ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়েদের জন্য ৫টি বিউটি টিপস

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:২৪ পিএম

নিজেকে ফ্রেশ এবং সুন্দর দেখতে কে না পছন্দ করে। ঘরের ভেতরে কিংবা একান্ত সময়ে নিজেকে নিয়ে ভাবেন অনেকেই। তখন চোখে পরে ত্বক এবং চুলের খুঁটিনাটি সমস্যাগুলো। ২৪ ঘণ্টা মেকআপ লাগানো ছাড়াও সুন্দর দেখানো যায় নিজেকে। এর জন্য প্রয়োজন নিজের প্রতি সামান্য যত্ন, যা আপনাকে রাখবে উজ্জ্বল এবং মসৃণ।

তাই আমরা নিয়ে এলাম এমন ৫টি সহজ বিউটি টিপস যা আপনার না জানলেই নয়,

গ্রিন টি: গ্রিন টি ত্বক ও চুলকে সুন্দর রাখতে ভীষণ উপকারী। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন টি খেলে বিভিন্ন ধরণের ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ,প্যাচি স্কিন,ত্বক ফেটে যাবার সমস্যা ছাড়াও খুশকির মত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এটি ত্বক ও চুলকে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

বাদামের তেল : ম্যাট লিপস্টিক লাগানোর কারণে আমাদের ঠোঁট শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে যায়। তাই দিন শেষে বাড়ি ফিরে তুলার মধ্যে বাদামের লাগিয়ে সহজেই লিপস্টিক তুলে ফেলুন। বাদামের তেল ঠোঁটের শুষ্কভাব দূর করবে এবং ঠোঁট মসৃণ রাখবে।

ভেসলিন : বাহিরে যাবার আগ মুহূর্তে দেখা যায়, সব কিছু ঠিক থাকলেও ভ্রু আকা বাঁকা হয়ে থাকে। তাই ঝটপট ভ্রু সেট করার জন্য সামান্য একটু ভেসলিন ভ্রুতে লাগিয়ে মসকারা ব্রাশ দিয়ে আঁচরে ফেলুন।

নারিকেল তেল : চুলের ওপর দিয়ে কতোটানা ধকল যায়। কখনো স্ট্রেট, কখনোবা কার্ল। তাই চুলকে রুক্ষতার থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন নারিকেল তেল। গোসলের আগে নারিকেল তেল দিয়ে চুল মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। এতে চুল মসৃণ এবং উজ্জ্বল থাকবে।

পানি : বাহিরের ধুলাবালির কারণে হারিয়ে যাচ্ছে ত্বকের সৌন্দর্য। তাই দিনে কমপক্ষে ২ বার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং ত্বক ফ্রেশ দেখাবে।

