ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রিবন্ডিং চুলের যত্নে কি করবেন?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৬ পিএম

বর্তমানে রিবন্ডিং করা চুলের কদর বেড়েছে অনেক বেশি। এ জন্য পার্লারে চুল সোজা করতে ভিড় বেড়েছে। অনেকেই কোঁকড়া চুল পছন্দ করেন না তাই রিবন্ডিং করান। চুল রিবন্ডিং করালে অন্তত ছয় মাস বা এক বছর চুল সোজা থাকে। স্ট্রেইট চুলের সুবিধা হলো,খুব সামান্যতেই দেখতে গোছানো লাগে।

চুল রিবন্ডিং করালেই কিন্তু কাজ শেষ নয়,রিবন্ডিং চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। সুন্দর চুল আরও বেশি সুন্দর রাখতে দরকার সঠিক যত্নের।

চলুন জেনে নিই কীভাবে রিবন্ডিং করা চুলের যত্ন নেওয়া যায় সেই সম্পর্কে।

১- রিবন্ডিং করানোর পর দুই–তিন দিন পর্যন্ত চুল ভেজাবেন না। কোনো শ্যাম্পু বা প্যাক ব্যবহার করবেন না এ সময়। কারণ,তা ক্ষতিকর।

২- চুল রিবন্ডিং করানোর তিন দিন পর অবশ্যই হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিন। এরপর থেকে প্রতি মাসে একবার ট্রিটমেন্ট করান। রিবন্ডিং চুলের জন্য অ্যারোমা ট্রিটমেন্ট সবচেয়ে ভালো।

৩- রিবন্ডিং করা চুলের যত্নে অয়েল ম্যাসাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে তিন দিন শ্যাম্পু করার এক ঘণ্টা আগে চুলে অয়েল ম্যাসাজ করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪- গোসলের আগে গরম পানিতে তোয়ালে চুবিয়ে আধা ঘণ্টা চুল পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে।

৫- রিবন্ডেড চুলের জন্য হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। আজকাল মার্কেটে রিবন্ডেড হেয়ারের জন্য ভালো মানের শ্যাম্পু পাওয়া যায়।

৬- শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। রিবন্ডিং করা চুলের জন্য আলাদা শ্যাম্পু কন্ডিশনার পাওয়া যায়।

৭- চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং মসৃণ করতে শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার অথবা এক চামচ মধু মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

৮- দিনে তিনবার মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন, এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। তবে ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না।

৯- অনেকেই চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করেন। রিবন্ডিং করা চুলে এটা ব্যবহার করা যাবে না। চুল তাপ থেকে দূরে রাখতে হবে। অতিরিক্ত তাপে চুল ভেঙে যাবে।

১০- চুল শুকানোর জন্য তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। তবে তোয়ালে দিয়ে চুল জোরে জোরে ঘষা যাবে না।

১১- চুল সোজা ও মসৃণ রাখতে রিবন্ডিং করানোর পর কমপক্ষে এক মাস চুল বাঁধা যাবে না। কারণ রিবন্ডিংয়ের পর চুল দুর্বল থাকে।

১২- চুলের আগা রেগুলার ট্রিম করতে হবে। এতে আগা ফেটে গিয়ে আপনার চুলের সৌন্দর্য নষ্ট হবে না এবং দেখতেও ভালো লাগবে। এ ছাড়া রিবন্ডিং দীর্ঘ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়।

১৩- চুলের আগা কেটে ফেলার পর চুলে প্রোটিন প্যাক,ডিপ কন্ডিশনিং কিংবা হেয়ার স্পা করতে পারেন। যেমন ডিম একটি,ক্যাস্টর অয়েল এক চামচ,লেবুর রস এক চামচ ও মধু এক চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে স্কাল্পে লাগান। এরপর শাওয়ার ক্যাপ বা তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।

১৪- অনেকেরই অভ্যাস গরম পানিতে গোসল করার। তবে রিবন্ডিং চুলে হট শাওয়ার নেওয়া যাবে না।

১৫- নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন। নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করে।

১৬- বাইরে বের হলে সঙ্গে হ্যাট অথবা ছাতা রাখুন। কারণ,সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চুলের জন্য বেশ ক্ষতিকর। বৃষ্টিতে চুল ভিজে গেলে যত দ্রুত সম্ভব চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ,বৃষ্টির পানির সঙ্গে থাকা ধুলো–ময়লা ও লবণ চুলের ক্ষতি করতে পারে।

১৭- চুল রিবন্ডিং করানোর পর নিয়মিত ডায়েটে থাকা উচিত। নিয়মিত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। বেশি করে ফল ও সবজি, আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম–সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত এবং যথাসম্ভব জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

