ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

রক্তে প্লাটিলেট বাড়বে যা খেলে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৩, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৩, ০২:১৩ পিএম

ডেঙ্গু রোগটি এক সময় মৌসুমি রোগ ছিল, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সারা বছরজুড়ে এর প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। এর ফলে এই রোগের চার ধরনের ভাইরাস আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গু পজেটিভ হলে না ঘাবড়ে রক্তের প্লাটিলেট যেন কমে না যায় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। মানবদেহে থাকা তিন ধরনের রক্তকণিকার সবচেয়ে ছোট আকারটি হলো প্লাটিলেট বা অনুচক্রিকা। রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে প্লাটিলেট। এই রক্তকণিকার কারণেই শরীরের কোথাও কেটে গেলে দ্রুত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়।

যে কারণে প্লাটিলেট কমে যায়-

প্লাটিলেট কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো দুটি: প্লাটিলেট ধ্বংস হয়ে যাওয়া নয়তো পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি না হওয়া। যখন রক্তের প্লাটিলেট কাউন্ট কমতে শুরু করে, তখন তাকে বলা হয় থ্রোম্বোসাইটোপেনিয়া।

প্লাটিলেট কমে যাওয়ার আরও কয়েকটি কারণ হলো: অ্যানিমিয়া বা রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়া, ভাইরাস সংক্রমণ, লিউকেমিয়া, কেমোথেরাপি, অতিরিক্ত মদ্যপান ও ভিটামিন বি-১২ এর অভাব।

এ ছাড়া তীব্র মাত্রার ক্যানসার বা পিত্তথলির মারাত্মক রোগের কারণে কমতে পারে প্লাটিলেট। একই সঙ্গে রক্তে ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ, ওষুধের প্রতিক্রিয়া ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাজনিত রোগবালাইয়ের কারণে প্লাটিলেট ভেঙে যেতে পারে।

দেহের রক্তে প্লাটিলেট কমে গেলে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার মাধ্যমেই প্লাটিলেটের সংখ্যা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে যা খাবেন-

পেঁপে: রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে খেতে পারেন পেঁপের জুস। অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে পেঁপেপাতা। তাই ডেঙ্গু রোগীর জন্য এটা উপকারী। পেঁপেপাতা বেটে রস তৈরি করে পান করতে পারেন। এ ছাড়া পেঁপেপাতা সিদ্ধ করেও খেতে পারেন।

ডাব: ডাবের পানিতে রয়েছে ইলেট্রোলাইটস বা খনিজ, যেটা ডেঙ্গুজ্বরে খুবই উপকারী উপাদান।

ব্রকলি: পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি ব্রকলিতে রয়েছে ভিটামিন কে, রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে এটা সাহায্য করে। দ্রুত প্লাটিলেট কমে গেলে প্রতিদিন খাবারে অবশ্যই ব্রোকলি রাখবেন। এতে খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে।

পালং শাক: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আয়রন এর অন্যতম উৎস হল পালং শাক। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে এটা। পাশাপাশি রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতেও এটা উপকারী।

মিষ্টি কুমড়া: মিষ্টি কুমড়া রক্তের প্লাটিলেট তৈরি করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া মিষ্টি কুমড়াতে আছে ভিটামিন ‘এ’, যা প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া এবং এর বীজ খাবেন।

বেদানা: শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাতে দরকারি খনিজ উপাদানসহ নানা পুষ্টি রয়েছে বেদানায়। দুর্বল শরীরের ধকল কাটিয়ে উঠতে বেদানা খুবই উপকারী। পাশাপাশি আয়রন আছে বলে রক্তের জন্য এটা উপকারী। ডেঙ্গুজ্বর সারাতে ও প্লাটিলেটের সংখ্যা নরমাল রাখতে এটা উপকারী।

আমলকি: আমলকিতেও আছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। আমলকিতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। ফলে আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা পায়।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা রক্তকে বিশুদ্ধ করে। রক্তের যেকোনো সংক্রমণ দূর করতেও অ্যালোভেরা উপকারী। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পান করলে রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বাড়ে। তবে অবশই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

লেবু: লেবুর রসে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। ভিটামিন সি রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সহায়তা করে। ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। ফলে প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকেও রক্ষা পায়।