এন/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সারপ্রাইজ মূল্যছাড় দিচ্ছে জেন্টল পার্ক
শীতকালীন পোশাকে বিশেষ মূল্যছাড় দিচ্ছে জেন্টল পার্ক। তারুণ্য নির্ভর এই লাইফস্টাইল স্টোরটিতে থাকছে শীতের সমকালীন প্যাটার্ন নির্ভর পোশাক। এবার শীতে ডিজাইনের সঙ্গে মিল রেখে বৈচিত্র্যতা আনা হয়েছে নেক লাইনে। পোশাকের রঙ, শীত উপযোগী ফরমাল ও ক্যাজুয়াল ফ্যাশনে দিবে বিশেষ দ্যুতি। জেন্টল পার্কের চিফ ডিজাইনার শাহাদৎ চৌধুরী বলেন, জেন্টল পার্ক পাশ্চাত্য ফ্যাশনকে দেশীয় ট্রেন্ড নির্ভর করে তৈরি করে। সমকালীন কালার চার্ট এবং প্যাটার্নের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয় ট্রেন্ড জেন্টল পার্কের রেডি টু ওয়ারে স্থান পাবে। পোশাকের আউটলুক পুরোটাই সর্বশেষ ফ্যাশনকে অনুসরণ করে করার চেষ্টাও রাখা হয়। ডিজাইন বৈচিত্র্যের শীতের পোশাকের পাশাপাশি এবার খণ্ডকালীন সময়ের জন্য জেন্টল পার্ক দিচ্ছে সারপ্রাইজ মূল্যছাড় সুবিধায় ব্লেজার ক্রয়ের সুযোগও। সর্বোচ্চ শতকরা ২৫ ভাগে কেনাকাটার সুযোগ থাকছে এই অফারে। তবে ক্রেতারা তাদের প্রতিটি শোরুমে  শীতকালীন সারপ্রাইজ মূল্যছাড় পাবেন প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।  এছাড়াও স্টোরগুলোতে প্রোডাক্টলাইন ডিসপ্লেতে তাই আনা হয়েছে স্বতন্ত্রতা। তবে তরুণদের জন্য শীতের কালেকশন থাকছে বেশী। ফ্যাশন ট্রেন্ডের সর্বশেষ মেলবন্ধন এবং পণ্য সম্পর্কে আরো জানতে পারবেন জেন্টল পার্কের ভেরিফাইড ফেসবুক ফ্যান পেইজ থেকে। স্টোর ছাড়াও অনলাইন শপিং- এ সারপ্রাইজ মূল্যছাড় থাকছে সীমিত সময়ের জন্য। অনলাইনে পণ্যের কোড ব্যবহার করে মূল্যছাড় সুবিধা নিতে হবে। এন/ওয়াই
সারপ্রাইজ মূল্যছাড় দিচ্ছে জেন্টল পার্ক
লম্বা চুল আরো লম্বা, উপায় ৭টি
লম্বা চুল সব মেয়েদেরই শখ। অনেক কষ্ট করে সময় নিয়ে চুল লম্বা করলেন কিন্তু পড়ে যাচ্ছে চুল কিংবা হারিয়ে ফেলছে নমনীয়তা? এ নিয়ে আশঙ্কায় ভুগেন অনেকেই। মূলত অযত্নের কারণে চুল ফেটে যায় এবং আর বাড়তে পারে না। তাই ঘরের কাজে কিংবা বাহিরে যাবার সময় প্রয়োজন চুলের যত্নের। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনার লম্বা চুল থাকবে অটুট ও ঝলমলে। চলুন জেনে নেই তা... •  ট্রিম করুন: চুল লম্বা হয়েছে কিন্তু কাটতে চাচ্ছেন না? বড় চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে আগা ফাটা রোধ করা জরুরি। হেয়ার স্টাইলিস্টদের মতে, প্রতি ৩ মাস পর পর চুল না কাটলেও ট্রিম করা প্রয়োজন। নিয়মিত ট্রিম করলে অসময়ে চুলের আগা ফাটা বন্ধ হবে। এতে করে চুল নষ্ট হয়ে যাবার আশঙ্কা কমে যায়। •  জট ছাড়ান: প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন। কারণ চুলে জট থাকলে পরের দিন তা ছাড়াতে কষ্ট হয় এবং এতে অনেক বেশি চুল পড়ে যায়। তাই প্রতিদিন মোটা মুখের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়িয়ে নেবেন। •  শ্যাম্পু করুন: চুলের মধ্যে এক ধরনের প্রাকৃতিক তেল থাকে যা আমাদের চুলে পুষ্টি যোগায়। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে সেই তেল চলে যায় এবং আমাদের চুল তার উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। তাই চুলের যত্ন নিতে সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন শ্যাম্পু করুন। •  কন্ডিশনার ব্যবহার করুন: চুলকে মসৃণ ও ঝলমলে রাখতে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর চুলের মাঝ অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত কন্ডিশনার লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। •  সাপ্তাহিক যত্ন: সপ্তাহজুড়ে ব্যস্ততার কারণে চুলের যত্ন নিতে না পারলেও অন্তত একটা দিন মাথায় তেল ও প্যাক লাগানোর জন্য সময় বের করে নিন। কারণ তেল আপনার চুলে পুষ্টি যোগাবে এবং গোঁড়া মজবুত রাখবে। •  সঠিক পণ্য: চুল সহজে নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পড়ে যাবার প্রধান কারণ কেমিক্যাল যুক্ত চুলের প্রোডাক্টের ব্যবহার। তাই চুলের ধরন ও মান বুঝে প্রোডাক্ট কিনুন। •  বেঁধে রাখুন: ব্যায়াম করার সময় কিংবা ঘরের কাজ করার সময় চুল বেঁধে নিন। এছাড়া বাহিরে যাবার সময়য় ধুলোবালির হাত থেকে চুলকে রক্ষা করার জন্য মাথায় স্কার্ফ বা ওড়না দিয়ে ঢেকে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন, গোসলের সময় মাথায় গরম পানি দেবেন না। গরম পানি মাথার ত্বকে খুশকি তৈরি করে এবং চুলের গোঁড়া নরম করে ফেলে। ছবি: আরটিভি অনলাইন তুলেছেন: মুঞ্জুরুল আলম মডেল: সোহা এন/সি
