ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

ক্লিন গার্ল বিউটিতে মজেছে সোশ্যাল মিডিয়া

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌন্দর্যের এক নতুন ট্রেন্ড নিয়ে এখন বেশ আলোচনা চলছে। ভারী মেকআপ বা কৃত্রিম সাজ নয়, বরং স্বাভাবিক, সতেজ ও পরিচ্ছন্ন লুকই পাচ্ছে বেশি জনপ্রিয়তা। এই ট্রেন্ডকেই বলা হচ্ছে ক্লিন গার্ল বিউটি। সহজভাবে বললে, মুখে মেকআপ আছে কি নেই তা যেন বোঝাই যায় না। কিন্তু ত্বক দেখাবে উজ্জ্বল, সতেজ ও যত্নে ভরা।

বর্তমান সময়ে তরুণীদের মধ্যে এই ট্রেন্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকেই বলছেন, অতিরিক্ত প্রসাধনের যুগ পেরিয়ে এখন সৌন্দর্যে ফিরে আসছে স্বাভাবিকতা। তবে এটি মোটেও এলোমেলো লুক নয়। বরং যত্নে গড়া একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি সৌন্দর্যের ধরন।

কম প্রসাধনেই বেশি সৌন্দর্য

এই ট্রেন্ডের মূল ধারণা হলো, কমেই বেশি। ভারী ফাউন্ডেশন, গাঢ় রঙের মেকআপ বা অতিরিক্ত সাজগোজের বদলে ব্যবহার করা হয় হালকা প্রসাধন। মুখে দেওয়া হয় হালকা বেস, সামান্য আভা, হালকা ঠোঁটের রং এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। লক্ষ্য থাকে মুখের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা। অর্থাৎ মুখ ঢেকে দেওয়া নয়, বরং স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলা।

ত্বকের যত্নই আসল রহস্য

এই সৌন্দর্য ধারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ত্বকের যত্ন। উজ্জ্বল, আর্দ্র এবং স্বাস্থ্যকর ত্বকই এই লুকের মূল ভিত্তি। তাই নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখা, ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং সঠিকভাবে পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক বিশেষজ্ঞই বলছেন, এই ধরণের লুক পেতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয় দৈনন্দিন ত্বক পরিচর্যার অভ্যাসে। এখানে প্রসাধন কেবল সামান্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আসল সৌন্দর্য আসে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা থেকেই।

আরও পড়ুন

চুল ও পোশাকেও থাকে সরলতা

এই ধারা শুধু মুখের সাজে সীমাবদ্ধ নয়। চুলের সাজ ও পোশাকেও থাকে সরলতা এবং পরিপাটি ভাব। সাধারণত চুল রাখা হয় সুন্দর করে বাঁধা খোঁপা, পনিটেল বা পরিপাটি স্টাইলে। পোশাকেও থাকে হালকা ও শান্ত রঙের ব্যবহার। যেমন সাদা, হালকা বাদামি বা নরম রঙের পোশাক। পুরো লুকটিকে তাই দেখায় পরিষ্কার, মার্জিত এবং পরিপাটি।

কেন এত জনপ্রিয় এই ট্রেন্ড?

এই ট্রেন্ড জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বিভিন্ন তারকা ও জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতারা নিয়মিত এই ধরনের লুক শেয়ার করায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের মধ্যেও সৌন্দর্যের ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। তারা এখন জটিল সাজগোজের বদলে সহজ, স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর সৌন্দর্যকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

দেখতে যতই সহজ মনে হোক, এই লুকের পেছনে রয়েছে নিয়মিত যত্ন, ত্বকের পরিচর্যা এবং সচেতন জীবনধারা। তাই অনেকেই বলছেন, এটি আসলে এমন এক সৌন্দর্য, যা কম প্রসাধনে নয়, বরং বেশি যত্নে তৈরি হয়।

