
বর্তমান সময়ে অনেকের নাক ডাকার সমস্যা সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, যারা নাক ডাকে, তারা নিজে সেই শব্দ শোনেন না, অথচ পাশের কেউ ঘুমাতে পারেন না। ঘুম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ও শারীরিক কারণ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের সময় মস্তিষ্ক শিথিল অবস্থায় থাকে এবং সচেতন থাকে না। ফলে আমরা বাইরের শব্দ পুরোপুরি শুনতে পারি না। নাক ডাকার শব্দ তৈরি হলেও এটি আমাদের কানে সরাসরি পৌঁছায় না। এটি মূলত শ্বাসনালী ও গলা থেকে উৎপন্ন একটি অভ্যন্তরীণ শব্দ। তাই নিজেই তা কম শোনা যায়, কিন্তু পাশের লোকদের কাছে তীব্র ও স্পষ্ট শোনা যায়।
বিশেষজ্ঞ বলেন, আমাদের শরীর অভ্যন্তরীণভাবে নাক ডাকার শব্দ শোনে, তাই বাইরের শব্দ দ্বারা তা দমিয়ে যায়। নাক ডাকার তীব্রতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। কেউ খুব জোরে ডাকে, আবার কেউ শান্তভাবে ডাকে। নরম কণ্ঠস্বরের কারণে নিজের নাক ডাক আরও কম শোনা যায়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ক্রমাগত ও জোরে নাক ডাকা স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তাই যদি নাক ডাকার সমস্যা বেশি হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আরটিভি/এসকে