তথ্যসূত্র: পেকজেলস ডটকম

ইজে/এমএন/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
    করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে অনেকেই ঘরোয়াভাবে নববর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা করেছেন। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘরেই নববর্ষ উদযাপনের আগে ঘরটি যেভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন, তার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো।    বেলুন টাঙানো ড্রয়িং রুমের দেয়ালে লাগাতে পারেন চিয়ার্স লেখা বেলুন। বাজারে ছোট, বড়, মাঝারি- বিভিন্ন মাপের চিয়ার্স বেলুন কিনতে পাওয়া যায়।   সেলফি তোলার নির্দিষ্ট জায়গা  বাড়িতে বন্ধুরা আসবে আর ছবি উঠবে না তা হয় নাকি। তাই বাড়ির কোনো একটি ফাঁকা জায়গায় তৈরি করে নিন সেলফি তোলার নির্দিষ্ট স্থান। জায়গাটিকে রঙিন বেলুন, রঙিন ফিতে দিয়ে সাজিয়ে নিন। আলোয় সাজুক ঘর নতুন বছরের উদযাপনে ঘরজুড়ে থাকুক আলোর মেলা। টুনি বাল্বগুলো ঝুলিয়ে দিতে পারেন দেয়ালজুড়ে। কিংবা ঘরে যদি কোনো গাছ থাকে, তার ওপরও ঝোলাতে পারেন টুনি বাল্ব। এই বছরের পুরনো ছবিগুলি টাঙাতে পারেন বসার ঘরের দেওয়ালজুড়ে অথবা ঘরের এক কোণে দড়ি টাঙিয়ে এই বছরের ভালো মুহূর্তের কিছু ছবি ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। ছবিগুলির ওপর দু-একটি টুনি বাল্বের তারও ঝুলিয়ে দিতে পারেন। বছর শেষের সন্ধ্যায় জ্বলুক সুগন্ধি মোমবাতি আজকাল বিভিন্ন নকশা করা সুগন্ধি মোমবাতি পাওয়া যায়, বছর শেষের সন্ধ্যায় মোমের আলোয় এবং গন্ধে সুরভিত হয়ে উঠুক বাড়ি। সোফাতে রাখুন রঙিন কুশন ঘরের হাল ফেরাতে সোফা জুড়ে থাকুক রঙিন রঙিন কুশন। কুশনগুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নয়, সোফার গায়ে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
ফ্রিজের বোটকা গন্ধে নাজেহাল হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন ধরনের খাবার, কাঁচা মাছ-মাংস বা শাক-সবজি থেকে যেমন এই ধরনের গন্ধ তৈরি হতে পারে, তেমনই জমে থাকা বরফ পরিষ্কার না হলে বা ফ্রিজের ভেতরে জমে থাকা অবাঞ্ছিত আবর্জনা থেকেও এই গন্ধ তৈরি হতে পারে। কিন্তু কোন উপায় রেহাই পাবেন এই সমস্যা থেকে? রইল কিছু সহজ টোটকা। * যদি রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখতে চান, তা হলে অবশ্যই বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। খাবারের গন্ধের মিশেলে অনেক সময়ে ফ্রিজে গন্ধ হয়। * ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রাই ফ্রিজের জন্য আদর্শ। অন্যথায় ফ্রিজের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায় যা বাজে গন্ধ তৈরি করতে পারে। * গরম জলে বেকিং সোডা গুলে তাতে ন্যাকড়া ভিজিয়ে মুছতে পারেন ফ্রিজ। এমনকি, এক বাটি জলে বেকিং সোডা গুলে ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিলেও গন্ধ কমে অনেকটাই। * ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভেজানো এক টুকরো তুলো রেখে দিতে পারেন ফ্রিজের এক কোনায়। তাতে বাজে গন্ধের বদলে ফ্রিজে থাকবে সৌরভ। একটি প্লেটে করে অল্প কফি গুঁড়ো চব্বিশ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিলেও মুক্তি মিলতে পারে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে। *  সর্বোপরি নিয়মিত পরিষ্কার করুন ফ্রিজ। শাক-সবজি বা মাছ-মাংস, এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজের ভেতর না রাখাই ভালো। এতে খাবারের গুণমান যেমন বজায় থাকে, তেমনই কমে দুর্গন্ধ সৃষ্টির সমস্যা। এসএস/টিআই
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক ফ্যাশন হাউজ ব্লুচিজ এর (https://blucheez.com.bd) যাত্রা শুরু হলো।  মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান কেক কেটে ব্লুচিজ’র আনুষ্ঠানিক পথ চলার শুভ সূচনা করেন। ক্রেতাদের চাহিদা ও অভিনব ডিজাইনের কথা মাথায় রেখে ব্লুচিজের অনলাইন স্টোরে রয়েছে অপূর্ব পোশাকের সমাহার। যারা ব্যস্ততার জন্য মার্কেটে যেতে পারেন না তারা বিভিন্ন পেমেন্ট পদ্ধতিতে পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিমিন জামান বলেন, আমরা বিশ্ব মানের ফ্যাশন ট্রেন্ডকে তুলে আনার লক্ষ্যে অনলাইন প্রক্রিয়াকে প্রধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান অক্ষুন্ন রাখার জন্য ফেব্রিকগুলো ল্যাব টেস্টে মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে অর্ডারের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড় এবং পণ্যের অর্ডারের পর ক্রেতার হাতে তুলে দেবার সময় বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো হবে। এতে ক্রেতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং ভুল অর্ডারের সংখ্যা এবং পণ্য বিনিময়ের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এবং প্রতি অর্ডারের ক্ষেত্রেই ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ক্রেতাদের রকমারি ও মানসম্মত পণ্য হাতে তুলে দিতে আমরা নিজস্ব ডিজাইন কর্মীদের দিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। ব্লুচিজর এই পণ্য ধীরে ধীরে ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের মন জয় করে মার্কেটে তার অবস্থান সুদৃহ করবে বলে আমার বিশ্বাস। আরএ/
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
ওজন কমাতে কেউ ছেড়েছেন খাওয়া, আবার কেউ সকাল-বিকেল ছুটছেন জিমে, হাঁটছেন পার্কে। তবুও ওজন কিছুতেই কমছে না। তবে আপনাকে যদি বলা হয় শরীরচর্চা নয়, ওজন কমবে পরোটা খেয়ে, তাহলে চক্ষু চড়কগাছ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ পরোটা মানেই ঘি বা তেল চপচপে খাবার। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা তো এই ধরনের খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। তবে বলে রাখা ভালো এমন কিছু পরোটা আছে যা খেলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তা নয়, মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। পেঁয়াজের পরোটা পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন ও ভিটামিন সি। যা শরীরের রোগপ্রতিরোধশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়ক। পালংশাকের পরোটা ভিটামিন বি, ই, এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং মাইক্রোনিউটিয়েন্ট সমৃদ্ধ পালংশাকের পরোটা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া পালং শাকে ক্যালোরি কম থাকে। পালং শাক দীর্ঘ সময়ের জন্যে পেট ভর্তি রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা খানিক কমে। মেথির পরোটা মেথিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। মেথি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে ঠিক রাখে। এ ছাড়া মেথির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরকে ক্ষতিকারক উপাদান থেকে বাঁচায়। কীভাবে তৈরি করবেন এমন স্বাস্থ্যকর পরোটা? এই পরোটাগুলির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই বেশি তেল বা ঘি ব্যবহার করবেন না। পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন টকদই। হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে। জোয়ার, বাজরা, বা রাগি আছে এমন ময়দা দিয়ে পরোটা বানান। কারণ এই উপাদানগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
সারাদেশে শীত এখন জেঁকে বসেছে। শীতের বৈরী আবহাওয়া ত্বকের জন্য বয়ে আনে নানান ধরনের সমস্যা। হতে পারে বিভিন্ন রোগও। এই সময় সুস্থ থাকার জন্য ঋতুর এ পরিবর্তনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হতে হবে। কিন্তু শীতের কিছু সবজি, যা খেলে তরতাজা থাকবেন আপনি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলেই ত্বক উজ্জ্বল রাখা সম্ভব। শীতে কিছু খাবার আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে।  জেনে নিন এই খাবারগুলো কী : হালকা কুসুম গরম পানি পান করুন। মাঝে মাঝে ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন। তিন বেলার খাবারের মেন্যুতে রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরনের স্যুপ, গরম দুধ, দুধ ছাড়া চা, তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। এটি পানির সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ করবে।  শীতের রোগবালাই দূর করতে মূলজাতীয় সবজি ভালো কার্যকর। বিট, মিষ্টি আলু, গাজর, শালগমের মতো নানা সবজি শীতে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। এসব সবজিতে থাকা ভিটামিন ও নানা পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।  শীতের সময় বেশি করে টকজাতীয় ফল খেতে পারেন। কমলা, বরই, পেয়ারা ভিটামিন সির দারুণ উৎস হতে পারে।  ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন ফ্যাটি এসিড। বাদাম, মাছ এই ধরনের খাবার বেশি করে খান। ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলুন। এ ছাড়া মাছের সঙ্গে শিম যুক্ত করে খেতে পারেন। এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকবে। শীতের সময়ে খেতে পারেন পুষ্টিকর পালংশাক। পালংশাক ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। অতিরিক্ত ওজনও কমায়। এই সবজি শীতে আমাদের শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে। শীতে খাওয়ার নিয়ম ঠিকঠাক না মেনে চললে শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। খাবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই শীতে খাবার খাওয়ার প্রতি খাবার বাছাইয়ে সচেতন হোন। এসকে
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
আরও পড়ুন
শীতে ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখবেন কিভাবে