প্রোটিন: মুরগীর মাংস, মাছ এসব খাবার থেকে প্রোটিন পাওয়া যায় বেশি। এসব খাবারে জিংক ও ভিটামিন বি টুয়েলভও থাকে প্রচুর।

আয়রন: শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে তার ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। শরীরের টিস্যুতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন বহনকারী লোহিত রক্তকণিকা কমতে পরে এর অভাবে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা এবং প্লাটিলেটের সংখ্যাও বাড়তে পারে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পার্টি ছাড়াই উদযাপন করুন বর্ষবরণ
বছরের শেষ দিনকে আনন্দের মাধ্যমে বিদায় জানাতে আশেপাশে যেন ধুম পরেছে পার্টির। বিভিন্ন পার্টি ডেস্টিনেশনে নানান আয়োজন। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে রঙিন সাজে। এ যেনো পুরো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুনকে স্বাগত জানানোর মহা আনন্দ। অনেক কিছু ভুলে আনন্দে মেতে ওঠার এই তো সময়। ফলে আয়োজনের কোনও ত্রুটি নেই। কিন্তু অনেকেই পার্টি বা পার্টির হইচই পরিবেশ পছন্দ করে না। কিন্তু নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন থেকে তিনিই বা বঞ্চিত হবেন কেন। হ্যাঁ, পার্টি ছাড়াও সেলিব্রেশনের বহু উপায় আছে।  জেনে নিন টিপসগুলো- যদি বছর শেষের রাতে মন ভালো রাখতে চান, তবে নিজের ঘরটাই পছন্দমতো সাজিয়ে তুলুন। লাইটের আলো নিভিয়ে সেন্টেড ক্যান্ডেল জ্বালিয়ে দিন। মৃদু আলোয় মায়াময় পরিবেশ তৈরি হবে। মিউজিক সাউন্ডে হালকা করে পছন্দের কোনও গান চালিয়ে দিতে পারেন। পার্টির থেকে এই পরিবেশ কম আকর্ষক নয়। পরিবেশ তো তৈরি হলো। এবার করবেন কী? অনেক কিছু করার আছে। যদি একা একা সময় কাটাতে ভালবাসেন, তবে ২০২৩ সালের প্রিয় স্মৃতিগুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করুন। ল্যাপটপের হার্ড ডিস্ক বা মোবাইল খুঁজে দেখুন। অনেক প্রিয় ছবি খুঁজে পাবেন। একটা অ্যালবাম বানিয়ে ফেলতে পারেন। কীভাবে বছরটা কাটল তার একটা কোলাজ তৈরি করে ফেলুন। এছাড়া পুরনো অ্যালবামগুলোও নাড়াচাড়া করে দেখতে পারেন। ব্যস্ত জীবনে খুব একটা সময় তো হয় না। অবসর কাটান মনের মতো। যদি সিনেমা দেখতে ভালবাসেন, তবে এই পরিবেশে পছন্দের একটা সিনেমা দেখে ফেলুন, সঙ্গে গরম কফির ব্যবস্থা রাখবেন। বন্ধুবান্ধব বা প্রিয়জনকে কাছে নিয়ে কফি আর পছন্দের স্ন্যাক্স নিয়ে মনের মতো একটা সিনেমা দেখার থেকে ভালো সময় আর কীভাবে কাটাবেন। আপনি যদি বইপোকা হন তবে তো কথাই নেই। এমন অনেক পুরনো বই আছে, যা একবার পড়েছেন, আবার পড়তে ইচ্ছে করে, কিন্তু সময়ের অভাবে হয়ে ওঠে না। এই অবসরে পড়ার টেবিলের আলোটা জ্বালিয়ে বই পড়ুন। দেখবেন, নিজের প্রিয় জগতের মধ্যে ডুবে থেকে সময়টা ভালোই কাটবে।  পার্টির হইচই পছন্দ হয় না। কিন্তু নাচ-গান তো ভালবাসেন। তাহলে সাউন্ড সিস্টেমে পছন্দের মিউজিক চালিয়ে নিজেই হালকা দুলে নিতে পারেন। দেখবেন সময়টাও ভালো কাটবে। নিজেকেও অনেকটা ঝরঝরে লাগবে। কাজের চাপে নিজেরই খেয়াল রাখতে পারেন না? এই অবসরে না হয় সেই কাজটি সেরে ফেলুন। কোনও স্পা সেন্টারে চলে যান। বছর শেষের মুহূর্তে নিজেকে নিয়েই না হয় একটু মেতে থাকলেন। তাছাড়া নতুন বছর, নতুন চাপ, নতুন করে ব্যস্ততা। তার আগে নিজেকে