
অনেকেই আছেন কথায় কথায় মিথ্যা বলেন। মিথ্যা কথা বলাটা একটা বাজে অভ্যাসের মতো। যারা মিথ্যা বলেন এটা একটা কৌশল হিসেবে দেখেন। অনেকেই আছেন মিথ্যা বলেও গর্ববোধ করেন। তবে এই মিথ্যা বিশ্বাস করে কেউবা পড়েন বিপদে। অনেক সময় বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, কে মিথ্যা বলছে আর কেই বা সত্যি বলছে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক মিথ্যাবাদী ধরার কয়েকটি সহজ উপায়
চোখের মণির নড়াচড়া
বলা হয় চোখে চোখ রেখে যারা কথা বলতে পারেন তাদের সৎ সাহস রয়েছে। অপরদিকে যারা মিথ্যা বলেন, তাদের চোখের মণি নড়াচড়া করে।
হাত-পায় নড়াচড়া
মিথ্যা কথা বলার সময় অনেককে হাতের আংটি, ব্রেসলেট, ঘড়ি, কলম ইত্যাদি ধরে নাড়াচাড়া করতে বা ঘুরাতে দেখা যায়। মেয়েদের সাধারণত এ সময় হাত দিয়ে চুল প্যাঁচাতে দেখা যায়। অনেকে হাতের তালু দিয়ে পায়ের ওপর ঘষতে থাকেন।
চোখের পাতা ঘন ঘন ফেলা
কেউ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মানসিক চাপের মধ্যে থাকে, তখন সেই ব্যক্তি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে খুব ঘন ঘন পাঁচ-ছ’বার চোখের পাতা ফেলতে পারেন।
দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া বা একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা
চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো মানসিক শক্তি অর্জন করাটা অধিকাংশ মানুষের কাছে কঠিন কাজ। ধরা পড়ার ভয়ে তাই মিথ্যাবাদী চোখ ফিরিয়ে নেয়, অন্য কিছুর দিকে তাকিয়ে কথা বলেন।

দ্রুত নিশ্বাস নেয়া
মিথ্যা কথা বলার সময় মানসিক চাপের কারণে মানুষের হার্টবিট বেড়ে যায়। একারণে মিথ্যা বলার সময় মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে যায়। ধূমপান করার সময় মিথ্যা বলতে শুরু করলে সিগারেট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।
বেশি সময় ধরে চোখ বন্ধ রাখা
মিথ্যা বলার সময় মানুষ আত্মরক্ষার কৌশলে চলে যায়। ফলে সে সময় অনেকে অধিক সময় ধরে চোখ বন্ধ রাখতে পারেন। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে সে ১ থেকে ২ সেকেন্ড পর্যন্ত চোখ বন্ধ করে রাখতে পারে।
নকল হাসি দেয়া
শ্রোতাকে আশ্বস্ত করতে অনেকে কৃত্রিম হাসি দিয়ে কেউবা মিথ্যা ঢাকতে চান, তার বিশ্বাস অর্জন করতে চান। খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করলে সেটা বোঝা সম্ভব।
সূত্র- নিউজ এইটিন
জিএ




