ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদে মেহেদির রং গাঢ় রাখার সহজ টিপস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬, ১০:২৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ঈদের আনন্দ মেহেদি ছাড়া কল্পনাও করা যায় না। হাতের রঙিন কারুকাজ শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং পুরো উৎসবের পরিবেশকেও প্রাণবন্ত করে তোলে।

তবে মেহেদি যত সুন্দর হোক না কেন, রং যদি ফিকে হয়ে যায়, তাহলে পুরো খাটনিই ভেঙে যেতে পারে। তাই শুধু মেহেদি দেওয়াই যথেষ্ট নয়, ঠিকমতো যত্ন নেওয়াও জরুরি। অনেকেই অভিযোগ করেন, তাদের হাতে মেহেদি কখনোই গাঢ় আসে না। আসলে মেহেদির রং নির্ভর করে ত্বকের ধরন, স্কিন টোন এবং হাতের টেক্সচারের ওপর। একই ব্র্যান্ডের মেহেদি ব্যবহার করলেও একেকজনের হাতে রং একেক রকম দেখা দেয়। গাঢ় রং পেতে চাইলে প্রাকৃতিক উপায় ও কিছু ছোট টিপস মেনে চলা ভালো।

আসুন জেনে নেওযা যাকমেহেদির রং গাঢ় করার উপায়গুলো কী কী-

১. লেবু ও চিনি ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করতে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো লেবু ও চিনি। এক কাপ পানি গরম করুন এবং এতে চিনি মিশিয়ে ঘন করে নিন। ঠান্ডা হলে এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। মেহেদি শুকিয়ে গেলে এই মিশ্রণটি হাতে লাগালে রং গাঢ় হবে।

২. লবঙ্গের ধোঁয়া
মেহেদির রং গাঢ় লাল করতে লবঙ্গ ব্যবহার করতে পারেন। মেহেদি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার পর এবং নকশা থেকে শুকনো মেহেদি তুলে ফেলার পর (পানি ব্যবহার ছাড়া) লবঙ্গের ধোঁয়া বা ভাপ ব্যবহার করুন। একটি প্যানে কয়েক টুকরো লবঙ্গ নিয়ে ভালোভাবে গরম করুন। ধোঁয়া উঠতে শুরু করলে হাত প্যানের উপরে রাখুন। হিট যতক্ষণ সহনীয় মনে হয়, ততক্ষণ হাত রাখুন। এতে মেহেদির রং গাঢ় লাল হবে।এছাড়া দুই হাতে লবঙ্গের তেল মেখেও রং আরও উজ্জ্বল ও দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।

আরও পড়ুন

৩. পানি সীমিত করা
মেহেদি তুলে ফেলার পর অতিরিক্ত পানি ব্যবহার রঙের উপরের লেয়ার ঝরিয়ে দিতে পারে। তাই অন্তত ২৪ ঘণ্টা হাতে খুব বেশি পানি লাগানো থেকে বিরত থাকুন।

৪. অ্যাসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার
রোজমেরি, ইউক্যালিপটাস মতো অ্যাসেনশিয়াল অয়েল মেহেদির রং গাঢ় করতে বেশ ভালো কাজ করে। তাই মেহেদি শুকিয়ে গেলে কয়েক ফোঁটা অ্যাপ্লাই করুন।

৫. নারিকেল তেল
মেহেদির রং গাঢ় করতে নারিকেল তেল চমৎকার কাজ করে। এটা মেহেদির রং ফিকে হয়ে যাওয়া এড়াতে সাহায্য করে। আর্দ্রতা ধরে রেখে রং দীর্ঘস্থায়ী করতে নারিকেল তেল সহায়ক।

ন্যাচারালি মেহেদি শুকানো
মেহেদি পরার পরে অনেকেই হেয়ার ড্রায়ারের সাহায্য নেন। কিন্তু এতে ডিজাইন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং রংও সমানভাবে আসে না। তাই যতই ব্যস্ত থাকুন, মেহেদি ন্যাচারালি শুকিয়ে নিন। এটি রঙকে গাঢ় করার জন্য সবচেয়ে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায়।

কার্যকরী টিপস
বাজারে পাওয়া টিউব মেহেদির পরিবর্তে বাড়িতে মেহেদি বেটে নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
খুব ঘন বা জাঁকজমকপূর্ণ ডিজাইনের দরকার নেই, সাধারণ স্টাইলও সুন্দর দেখাবে।

মেহেদি পরে রাতে ঘুমানোর আগে হালকা কভার বা মোজা ব্যবহার করতে পারেন, যাতে ডিজাইন ছিঁড়ে না যায়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পীদের হাত ধরে বদলেছে রান্নার কৌশল, জনপ্রিয় হয়েছে বিভিন্ন দেশের খাবার, তৈরি হয়েছে নতুন স্বাদের ধারণা। তাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