একটু চাঙ্গা করে নিতে পারবেন। এই শহরেই থাকেন। কিন্তু শহরের অনেকটাই তো অদেখা। হাতে যদি সময় থাকে, তখন না হয় একটু ঘুরেই আসুন। পছন্দের যে পোশাকটি অনেকদিন পরবেন পরবেন করেও পরতে পারছেন না, আজ সেটা পরে ফেলুন। তারপর বেরিয়ে পড়ুন চেনা শহরের অচেনা জায়গায়। মাঝে পছন্দের কোনও খাবার কিনে খেয়েও নিতে পারেন। চাইলে একটু শপিংও করে নিতে পারেন। শেষমেশ এ সব যদি কোনও কিছুই পছন্দ না হয় তাহলেও উপায় আছে। যে খাবার অনেকদিন খেতে পারছেন না তার অর্ডার করে ফেলুন। তার পর চিন্তাভাবনা ছাড়া টানা ঘুম দিন। হ্যাঁ, ফোনটি সুইচ অফ করে দিতে পারেন। এই সময়টা একেবারে নিজেকেই দিন।
পার্টি ছাড়াই উদযাপন করুন বর্ষবরণ
অফিসে বছরকে স্বাগত জানানোর মজাদার আইডিয়া
আর একদিন পরেই শুরু হবে ২০২৪ সাল। কীভাবে এই নতুন দিনটিকে কাটাবেন তা নিয়ে উৎসাহের শেষ নেই মানুষের মনে। কিন্তু যাদের এই বিশেষ দিনেও কাজ রয়েছে। তারা কীভাবে স্বাগত জানাবেন নতুন বছরকে?  আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশেষ কিছু টিপস-  যাদের বছরের শেষ দিন বা প্রথম দিনেও অফিস রয়েছে তারা নতুন বছরকে ঠিক করে উদযাপন করতে পারেন না এক্ষত্রে কাজের মধ্যেই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে পারেন। অফিসের কলিগদের সঙ্গে এদিন একটু অন্যভাবে কাটানোর প্ল্যান করুন। সকলকে ভিন্ন ভিন্ন পদ রান্না করে আনতে বলতে পারেন। একসঙ্গে লাঞ্চ সারতে পারেন ক্যাফেটেরিয়ায়।  সময় পেলে বেশ কয়েকটা গ্রিটিংস হাতে বানিয়ে ফেলুন। উপহার দিন পছন্দের সহকর্মীকে। প্রতিটি গ্রিটিংস যেন আলাদা আলাদা হয়। চাইলে প্রত্যেকের চরিত্র বিশ্লেষণ করেও কিছু লিখতে পারেন কার্ডে।  বিশেষ দিন সেলিব্রেট করার জন্য বেশ কয়েকটি উপহার কিনে ফেলুন চাইলে চকোলেটও কিনতে পারেন এদিন অফিসে যার সঙ্গে কোনও একসময় বাকবিতন্ডায় জড়িয়েছেন তার সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করুন। আশা করি বিশেষ দিনে তিনিও আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাইবেন। দিনের শেষে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা হবে। নিউ ইয়ারের দিনে রাতে অফিস থাকলে ঠিক ১২টার কয়েক মিনিট আগে কাজ থেকে উঠে পড়ুন। এই বিশেষ কিছুটা সময় নিজেকে সময় দিন পারলে চলে যান ব্যালকনিতে। মনের সমস্ত গ্লানি মুছে নিজেকে সারা বছর ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিন। 
অফিসে বছরকে স্বাগত জানানোর মজাদার আইডিয়া
বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করবে যে খাবারগুলো 
শিশুর দাঁত–সংক্রান্ত যাত্রা শুরু হয় শিশুর দাঁতের সঠিক যত্নের সঙ্গেই। আপনার শিশুর দাঁতগুলো ঠিকমতো ব্রাশ করতে শিখলে তাদের দাঁতের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী উপকার দিতে পারে। আপনার শিশুর প্রথম দাঁত উপস্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁত পরিষ্কার করা শুরু করুন এবং মৌখিক স্বাস্থ্যবিধিতে জড়িত মৌলিক অভ্যাসগুলো সম্পর্কে সচেতন হন। শিশু অবস্থা থেকেই দাঁতের যত্ন নেয়া এবং দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা যে কতটা প্রয়োজনীয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দুধ সাদা কচি দাঁতের সারি যাতে শক্তিশালী ও সুন্দর হয়, তা দেখার