আরটিভি/ জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের কলাই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে পাকার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কলার শর্করা, স্বাদ, গঠন ও হজমের ওপর প্রভাবের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে।
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
ফলের মধ্যে আপেল বেশ জনপ্রিয়। সুস্বাদু এই ফলটি লাল, সবুজ ও হলুদসহ বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি আপেলের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, নানা জাত ও পরিবেশগত গুরুত্ব। এসব বৈচিত্র্য তুলে ধরতে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর পালিত হয় অ্যাপল ডে, যা ন্যাশনাল অ্যাপল ডে নামেও পরিচিত। অ্যাপল ডে কী ও কেন পালিত হয়? অ্যাপল ডে শুধু আপেল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। আপেলের বিভিন্ন জাতের পরিচিতি বাড়ানো, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সচেতনতা তৈরিও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বাজারে সাধারণত কয়েক ধরনের আপেল বেশি দেখা গেলেও বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার জাত। এসব আপেলের রং, আকার, স্বাদ ও গন্ধে রয়েছে ভিন্নতা। দিবসটি মানুষকে আপেলের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে উৎসাহিত করে। এ ছাড়া ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আপেল দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রকৃতি ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। অ্যাপল দিবসের ইতিহাস অ্যাপল দিবসের সূচনা হয় ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে। পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড (Common Ground) ওই বছরের ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দিবসটি আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনের পুরোনো অ্যাপল মার্কেটে অনুষ্ঠিত প্রথম আয়োজনে প্রায় ৪০টি স্টলে বিভিন্ন জাতের আপেল, আপেলগাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এতে আপেল নিয়ে কাজ করা লেখক ও চিত্রকররাও অংশ নেন। যুক্তরাজ্যে ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাতের পরিচিতি হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন শহর, গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে অ্যাপল দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের প্রদর্শনী, ফলের স্বাদ গ্রহণ, রান্নার আয়োজন এবং বাগান পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আপেল সম্পর্কে ৬টি মজার তথ্য ১. বিশ্বে আপেলের হাজার হাজার জাত রয়েছে আপেল বলতে শুধু লাল বা সবুজ ফলকেই বোঝায় না। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বে আপেলের ৭ হাজার ৫০০টিরও বেশি জাত রয়েছে। জাতভেদে এসব আপেলের স্বাদ, রং, আকার ও ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায়। ২. আপেল পানিতে ভাসে আপেলের ভেতরের প্রায় ২৫ শতাংশ জায়গা বাতাসে পূর্ণ। এ কারণে আপেলের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হওয়ায় এটি সাধারণত পানিতে ভেসে থাকে। ৩. আপেল ও গোলাপ একই পরিবারের আপেল ও গোলাপ দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও উদ্ভিদবিজ্ঞানে এরা একই পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের নাম রোজেসি (Rosaceae)। নাশপাতি, পিচ ও বরইও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ৪. আপেলের আদি উৎস মধ্য এশিয়া গৃহপালিত আপেলের উৎপত্তির ইতিহাস মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে বর্তমান কাজাখস্তান অঞ্চলে পাওয়া বুনো আপেলকে আধুনিক আপেলের পূর্বপুরুষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ৫. আপেল দিয়ে তৈরি হয় নানা খাবার সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি আপেল দিয়ে জুস, জ্যাম, পাই, কেক, সালাদ ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল থেকে সাইডারও তৈরি করা হয়। ৬. আপেল দিবসে থাকে নানা আয়োজন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আপেলের জাত চেনা, ফলের রস তৈরি, আপেল দিয়ে রান্না, বাগান পরিচর্যা এবং শিশুদের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন জাতের আপেল শনাক্ত করতেও সহায়তা করেন। আপেলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা আপেল খাদ্যআঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। এতে থাকা খাদ্যআঁশ হজমে সহায়তা করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আপেল খাওয়া হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। তবে শুধু আপেল খেয়ে শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা প্রয়োজন। আপেল খাওয়ার আগে পরিষ্কার প্রবাহমান পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়াও জরুরি। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপেল দিবসের গুরুত্ব জাতীয় আপেল দিবস একটি ফলকে কেন্দ্র করে পালিত হলেও এর গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। আপেলের বৈচিত্র্য রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেয় এই দিবস। ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ প্রতিবছর ২১ অক্টোবর মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, একটি ফলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কৃষি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির দীর্ঘ সম্পর্ক। আরটিভি/এসকে
আজ জাতীয় আপেল দিবস, জানুন ইতিহাস ও আপেলের ৬ মজার তথ্য
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পীদের হাত ধরে বদলেছে রান্নার কৌশল, জনপ্রিয় হয়েছে বিভিন্ন দেশের খাবার, তৈরি হয়েছে নতুন স্বাদের ধারণা। তাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস আজ 
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
ধূমপান ও নিকোটিন ব্যবহারের প্রবণতা ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও ইলেকট্রনিক সিগারেটের ক্ষেত্রে বদলে যাচ্ছে সেই চিত্র।
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
আরও পড়ুন
১৮ বছরের আগেই বাল্যবিয়ের শিকার দেশের অর্ধেক মেয়ে: ইউনিসেফ
ছেলেদের তুলনায় বেশি ভেপিং করছে মেয়েরা, বলছে গবেষণা 
মাদারীপুরের মেয়ের প্রেমে পাল্টে গেলেন চীনা যুবক, বিয়ে করতে চান ‘কালেমা পড়ে’
ক্রিকেটে নতুন ফরম্যাট, একই দলে খেলবেন ছেলে-মেয়ে ক্রিকেটাররা