটিস হয়, রোগী আসে শুষ্ক ত্বক নিয়ে, তখন আমরা পরীক্ষা করে জানতে পারি যে তার ডায়াবেটিস আছে।

ডায়াবেটিস হলে প্রথমে যে সমস্যাটি দেখা দেয়, এটি হলো শুষ্ক ত্বক। রক্তে উচ্চমাত্রায় সুগার ত্বককে পানিশূন্য করে। কারণ, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, আমাদের কোলাজেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কোলাজেন যেহেতু কম তৈরি হচ্ছে, তাই হিলিং কম হয়, এতে শুষ্কতা বেশি দেখা দেয়। ঘন ঘন প্রস্রাব ও ঘাম হওয়ার ফলে শরীর শুষ্ক হয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর।

ত্বক শুষ্ক হলে তিন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রথমে শুষ্ক হচ্ছে, পরে প্রচণ্ড চুলকানি। রোগী অভিযোগ করতে থাকে, আমার চুলকাচ্ছে। আর অনেক সময় এই চুলকানি থেকে ক্র্যাক হয়ে সংক্রমণ হয়। রক্তে থাকা উচ্চ মাত্রার শর্করা ছত্রককে ত্বকে বসবাস করার মতো উপযুক্ত পরিবেশ দেয়। ফলে ত্বকে ছত্রাক ও অন্য রোগ জীবাণুরা বসবাসের সুযোগ পায়। ক্যান্ডিডা অ্যালবিকেন্স ব্যথাযুক্ত ছত্রাকের সংক্রমণ যা সাধারণত হয়ে থাকে ডায়াবেটিস রোগীদের। ডায়াবেটিসের কারণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে ত্বকে। আবার নখেও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে।আসলে শুষ্কতাকে যদি প্রতিরোধ করতে পারি, তাহলে পরবর্তীকালে যে সংক্রমণ, ক্র্যাক—এগুলো কিন্তু আর হচ্ছে না। তাই শুষ্কতা প্রতিরোধের জন্য প্রথমেই আমাকে যেটি করতে হবে, মাইল্ড সাবান দিয়ে খুব অল্প সময়ের জন্য গোসল করতে হবে। মানে অনেক লম্বা সময় ধরে যেন গোসল করতে হবে। সাবানটা অনেক মাইল্ড হতে হবে, যেন কড়া না হয়। ত্বকের যেন কোনো প্রতিক্রিয়া না করে। আর গোসলের পরপরই ভালো ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বককে ময়েশ্চার করতে হবে। আর যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ত্বক আরও শুষ্ক হয়। তখন আমি যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করব, এটি হতে হবে ত্বকের জন্য ভালো। ময়েশ্চারাইজারটি হাইপো-অ্যালার্জিক হতে হবে। কোনো রাসায়নিক পদার্থ বা প্রিজারভেটিভ থাকা যাবে না। ডাই মুক্ত ও গন্ধমুক্ত হতে হবে। পায়ের পাতার বিশেষ স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যক্তি পায়ের পাতায় কোন অনুভূতি পান না। প্রতিদিন পায়ের যত্নে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পা পরীক্ষা করিয়ে নিন। গলার ঘাড়ে, গলায়, বগলে কালো, খসখসে আবরণ হয়, যাকে অ্যাকানথোসিস নেগ্রিকানস বলে। আবার হাতের যেকোনো অংশে, কনুই এবং হাঁটুর ত্বও গাঢ় বাদামী হয়ে যায়। মুখের ভেতরের সবরকম যত্ন নেয়ার পরও যদি দেখেন নিঃশ্বাসের সঙ্গে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে, এটিও ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার একটি লক্ষণ।

ডায়াবেটিসে চুল পড়ে যে কারণে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা চুলের নানারকম সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসেন। চুল পড়া, চুলের আগা ফেটে যাওয়া, প্রাণহীন চুল। শারিরীক ও মানসিক স্ট্রেস, পুওর ব্লাড সার্কুলেশন, স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত, এগুলো প্রধান কারণ।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কী খাবেন

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শরীরের শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ওটস, কাঠবাদাম, মাছ, মটরশুঁটি, গাজর, আদা, চিরতা, রসুন ,লাউ শাক, কুমড়ো শাক, পাট শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, ওলকপি, টমেটো, কাঁচা পেঁপে, শসা, খিরা, উচ্ছে, করলা, ঝিঙা, ধুন্দল, চাল কুমড়া, ডাঁটা, লাউ, সজনে, মেথি, আমলকী, কমলা, আপেল, গ্রিন টি। সম্পৃক্ত ফ্যাট কম খাওয়া এবং অসম্পৃক্ত ফ্যাট খাওয়ার অভ্যাস করা। স্টেভিয়ার নির্যাসে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেড না থাকায় এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। ফলে ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে এটা দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারেন৷ নিয়মিত স্টেভিয়া সেবনে নিয়ন্ত্রণে থাকে ডায়াবেটিস৷চিনির বদলে যে কোন খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে স্টেভিয়া।