দায়িত্ব কিন্তু মা-বাবার ওপরই বর্তায়। ভালো ব্রাশ-পেস্ট দিয়ে নিয়মিত দুবেলা দাঁত পরিষ্কার, খাওয়ার পরে ভালো করে মুখ ধোয়া ছাড়াও, কিছু কিছু খাবারও আছে যা বাচ্চার দাঁতকে সুস্থ রাখবে। কোন কোন খাবার বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করে তুলতে পারে, দেখে নিন একনজরে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার- যে সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, সেই সমস্ত খাবার খেলে বাচ্চার মাড়ি ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মুরগীর মাংস এবং ডিম এই ক্ষেত্রে খুব উপকারী। এই মাংস, বাদাম আর ডিমের মতো প্রাণীজ প্রোটিনে উচ্চমাত্রায় ফসফরাস থাকে, যা দাঁতের জন্য খুবই ভালো। দুগ্ধজাত খাবার- দাঁত শক্তিশালী হওয়ার পেছনে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুধ ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত খাবার এই ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস। দুধ, দই, পনির এই সব খাবারে উপস্থিত ক্যালসিয়াম একদিকে যেমন হাড় শক্ত করে, আবার দাঁতের এনামেলের স্বাস্থ্যও ভালো করে। আবার কিছু কিছু দুগ্ধজাত দ্রব্য মুখের মধ্যে স্যালাইভা বা লালা নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা বাচ্চার দাঁতকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। দুধের সঙ্গে খুব বেশি চিনি গুলে দেবেন না। অতিরিক্ত চিনি খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার- বাচ্চাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে দিন। কমলালেবু, সবুজ তরিতরকারি, স্ট্রবেরি, আলু, পাতিলেবু ইত্যাদি ভিটামিন সি-এর অন্যতম উৎস। ভিটামিন সি মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে দেয়। মাড়ির রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করে। বাচ্চা এই ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার খেলে ভালো করে মুখ ধুইয়ে দিতে ভুলবেন না। কারণ, এই সব ফল অ্যাসিডিক হওয়ায় বেশিক্ষণ মুখে থাকলে দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাজা সবজি ও ফল- বাচ্চাকে গাজর, আপেল, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাওয়ান। এসব খাবার বাচ্চাকে চিবিয়ে খেতে হয়। চিবোনোর ফলে এই ফল বা সবজি ছোট ছোট টুকরোয় ভেঙে যায় ও পরোক্ষভাবে দাঁতের প্লাক দূর করে। আপেল কামড়ে খেলে দাঁতের গর্ত এবং দাগ চলে যায়; তাছাড়া মুখের লালার পরিমাণও বাড়ে। রাতে খাবারের পর শিশুকে আপেল খেতে দিন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও সুস্থ থাকবে। পানি-শিশু যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। পানি দাঁত ও মাড়িতে লেগে থাকা খাদ্যকণা সরিয়ে দেয়। পানি মাড়িকে শুকনো হতে দেয় না এবং এনামেলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পানিতে ফ্লোরাইড নামক একটি খনিজ থাকে, যা দাঁত ভেঙে যেতে দেয় না। ডার্ক চকলেট- ঠিক শুনেছেন, ডার্ক চকলেট দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ডার্ক চকলেটের কোকোয়াতে ট্যানিন থাকে, যা দাঁতের জন্য খুব উপকারী। মুখের ভেতরে অ্যাসিড তৈরি হওয়া কম করে, দাঁতের ক্ষয় হওয়া থেকে বাঁচায় ও মাড়ির রক্ত চলাচল বাড়ায় এই ডার্ক চকলেট। প্রত্যেকদিন অল্প পরিমাণে ডার্ক চকলেট খেলে দাঁতে প্লাক জমার প্রবণতা কমে। এছাড়া ডার্ক চকলেটে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সার্বিকভাবে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো করে। এছাড়াও মিষ্টি, চিনি বা মিষ্টি চকলেট খেলে ভালো করে দাঁত, মাড়ি পরিষ্কার করা প্রয়োজন। বাচ্চাদের দাঁত নির্দিষ্ট সময় অন্তর দন্ত-চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