লম্বা চুল আরো লম্বা, উপায় ৭টি
পছন্দের গহনার যত্ন নিন ঘরে বসে
গহনার প্রতি সব মেয়েদেরই এক ধরনের দুর্বলতা কাজ করে। বর্তমানে স্বর্ণ, রুপা, হিরে বা রুপার অলংকারের পাশাপাশি তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে অ্যান্টিক, মাটির, কাঠের গহনাসহ বিভিন্ন ধরনের অলংকার। কিন্তু সবসময় ব্যবহার না করার ফলে হারিয়ে যায় উজ্জ্বলতা। সেটি আর ব্যবহারযোগ্য থাকে না। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। অলংকার আবার আগের মতো উজ্জ্বল করে তুলতে পারবেন ঘরে বসেই। আর এর জন্য বাড়তি কোনো খরচের প্রয়োজন নেই। কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনি ফিরে পাবেন আপনার আগের অলংকার। চলুন তাহলে জেনে নিই কি সেই উপায়— •       হীরার আংটি বা নথ পরিষ্কার করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। ব্রাশে নিয়ে টুথপেস্ট ঘষে, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর পরিষ্কার টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখুন। •       যেকোনো গহনা একই বাক্সে না রেখে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে আলাদা আলাদা বক্সে রাখুন। •       সোনার উজ্জ্বলতা কমে গেলে একটি পাত্রে পানির মধ্যে একটু ডিটারজেন্ট পাউডার বা শ্যাম্পু মিশিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। আপনার অলংকার নতুনভাবে উজ্জ্বলতা ফিরে পাবে। •       রুপার গয়না পরিষ্কার রাখতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করুন। গহনার ওপর পাউডার দিয়ে নরম ব্রাশ দিয়ে ঝেরে ফেলুন। •       কুন্দন, পাথর, অ্যান্টিক ও মুক্তার গয়না কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে বা ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। তবে খুব বেশি ময়লা হলে পানিতে সামান্য সাবান মিশিয়ে নিয়ে ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন। •       প্লাস্টিকের ব্যাগে মুক্তার গয়না রাখবেন না। •       গোল্ড প্লেটের অলঙ্কার ব্যবহারের পর টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখুন। এটি কালো হয়ে গেলে সোনার দোকানে নিয়ে আবার রং করিয়ে নেয়া যায়। •       অলংকার পরিষ্কার করার জন্য গামলা এবং বড় চালনি ব্যবহার করুন। কারণ ধোয়ার সময় অলংকারের পাথর খুলে গেলে  তা গামলার মধ্যে পাওয়া যাবে। বেসিনে পরিষ্কার করলে খুলে যাওয়া পাথর হারিয়ে যেতে পারে। •       অলংকার সব সময় কাঠের বা কাপড়ের তৈরি বাক্সে রাখবেন। এন/পি
পছন্দের গহনার যত্ন নিন ঘরে বসে
ডিমের খোসার চমৎকার ব্যবহার
যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য উপকারী ডিম। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা এবং সুস্থ থাকার জন্য ডাক্তাররা দিনে অন্তত ২টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া যারা ডায়েট করেন তারা এর থেকে বেশি ডিম খেয়ে থাকেন। পোচ, ফ্রাই কিংবা সিদ্ধ করে ডিম খাওয়া পছন্দ করেন অনেকে। কিন্তু সাধারণত ডিম খাওয়ার পর এর খোসা ফেলে দেয়া হয়। তবে আপনি হয়তো জানেন না এই খোসাগুলো যে ঘরের বিভিন্ন কাজ থেকে শুরু করে রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। চলুন জেনে নিই কি কি কাজে ডিমের খোসা ব্যবহার করতে পারি— •       রান্নার পাত্রের পোড়া দাগ তুলতে প্রথমে ডিমের খালি খোসাগুলো গুঁড়া করে নিন। এবার পাত্রের মধ্যে খোসার গুঁড়া, লবণ এবং পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন পোড়া দাগ সহজেই উঠে গেছে। •       ব্লেন্ডারের ব্লেডগুলো ধারাল করতে এবং ভিতরের জমে থাকা ময়লা সহজে দূর করতে ডিমের খোসা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। এরপর ব্লেন্ডারে সামান্য পানি দিয়ে ঠাণ্ডা ডিমের খোসা ব্লেন্ড করুন। দেখবেন ভিতরের ময়লা পরিষ্কার হয়ে গেছে। •       গাছের সার হিসেবে ডিমের খোসার তুলনা হয় না। খোসাগুলো গুঁড়া করে গাছের নিচে দিন। •       বাগানকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে ডিমের খোসা গুঁড়া করে ছিটিয়ে দিন। এতে পোকামাকড় বাগানে আসার সাহস পাবে না।   •       ঘরে তৈরি করুন ডিমের খোসা দিয়ে স্ক্রাব। ডিমের খোসা গুঁড়া করে তাতে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক পরিষ্কার এবং নরম থাকবে। •       যারা কফির তিতা স্বাদ পছন্দ করেন না তারা কফি দানার সাথে কিছু ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এরপর কফি ছেঁকে নিন। ডিমের খোসা কফির তিক্ততা অনেকটা কমিয়ে আনবে। •       ত্বকের র‌্যাশ, চুলকানি, পোকার কামড়ের জ্বালা দূর করতে ডিমের খোসা ব্যবহার করুন। ভিনেগাররে মধ্যে ডিমের খোসা ২ থেকে ৩ দিন ভিজিয়ে রাখুন। খোসাগুলো ভিনেগারে মিশে গেলে মিশ্রণটি লাগান। এতে জ্বালা পোড়া কমে যাবে। এন/পি
ডিমের খোসার চমৎকার ব্যবহার
সাফল্য আসবে যে ১০টি পরিবর্তনে
আমরা যখন ২০ এর কোঠায়, তখন সবাই আরাম করতে অভ্যস্ত হই। দুপুর ১টা পর্যন্ত ঘুমানো, সারারাত জেগে থাকা, দিনভর আড্ডাবাজি করা এগুলোই ছিল আমাদের কাজ। তবে ৩০ আপনার জীবনের ব্যক্তিগত এবং পেশাদারী সিদ্ধান্তগুলোকে অর্জনের ভিত্তি স্থাপন করার একটি আদর্শ সময় । এই সময়ে নেয়া সকল সিদ্ধান্ত গড়ে তোলে আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ। কিন্তু জীবনযাত্রায় সাফল্য উপভোগের জন্য প্রয়োজন কিছু পরিবর্তনের। চলুন জেনে নেই সেগুলো-    ১. ধূমপান ছাড়ুন : যদি আপনার ধূমপানের অভ্যাস থাকে তাহলে ছেড়ে দিন। কারণ সিগারেট আপনার শরীরে নীরবে যে ক্ষতিগুলো করছে তা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।  ২. নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং ওঠার অভ্যাস করুন : অসময়ে ঘুমের অভ্যাস আপনাকে ক্লান্ত এবং কাজে অমনোযোগী করে তুলবে। প্রতিদিন একই সময় ঘুমালে এবং উঠলে আপনার শরীর তা মেনে নিবে। এতে কিছুদিনের মধ্যেই আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। ৩. ব্যায়াম করুন : সকালটা শুরু করুন ব্যায়াম, ধ্যান কিংবা ইয়োগা দিয়ে। ১০ মিনিটের জন্য হলেও নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিন। কারণ এখন আপনি স্বাস্থ্য সচেতন হলে পরবর্তীতে এর সুফল অবশ্যই পাবেন। ৪. ডাইরি লিখুন : ব্যস্ততার মাঝে আমরা ভুলে যাই ডেয়ারি লিখতে। সারাদিন আপনার ভালো-খারাপের মুহূর্তগুলো লিখে রাখুন। এটি পরবর্তী সময়ে আপনাকে বিনোদন দিবে। ৫. সঞ্চয় করুন : ৩০ এর শুরুতেই টাকা জমানোর অভ্যাস করুন। এটা এক সময়ে আপনার বিপদে কাজে দিতে পারে। ৬. স্বপ্ন পূরণ করুন : আপনার স্বপ্নগুলো যতো ছোট কিংবা বড় হোক না কেন সেগুলো ভালো সময়ের জন্য জমিয়ে না রেখে পূরণ করুন। বই লিখতে চান কিংবা কোথাও ঘুরতে ইচ্ছা করছে? তাহলে আজকেই পদক্ষেপ নিয়ে ফেলুন। ৭. যা আছে তা নিয়ে সুখি থাকুন : জীবনে সুখি থাকার মূলমন্ত্র হলো নিজের যা আছে এবং যেমন আছে সেটা মেনে নেয়া। কারণ মানুষের সাথে তুলনা করা মানসিক অশান্তিতে ঠেলে দেয়। ৮. নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন : নিজের কাছের এবং ভালোবাসার মানুষগুলোকে প্রাধান্য দিন। আপনি যেমনই হন না কেন তারা আপনাকে সেভাবেই মেনে নিবে। মানুষের জন্য নিজেকে বদলাবেন না। ৯. অন্যের সাথে তুলনা বন্ধ করুণ : কারও হয়তো দামী গাড়ী আছে, বাড়ি আছে। তবে তা আপনার থাকাও জরুরী না। কার কি আছে সেটা দেখা বন্ধ করুন। অন্যের সাথে তুলনা করে নিজেকে কষ্ট দিবে না। ১০. নিজের ভুলগুলো ক্ষমা করুন : আমরা সাধারণত অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি, যা আমাদের নিজের চোখে ছোট করে। জীবনে বড় হতে চাইলে প্রথমে নিজের ভুলগুলো মেনে নিন এবং সেগুলো কীভাবে বদলানো যায় সেই ব্যাপারে ভাবুন। এন/এমকে 
সাফল্য আসবে যে ১০টি পরিবর্তনে