ব্যায়ামের বিকল্প নেই

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ব্যায়াম ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। ফলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ মিনিট হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। খেলাধুলা করুন, সাঁতার কাটুন, লিফট-এর বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার উপযুক্ত ব্যায়াম নির্বাচন করুন। কারণ সব ব্যায়াম সবার জন্য উপযুক্ত নয়। হঠাৎ খুব কঠিন ব্যায়াম শুরু না করে প্রথমে হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করতে হবে, ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে হবে।

কারো একবার ডায়াবেটিস দেখা দিলে তা আর ভাল হওয়া সম্ভব না, তবে যা সম্ভব তা হলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম, ডায়াবেটিস সম্পর্কিত শিক্ষা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখবে নীরব ঘাতক ডায়াবেটিস।

ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন: ডার্মাটোলজিস্ট, শিওরসেল মেডিকেল (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কফি পানে আয়ু বাড়ে, গবেষণা
শীতকাল সবার কাছেই পছন্দের ঋতু। কে না ভালোবাসে এই শীত? সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম গরম এক কাপ কফি না হলে হয়! কফিতে চুমুক দেয়া মানেই যেন অনুভূতি বদলে যাওয়া। আবার অফিসে ব্যস্ততার ফাঁকে এক কাপ কফি রিল্যাক্স করে দিতে পারে অতিরিক্ত কাজের চাপগুলো। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে আপনার কয় কাপ কফি খাওয়া উচিত? তবে এটা ঠিক যে, তিন কাপ কফি খেতে পারলে আপনার জন্য অনেক ভালো। গবেষণা বলছে, দিনে তিন কাপ কফি খেলে আয়ু বাড়ে মানুষের। ইউরোপীয় ১০টি দেশের প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের উপর এ সংক্রান্ত গবেষণা চালানোর পর এমন সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ভিত্তিতেই এমন দাবি করছেন গবেষকরা। অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন’র একটি গবেষণা জার্নালে বলা হয়েছে, মাত্র এক কাপ অতিরিক্ত কফি আয়ু বাড়াতে পারে মানুষের। এমনকি এই কফি যদি ডিক্যাফিনেটেড বা ক্যাফিনবিহীনও হয়ে থাকে তাহলেও হবে। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা বলেছেন, বেশি কফি পান মৃত্যু ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও হৃদরোগ এবং পাকস্থলীর রোগে মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকিও কমিয়ে থাকে। এদিকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার ডেভিড স্পিগেলহালটার বলছেন, গবেষণার দাবি যদি সঠিক হয় তাহলে অতিরিক্ত এক কাপ কফিতে একজন পুরুষের তিন মাস এবং একজন মহিলার এক মাস আয়ু বাড়তে পারে। তবে এ গবেষণার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। বলছেন, কফি মানুষের আয়ু বাড়াচ্ছে নাকি কফি পানকারী মানুষদের জীবন ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন বাঁচছেন তারা, এটা স্পষ্ট নয়। তবে আগের গবেষণায় মানবদেহের ওপর কফির প্রভাব নিয়ে পাল্টাপাল্টি ফল পাওয়া গিয়েছিল। কফিতে থাকা ক্যাফেইন মানুষকে সাময়িক সময়ের জন্য সজাগ রাখতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন মানুষের ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব বিভিন্ন রকম। এদিকে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বলছে, সন্তান সম্ভবা নারীদের দিনে ২০০ গ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করা মোটেও উচিত হবে না। অতিরিক্ত কফি পানের ফলে গর্ভে থাকা সন্তান খুব ছোট হতে পারে বলে মনে করছেন সংস্থাটি। সূত্র: জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এসআর/এমকে
কফি পানে আয়ু বাড়ে, গবেষণা
কেমন যাবে কন্যা রাশির ২০২১ সাল ?