বাচ্চার দাঁত শক্তিশালী করবে যে খাবারগুলো 
গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দলা ভাত খাওয়া ঠিক নয়!
খাবার খাওয়ার সময় যদি কোনও কারণে গলায় মাছের কাঁটা আটকে যায় তাহলে আপনারা কি করবেন? আপনাদের অনেকের মধ্যে এখনও একটি ধারণা রয়েছে যে, দলা পাকানো শুকনো ভাত, মুড়ি এবং কলা খেলে মাছের কাঁটা ভিতরে চলে যায়। হ্যাঁ এটা একদমই সত্যি যে অনেক সময় মাছের কাঁটাটা ভিতরে চলে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা একদম ভুল! এই বিষয়ে ডাক্তারদের মতএমত অনুযায়ী, আপনারা কখনোই এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করবেন না। সাধারণত অনেক বেশি তাড়াহুড়ো এবং অসাবধানতার কারণে আমাদের গলায় যে টনসিল থাকে সেই জায়গায় মাছের কাঁটাগুলো আটকে যায়। খাবার খাওয়ার সময় যদি আপনাদের গলায় মাছের কাঁটা আটকে যায়। সবার প্রথমে আপনাদের যেটা করতে হবে সেটা হলো, তৎক্ষণাৎ ঢোক গেলা বন্ধ করে দিতে হবে। মাছের কাঁটা আটকে যাওয়ার পরে আপনারা আর একবারও ঢোক গিলবেন না। আপনারা সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস পানি নিয়ে গারগল করবেন এবং ওয়াক ওয়াক শব্দ তুলবেন। দেখবেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনাদের গলায় আটকে থাকা কাঁটাটি সহজেই বাইরে বেরিয়ে চলে আসবে। পরবর্তীতে যদি কাঁটা দেখা যায় তবেই আঙুল দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন। অন্যথায় কাঁটা দিকে আঙুল দিয়ে বের করার চেষ্টা একদমই করবেন না। যদি গার্গল করার পরেও মাছের কাঁটা বাইরে বের না হয় তাহলে আপনারা ওই রোগীকে নিয়ে হসপিটালের এমার্জেন্সিতে চলে যাবেন। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। তবে যদি কোনও কারণে মাছের কাঁটা পেটের ভিতরে চলে যায় তাহলে সেটা নিয়ে ভয় পাবার কোনও কারণ নেই। কারণ পেটের মধ্যে অনেকগুলো এরকম এনজাইম আছে, যারা মাছের কাঁটাকে গলিয়ে ফেলতে পারে। সূত্র : নিউজ ১৮
গলায় মাছের কাঁটা আটকালে দলা ভাত খাওয়া ঠিক নয়!
চুইংগাম গিলে ফেললে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
গালের ফ্যাট কমানো থেকে মুখের দুর্গন্ধ দূর করার সহজ উপায় হিসেবে অনেকেই চুইংগামের ওপর ভরসা করেন। অতর্কিতে বা অসাবধানতাবশত অনেক সময়ই চুইংগাম আমরা গিলে ফেলি। কিন্তু কখনও ভেবেছেন এই চুইংগাম পেটে চলে গেলে কী হয়? এর ফলে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
চুইংগাম গিলে ফেললে স্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে? 
আরও পড়ুন
এক বছরে ডেঙ্গুতে ১৭০৫ জনের মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৭২
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১৭০০ ছাড়াল
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩৪