ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিদিন ১৫ মিনিটের বিরক্তিই আনতে পারে দারুণ আইডিয়া!  

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই মনে করেন বিরক্তি বা একঘেয়েমি মানেই অলসতা বা সময় নষ্ট। কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে ঠিক উল্টো কথা। প্রতিদিন কিছু সময় বিরক্ত থাকলে মানুষের মাথায় নতুন ও সৃজনশীল ধারণা আসতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ডিজিটাল যুগে মানুষ এক মুহূর্তও একঘেয়ে থাকতে চায় না। বাসের জন্য অপেক্ষা করা, লিফটের সামনে দাঁড়ানো বা একটু ফাঁকা সময় পেলেই আমরা মোবাইল ফোনে ডুবে যাই। ফলে মস্তিষ্ক কখনোই বিশ্রাম বা স্বাধীনভাবে ভাবার সুযোগ পায় না।

গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ যদি আগে খুব একঘেয়ে বা বিরক্তিকর কোনো কাজ করেন। এরপর সৃজনশীল কিছু ভাবতে বসলে অন্যদের তুলনায় বেশি নতুন ও অভিনব ধারণা বের করতে পারেন। কারণ তখন মস্তিষ্ক বাইরের কোনো উদ্দীপনা না পেয়ে নিজের ভেতরেই নতুন চিন্তা খুঁজতে শুরু করে। এখান থেকেই জন্ম নেয় নতুন আইডিয়া।

আরও পড়ুন

গবেষকেরা আরও জানান, যখন আমাদের করার মতো নির্দিষ্ট কিছু থাকে না। তখন মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশ সক্রিয় হয়। যাকে বলা হয় ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ক। এই অবস্থায় মানুষ নিজের জীবন, সুখ, লক্ষ্য কিংবা বড় বড় প্রশ্ন নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পারে। কিন্তু বিরক্ত লাগলেই যদি আমরা মোবাইল ফোনে ডুবে যাই, তখন এই চিন্তার প্রক্রিয়া থেমে যায়। এতে ধীরে ধীরে মনোযোগ কমে যাওয়া, উদ্বেগ বা বিষণ্নতার মতো সমস্যাও বাড়তে পারে।

তাই গবেষকদের পরামর্শ, প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট নিজেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিরক্ত থাকতে দিন। এই সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে চুপচাপ হাঁটতে পারেন, গাড়ি চালাতে পারেন বা শুধু নিজের চিন্তার সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।

গবেষকদের মতে, এই ছোট অভ্যাসই মানুষের মধ্যে নতুন আইডিয়া তৈরি করতে সাহায্য করবে। মনোযোগ বাড়াবে এবং জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা দেবে।

হয়তো পরেরবার লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করার সময় একটু বিরক্ত থাকলেই মাথায় চলে আসতে পারে জীবনের সেরা কোনো ধারণা।

সূত্র: সাইকোলজি টুডে


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ঈদ উপহারের ২০ আইডিয়া