কন্যা দ্বিস্বভাব মৃত্তিকা রাশি। অধিপতি গ্রহ বুধ। সর্বশুদ্ধতার প্রতিমূর্তি। জাতক-জাতিকা ধন অর্থ ও জাগতিক সম্পদের চেয়ে জ্ঞানান্বেষণে আগ্রহী। সর্বদা কিছু করে দেখাতে অভ্যস্ত। যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত সুন্দরভাবে মিশে যেতে সক্ষম। কার্যে সুনিপুণ, সুবুদ্ধি, রসিক,বন্ধুপ্রিয়,বিনয়ী, সঙ্গীতজ্ঞ,শিল্পজ্ঞ ও বালকের ন্যায় সরল তার মন। জাতক-জাতিকা সহজে বিচলিত হলেও তাদের ব্যক্তি সচেতনতা স্বতন্ত্র। সকল শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করে। বিভিন্ন রাশিতে গ্রহের অবস্থান ও গোচরের ফলে কেমন হতে পারে কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার সাল ২০২১। আসুন জানার চেষ্টা করি। শরীর স্বাস্থ্য: বছরটি কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার জন্য শুভাশুভ মিশ্র। জীবনে সফলতা আসবে। অনেক হারানো ও প্রাপ্তির বছর। শুভ বৃহস্পতি ও অশুভ রাহুর দৃষ্টির প্রভাবে নিজের মধ্যে বালক সুলভ আচরণ ও গুরু চণ্ডালী দোষের সংমিশ্রণ দেখা দেবে। অবশ্যই এ বছর আপনাকে খুব ভেবে চিন্তে প্রতিটি কাজে অগ্রসর হতে হবে। একবার ভুল করলে বারবার ভুল করতে থাকবেন। তাই নির্ভুল থাকার চেষ্টাই হবে ২০২১ সালে আপনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। টাকা পয়সা: ধনস্থানে শনি মঙ্গলের দৃষ্টির প্রভাবে ট্যাকনিক্যাল বিষয় থেকে এ বছর বহু অর্থ লাভের যোগ। আয় রোজগারে মাঝে মধ্যেই বাধা বিপত্তি দেখা দেবে। সঞ্চয়ের চেয়ে ঋণ যোগ এ বছর প্রবল। আত্মীয় কুটম্বর সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা সুখকর নয়। প্রয়শই গ্যাস্ট্রিকের পীড়া বা পেটের পীড়ায়, বুক জ্বালাপোড়ায় ভুগতে পারেন। যোগাযোগ: যোগাযোগের গৃহে তুঙ্গী কেতু ও শুক্রর অবস্থান নির্দেশ করে এ বছর রহস্যজনক যোগাযোগে আপনি সফল হবেন। বৈদেশিক কাজে সফলতা আসবে। তবে ছোট ভাই বোন বা প্রতিবেশীদের সাথে দেখা দেবে অকরণ ভুল বোঝাবুঝি ও গোপন শত্রুতা। অতীন্দ্রিয় বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। গণমাধ্যমে কাজের সুযোগ পেতে পারেন। গৃহ সুখ শান্তি ও যানবাহন: কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার গৃহ সুখ শান্তি স্বাভাবিক থাকবে। মায়ের শারীরিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো যাবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে পরিবার পরিজন ও বন্ধুদের সাহায্য লাভের যোগ। এ বছর গৃহ আবাসন সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হতে থাকবে। আত্মীয় বিরোধ মিটিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। প্রেম ভালোবাসা: প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রে বছরটি সফলতার। নিজের পছন্দের মানুষটিকে বিবাহ করার যোগ প্রবল। তবে সমাজ ও পরিবারের লোকজন বাধ দেবে। বিদ্যার্থীদের জন্য বছরটি নতুন করে বিদ্যা আরম্ভর সুযোগ দিলেও তা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা বিপত্তির আশঙ্কা প্রবল। সন্তান লাভের বছর। শিল্পী ও কলাকুশলীদের গণমাধ্যমে কাজের সুযোগ আসবে। রোগ ব্যাধি ও শত্রু: এ বছর আপনার শারীরিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো যাবে। কর্মস্থলে গোপন শত্রুদের দমন করতে সক্ষম হবেন। তবে বছরের শুরুতে অকারণে কিছু সহকর্মী আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করবে। অধীনস্থ কর্মচারীদের রহস্যজনক আচরণের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। গোপন কোনো তথ্য বা নথি হারিয়ে ফেলতে পারেন। জীবন সাথী: নিজ পছন্দের মানুষটিকে বিয়ে করার সুবর্ণ সময় পাবেন। হাজারো বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সাংসারিক জীবনে সুখ শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। অংশীদারি ব্যবসা বাণিজ্যে আশানুরূপ সফলতার যোগ। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে আত্মীয়দের সাহায্য লাভের বছর। অবিবাহিতদের বা ডিভোর্সীদের বিয়ের যোগ রয়েছে। ঋণ বা নিধন: মঙ্গলের অষ্টমে থাকার কারণে এ বছর ঋণ লাভের যোগ প্রবল। পুরোনো সম্পত্তি উদ্ধারে সফল হতে পারবেন। মৃত আত্মীয় স্বজনের সম্পত্তি লাভের সুযোগ আসবে। বছরের প্রথমে ঋণ করলেও মধ্যভাগের পর থেকে ঋণ পরিশোধে হবেন সফল। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ বা শেয়ার ব্যবসায় এ বছর অপ্রত্যাশিত লাভ ও লোকসান উভয়ই হতে পারে। ভাগ্য উন্নতি বা বিদেশ যাত্রা: ভাগ্যস্থানে তুঙ্গী রাহুর প্রভাব ও বৃহস্পতির দৃষ্টি এ বছর বিদেশ ভাগ্য বৃদ্ধি করবে। জীবন জীবিকা বা উচ্চ শিক্ষা যে জন্যই হোক বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে সফল হতে পারবেন। অন্যধর্মাবলম্বী কোনো হৃদয়বান ব্যক্তির সাহায্য পাবেন। শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজে শিক্ষকের সাহায্য আপনার ভাগ্যকে আমূল বদলে দেবে। কর্মজীবন: কর্মজীবনে ২০২১ সাল আপনার সাফল্য গাঁথা হয়ে রবে। সুনাম সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে উচ্চ পদ লাভের যোগ। কেউ আপনার প্রাপ্ত সম্মান কেড়ে নিতে পারবে না। প্রভাবশালী লোকের সহায়তায় এ বছর চাকরি প্রার্থীদের চাকরির যোগ রয়েছে। নির্বাচন বা যে কোনো প্রতিযোগীতায় সাফল্যের সাথে বিজয়ী হতে পারবেন। আয় রোজগার: এ বছর আপনার আয় রোজগারে আশানুরূপ অগ্রগতি হবে। শুভ বৃহস্পতির দৃষ্টির ফলে ব্যবসা বাণিজ্যে সাফল্য ও চাকরিতে বেতন বৃদ্ধির যোগ। বন্ধু বান্ধবের সাহায্য পাবেন। বড় ভাই বোনের সাথে চলতে থাকা সম্পর্কের জটিলতা কাটিয়ে উঠবেন। তবে মাঝে মধ্যে শনির প্রভাবে আয় রোজগারে কিছু বাধা দেখা দেবে। বিদেশ বাস বা ভ্রমণ: ভাগ্যস্থানে রাহুর কল্যাণে বিদেশ যাত্রার যোগ বলবান। একাধিকবার ভ্রমণ হবে। আইনগত জটিলতা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। বছরের শেষ দিকে প্রবাসী হওয়ার সম্ভাবনা। প্রবাসীদের বছরটি মিশ্র যাবে। বছরটি কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার জন্য অগ্রগতির। এ বছর ভাগ্য, আয় ও লগ্নে বৃহস্পতির দৃষ্টির ফলে আপনার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বছরের মাঝামাঝি আপনার সাফল্য আসবে তবে বুধের বক্রী কাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা বিপত্তির। এ সময়ে ব্যবসা বাণিজ্যে দেখ দেবে জটিলতা ও অর্থকষ্ট। প্রতিকারে পান্না আর নীল চন্দ্রকান্তমণি ধারণ করতে পারেন। নতুন বছরে সকলের সাফল্য কামনায় আপনাদের জ্যোতিষ। প্রয়োজনে- ০১৭১৬-৬০৮০৮২। এম
কেমন যাবে কন্যা রাশির ২০২১ সাল ?
কেমন যাবে সিংহ রাশির ২০২১ সাল?
সিংহ স্থির অগ্নি রাশি। অধিপতি গ্রহ রবি। চলাচলে রাজকীয় আভিজাত্যবোধে নবাবী মনোভাব, দানে মহারাজা ও উদারতায় হরিসচন্দ্র, অজেয় যোদ্ধার মতো অদম্য মানসিকতার, তেজস্বী, প্রতাপী ও সাহসী সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার জন্য ২০২১ সাল সংগ্রামে সাফল্যের, নেতৃত্বে উচ্চ পদলাভের, কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির, ও প্রতিযোগিতায় অপ্রতিদ্বন্দ্বীর। হাজারো লাখো বাধা বিপত্তিকে নিজের দীপ্ত পদক্ষেপে দলিত মথিত করে সামনে এগিয়ে যাবেন। ব্যবসা বাণিজ্যে বা কর্মস্থলে সকলের সামনে উদাহরণ হয়ে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। বিভিন্ন রাশিতে গ্রহের গোচরের ফলে কেমন হতে পারে সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার সাল ২০২১। আসুন জানার চেষ্টা করি। শরীর স্বাস্থ্য: মাঝারি গড়নের সিংহ রাশির জাতক-জাতিকা সর্বদা মনের জোরে লড়াই করেন। ছোটখাটো দৈহিক গড়নের মধ্যে লুকিয়ে থাকে ভিসুভিয়াসের সকল শক্তি। শারীরিক ও মানসিকভাবে বছরটি ভালো যাবে। উচ্চ রক্তচাপ থেকে হতে হবে সতর্ক। ছোট খাটো দুর্ঘটনা আঘাতের ভয় থাকলেও তা সামান্য। ২০২১ সালে সকল সাফল্যই যুদ্ধ করে অর্জন করতে হবে। টাকা পয়সা: বেজোড় বছরগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার জন্য আর্থিকভাবে সাফল্য লাভের। এ বছরও তার ব্যাত্যয় হবে না। সারাবছরই ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে বহু টাকা উপার্জনের সুযোগ আসবে। ব্যবসা বা মধ্যস্থতার কাজের মাধ্যমে অর্থ রোজগার হবে। সিংহ রাশির জাতক-জাতিকারা প্রচুর রোজগার ও প্রচুর খরচ করতে অভ্যস্ত, ফলে সঞ্চয় হবে কম। যোগাযোগ: সকলের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার এক অভাবনীয় গুণের অধিকারী সিংহের জাতক-জাতিকার জন্য ২০২১ সাল যোগাযোগে সাফল্য লাভের। গণমাধ্যমে কাজের পাশাপাশি আপনার নিজস্ব লেখালেখির সুযোগ আসবে। বৈদেশিক ব্যবসা বাণিজ্যে অপ্রত্যাশিত অগ্রগতির সময়। বস্ত্র ব্যবসায়ীরা রপ্তানির সুযোগ পাবেন। গৃহ সুখ শান্তি ও যানবাহন: সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার গৃহ সুখ শান্তির জন্য ২০২১ মোটেও ভালো নয়। আপন আত্মীয়স্বজন ও পরিবার পরিজনের দ্বারা শত্রুতা ও ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা প্রবল। আত্মীয়দের দ্বারা স্থাবর সম্পত্তির হানি ও প্রতারণার শিকার হবেন। মা এর রহস্যপূর্ণ আচরণে পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হতে হবে। যানবাহন সারা বছরই ভোগাবে। প্রেম ভালোবাসা: প্রেম ভালোবাসার জন্য এ বছর নয়। এ বছর নিজের মধ্যকার প্রতিভা ও মেধা বিকাশের। প্রেমের ক্ষেত্রে আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও শ্রেষ্ঠকে পাওয়ার চিন্তাভাবনার কারণে একাধিক প্রেমের আগমন ও গমন হবে। সকলের সঙ্গেই সুন্দর সম্পর্ক রাখতে পারেন। অভিনয় ও কন্ঠ শিল্পী বা নৃত্য শিল্পীদের পুরস্কার লাভের বছর। সন্তানের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলুন। রোগ ব্যাধি ও শত্রু: বছরটি প্রবল প্রতিযোগিতার। কর্মস্থলে সহকর্মী ও ব্যবসায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংগ্রাম করেই সাফল্য পেতে হবে। কোনো কিছুই সহজ সাধ্য নয়। বাতের ব্যাথা বা হাঁটু পায়ের পীড়া দেখা দেবে। পুরোনো কোনো রোগের উপশম হতে পারে। সব সময় হৃদরোগ বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে। জীবন সাথী: ২০২১ সালের মধ্যভাগে অবিবাহিতদের বিয়ের জোরালো সুযোগ আসবে। সাংসারিক জীবনে ভুল বোঝাবুঝির কারণে অশান্তির অনল জ্বলতে পারে। অংশীদারি কাজ কর্মে আপনার উদারতার কারণে ঠকবার আশঙ্কা। তবে ব্যবসা বাণিজ্যে স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকছে। জীবন সাথীর রহস্যজনক ব্যাধি বা সংক্রামণের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ঋণ বা নিধন: বড় কোনো ধরনের ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে জীবনের কোনো স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে হতে সতর্ক হবে। তবে মাঝে মধ্যে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি লাভের সুযোগ রয়েছে। যেকোনো ধরনের মধ্যস্থতার কাজে আয় রোজগারের যোগ। পুরোনো সকল দেনা পাওনা মিটিয়ে দিতে পারবেন। ভাগ্য উন্নতি বা বিদেশ যাত্রা: ভাগ্যপতির ভাগ্যস্থানে বছরের শুরুতে অবস্থানে এ বছর ভাগ্য উন্নতির সম্ভাবনা অপার। ভাগ্য চক্রে নিজের মনের মতো গৃহ লাভ করতে পারেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে সফলতার যোগ। বিদেশ যাত্রা বা বিদেশে ভাগ্য উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন। সুবর্ণ সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে হবে ঝটপট। দেরি করলেই সুযোগ হবে হাতছাড়া। কর্মজীবন: কর্মজীবনে সফল হওয়ার বছর। বৈদেশিক কর্মে এ বছর আপনার অনেক অনেক সাফল্য আশা করা যায়। বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের আয় রোজগার বৃদ্ধি ও বহু বৈদেশিক ভ্রমণের সুযোগ আসবে। বিদেশি কারো সাহায্যে ভাগ্য ক্ষেত্রে উত্থানের সুযোগ পাবেন। বৈদেশিক যৌথ বিনিয়োগে সফল হওয়ার বছর। আয় রোজগার: আয়পতির আয়ের গৃহে দৃষ্টি আয় রোজগারকে বছরের মধ্যভাগে বৃদ্ধি করবে। বন্ধু বান্ধব ও বড় ভাই বোনের পূর্ণ সাহায্য পাওয়ার সময়। প্রশাসনিক লোকেদের দ্বারা উপকৃত হবেন। সরকারি চাকরিতে পদোন্নতির যোগ। রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ পূরণে সফল হবেন। বছরের শেষ দিকে ব্যবসায় বহু আয় হবে। বিদেশ বাস বা ভ্রমণ: এ বছর বৈদেশিক কাজে সফল হবেন। বহুবার দেশের ভিতরে ও বাহিরে ভ্রমণের সুযোগ আসবে। তবে আইনগত জটিলতা থেকে মুক্ত হওয়া কঠিন। বেদখল হয়ে যাওয়া সম্পদ সম্পত্তি উদ্ধারে আইনের সহায়তা নিলে ভালো করবেন। আবাসন যানবাহনে ব্যয় বৃদ্ধির বছর। সরকারি ট্যাক্স, ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ ব্যয়। বছরটি সিংহ রাশির জাতক-জাতিকার জন্য সংগ্রাম ও সংঘর্ষের। কর্মস্থলে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময় হবে বলবান। কিন্তু সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময় ভালো যাবে না। তাই সর্বদা মানসিক ভাবে চাঙা থাকতে রুবি ও ভুল বোঝাবুঝিসহ গোপন শত্রুতা দূর করতে ক্যাটস আই ধারণ করতে হবে। সকলের সাফল্য কামনায় আপনাদের জ্যোতিষ। প্রয়োজনে - ০১৭১৬-৬০৮০৮২ এম
কেমন যাবে সিংহ রাশির ২০২১ সাল?
কেমন যাবে কর্কট রাশির ২০২১ সাল?
কর্কট চর জল রাশি। অধিপতি গ্রহ চন্দ্র। ভাবাবেগ ও মায়া মমতার রাশি কর্কটের জাতক-জাতিকারা একটু লাজুক প্রকৃতির ও সাংসারিক। পরিবার পরিজনের প্রতি দায়িত্ব পরায়ন। সকলকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে আগ্রহী। ২০২১ সাল কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার জন্য খুবই উল্লেখ যোগ্য ও সাফল্যের বছর। হাজার বাধা বিপত্তি আসলেও জীবনে এ বছরটি হবে আপনার জন্য সকল দিক থেকে সফলতার। বিভিন্ন রাশিতে গ্রহের গোচরের ফলে কেমন হতে পারে কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার সাল ২০২১। আসুন জানার চেষ্টা করি। শরীর স্বাস্থ্য: কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার জন্য ২০২১ সাল উন্নতির বছর। এ বছর রাশিপতি বলবান ও রাশিতে বৃহস্পতির দৃষ্টি থাকাতে বিগত বছরগুলোর বাধা বিপত্তি কাটিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর বছর। মাঝে মধ্যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়বেন, আবার নিজের মনোবলেই ঘুরে দাঁড়াবেন প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করার জন্য। কোনো ভাবাবেগই এ বছর আপনার চলার গতিকে আটকাতে পারবেন না। টাকা পয়সা: আর্থিক দিক থেকে বছরটি ভালো যাবে। মাঝে মধ্যে নগদ টাকার সঙ্কট প্রকট হয়ে পড়বে। সঞ্চয় থেকেই এ বছর মাঝে মধ্যে জরুরি খরচ বহনের প্রয়োজন পড়তে পারে। আত্মীয় ও কুটম্বর সাহায্য পাবেন। বছরের মধ্য ভাগে সঞ্চয়ে অগ্রগতি হবে, আবার শেষ দিকেও সঞ্চয়ে সফলতা আসতে চলেছে। পেটের রোগে ভোগার আশঙ্কা থাকাতে খাদ্য গ্রহণে সতর্ক থাকতে হবে। যোগাযোগ: বছরটি বৈদেশিক যোগাযোগে সাফল্যের। আমদানি রপ্তানি ব্যবসায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভের সময়। গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের বৈদেশিক অর্ডার বৃদ্ধি পাবে। ছোট ভাই-বোনের জীবনে অগ্রগতি ও কর্ম লাভের যোগ প্রবল। তাদের বিদেশ যাত্রা ও বিদেশে বিবাহের যোগ। এ বছর অনেকেই ভার্চুয়াল জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন। গৃহ সুখ শান্তি ও যানবাহন: বছরটি পারিবারিক ও সাংসারিক জীবনে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধির। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে বছরের শুরুর দিকে চলতে থাকা মনোমালিন্য বছরের মধ্যভাগ থেকে দূর হতে থাকবে। ভূমি স্থাবর সম্পত্তি লাভের ক্ষেত্রে সফল হবেন। নিজস্ব যানবাহন লাভের সুবর্ণ সুযোগ পাবেন। কিছু কৃষিকর্ম করতে পারেন। গৃহে পোষা প্রাণীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। প্রেম ভালোবাসা: প্রেম ভালোবাসার জন্য বছরটি মোটেও সুখকর নয়। বারবার প্রেম ভালো বাসায় ভুল বোঝাবুঝির কারণে পুরোনো প্রেমের অবসান হতে চলেছে। অকারণ সন্দেহ সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি করবে। শিল্পী কলাকুশলীদের কাজের ক্ষেত্রে দেখা দেবে অনিশ্চয়তা আর জটিলতা। রহস্যজনক সম্পর্কের কারণে দাম্পত্য জীবনে অশান্তির আশঙ্কা। রোগ ব্যাধি ও শত্রু: কর্মস্থলে সহকর্মী ও পদস্থ কর্মকর্তার বিরোধিতা আপনাকে কিছু ভোগান্তি দিলেও সফলতা আপনার জীবনে আসবেই আসবে। উচ্চ রক্তচাপ, ঠাণ্ডা জনিত পীড়া ও বাতের পীড়ায় সামান্য ভোগান্তির সম্মুখীন হতে পারেন। অধীনস্থ কর্মচারীদের পণ্ডিতির কারণে ব্যবসা ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে জটিলতা তৈরি হবে। জীবন সাথী: অবিবাহিতদের বিয়ের বছর ২০২১। শত বাধা বিপত্তির মধ্যেও দাম্পত্য সম্পর্ক অটুট থাকবে। ব্যবসা বাণিজ্যে উন্নতির বছর। নতুন নতুন ব্যবসায়ীক যোগাযোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বছরের শেষ দিকে আশানুরূপ লাভ হবে। জীবন সাথীর মেজাজ কিছুটা খিটখিটে হয়ে পড়বে। অংশীদারি ব্যবসায় সফল হবেন। ঋণ বা নিধন: বছরটি ঋণ বা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ এর ক্ষেত্রে সফলতার। রহস্যজনক ভাবে ঋণ থেকে মুক্তি পাবেন। শেয়ার ব্যবসায় বড় কোনো ধরনের সংবাদ আপনাকে লাভবান করাবে। আইনগত জটিলতা থেকে মুক্ত হতে পারবেন। রহস্যজনক সংক্রামণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেও আবার আরোগ্য লাভ করবেন।  ভাগ্য উন্নতি বা বিদেশ যাত্রা: এ বছর ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকার কারণে সকল কাজেই বাধা বিপত্তির পর সফলতা আসন্ন। উচ্চ শিক্ষায় অগ্রগতি হবে। জীবন জীবিকার তাগিদে বিদেশ যাত্রা বা দূর দেশ যাত্রার যোগ প্রবল। কর্ম জীবন: এ বছর কর্মজীবনে সফলতা আসবেই। হাজারো শত্রুতা ও প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কাঙ্ক্ষিত পদ লাভে সক্ষম হবেন। বছরের শুরুর দিকে কর্মস্থলে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের কাজের জটিলতা। এ সময় সামাজিক সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন। শেষ দিকে সাফল্য লাভের যোগ বলবান। বেকারদের কর্ম লাভের চেষ্টায় সাফল্য আসবে। সরকারি চাকরির তদবিরে সফল হতে চলেছেন। আয় রোজগার: আয় রোজগারে এ বছর আশাতীত সাফল্য লাভ। বড় ভাই বোন ও বন্ধুদের সাহায্য পাবেন। ঠিকাদারি বা যৌথ বা একক বাণিজ্যে আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির চেষ্টায় অগ্রগতি। যে ক্ষেত্রেই হাত দেবেন তা থেকেই আয় রোজগার করতে পারবেন। বিদেশ বাস বা ভ্রমণ: প্রবাসের গৃহে রাহুর তুঙ্গী অবস্থান বিদেশ যাত্রা, বিদেশ ভ্রমণ ও প্রবাস বাসের জন্য অনুকূল। স্থায়ী প্রবাসী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে। বৈদেশিক বাণিজ্যে সাফল্য পাবেন। আইনগত জটিলতা থেকে মিলবে স্থায়ী মুক্তি। গ্রহ প্রতিকূলতা তেমন একটা নেই বললেই চলে, তবুও কিছু আর্থিক বাধা বিপত্তি দূর করতে শনির ও বুধের প্রতিকার ধারণ করতে পারেন। সকলের সাফল্য কামনায় আপনাদের জ্যোতিষ। প্রয়োজনে-  ০১৭১৬-৬০৮০৮২ এম
কেমন যাবে কর্কট রাশির ২০২১ সাল?
কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকবেই না, পাঁচটি নিয়ম মানুন
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট ও কোমরে ব্যথা হয়। ব্যথা হয় মলদ্বারেও। এছাড়াও চাপ পড়ে কোলনে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে সেখান থেকে কোলন ক্যানসারও হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট পরিষ্কার হয় না। ফলে গ্যাস হতেই থাকে। এছাড়াও খাওয়ার কোনও রুচি থাকে না। শীতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। যারা নিয়মিত ওষুধ খান তাঁদের শীতে এই সমস্যা একটু বেশি। শরীরে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি নাজেহাল করে।  ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকার করবেন কেমন করে জানুন পানি বর্তমানে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা একটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য পানি পানের অভ্যাস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঈষৎ উষ্ণ পানি খেলে হজমের সমস্যা দূর হয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশম মিলতে পারে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ঈষৎ উষ্ণ পানিতে পাতি লেবুর রস ও এক চা চামচ লেবু বা ঈষৎ উষ্ণ জলে অল্প হলুদ দিয়ে খেলেও এই সমস্যা দূর হতে পারে। ফাইবার যুক্ত খাবার খান ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখে, হজমে সাহায্য করে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করতে পারে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। এগুলোতে শুধু ফাইবার থাকে তা নয়, থাকে, ভিটামিন ও মিনারেলসও। ব্রকোলি, পালং শাক, স্প্রাউটসেও প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সবুজ সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।  প্রোবায়োটিক খাবার প্রোবায়োটিক খাবার ইনটেস্টাইনে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সঞ্চার করে। এক্ষেত্রে দইয়ের মতো খাবার খাওয়া যেতে পারে। আমাদের শরীরে দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে— ভালো ব্যাকটেরিয়া ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া। এই ভাল ব্যাকটেরিয়াই হল প্রোবায়োটিক।  নিয়মিত ব্যায়াম বা যোগ অভ্যাস হাঁটা, জগিং, ফ্রি-হ্যান্ড, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা- এই ব্যায়ামগুলো করলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ভাল থাকা যেতে পারে। সুস্থ থাকতে যোগাসন বা যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই।  প্রাকৃতিক উপাদান  কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমলকী, অ্যালোভেরা জুস, কাঁচা হলুদ, তিল, ফ্ল্যাক্স সিড, ভেজানো চিয়া সিডস বা ত্রিফলার মতো খাবার ডায়েটে রাখুন।  সূত্র- এই সময় জিএ
কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকবেই না, পাঁচটি নিয়ম মানুন
আরও পড়ুন
‘করোনার নেগেটিভ রেজাল্ট নিয়ে বিদেশযাত্রা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুয়া’
বনানীর নীহারিকা টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে
আ.লীগ আদালত, সংসদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে: ফখরুল
পাতাটি মুখে ব্যবহার করুন আর জাদুকরী রূপ দেখুন