ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ইমিগ্রেশনের সময় যে ৭ কথা বললেই মহাবিপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশ ভ্রমণ অনেকের কাছেই জীবনের বড় স্বপ্ন। কিন্তু বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার মুহূর্তটা অনেক সময় হয়ে ওঠে সবচেয়ে দুশ্চিন্তার। প্রয়োজনীয় সব নথি ঠিকঠাক থাকলেও সামান্য ভুল বা অসচেতন কোনো উত্তর যাত্রীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত থাকেন। তারা সহজেই যাত্রীর কথায় অসঙ্গতি, দ্বিধা বা সন্দেহজনক কিছু টের পেয়ে যান। ফলে ভুল সময়ে ভুল কথা বললে প্রবেশ জটিল হয়ে যেতে পারে, অপ্রয়োজনে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে, এমনকি দেশে ফেরত পাঠানোও হতে পারে। তাই বিদেশ ভ্রমণের সময় ইমিগ্রেশন ডেস্কে কী বলা উচিত নয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপ্রয়োজনীয় বা অস্পষ্ট উত্তর না দিয়ে সব প্রশ্নের জবাব দিন সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট ও ভদ্রভাবে। বিশেষ করে প্রথমবার বিদেশ যাত্রার সময় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া ভালো।

এখানে তুলে ধরা হলো ইমিগ্রেশনের সময় ভুলেও না বলার মতো ৭টি কথা—

১. আমি জানি না কোথায় থাকব

পরিকল্পনার অভাব ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে বড় প্রশ্ন তুলে দেয়। তাই থাকার জায়গার স্পষ্ট প্রমাণ রাখতে হবে। হোটেল বুকিং, এয়ারবিএনবি ঠিকানা বা আত্মীয়ের বাসার তথ্য লিখিতভাবে সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনে ক্যানসেলযোগ্য বুকিং করলেও সেটি প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায়।

আরও পড়ুন

২. আমি শুধু অনলাইনে পরিচিত এক বন্ধুকে দেখতে এসেছি

এটি শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও অনেক সময় গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ, ইমিগ্রেশন অফিসাররা খুবই সন্দেহ করেন এমন সম্পর্ক নিয়ে। তাই স্পষ্টভাবে বলুন যে আপনি কোনও ‘বন্ধু’ বা ‘আত্মীয়’-র সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন এবং তাদের সম্পূর্ণ ঠিকানা প্রস্তুত রাখুন। যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে অতিরিক্ত তথ্য ভাগ না করে প্রসঙ্গটি বলুন।

৩. আমার ফিরতি টিকেট নেই

ফিরতি টিকিট না থাকলে কর্মকর্তারা ধারণা করতে পারেন যে, আপনি দেশটিতে অবৈধভাবে থেকে যাবেন। তাই অন্তত একটি রিফান্ডযোগ্য ফিরতি টিকিট সঙ্গে রাখুন। এটি আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনার প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

৪. আমি এখানে কাজ করতে এসেছি

আপনার হাতে যদি ওয়ার্ক ভিসা না থাকে, তবে কাজ করতে এসেছেন বলাটা বিপজ্জনক ভুল হতে পারে। ব্যবসায়িক সফর হলে স্পষ্টভাবে বলুন যে আপনি মিটিং, সেমিনার বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে এসেছেন। নিয়ম ভঙ্গ করলে ভিসা বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।

৫. আমি সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি বুঝে নেব

ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্পষ্ট মন্তব্য ইমিগ্রেশন অফিসারদের কাছে আপনার অপ্রস্তুতি তুলে ধরে। আপনি যদি নির্দিষ্ট গন্তব্যও না জানেন, তবুও অন্তত একটি সাধারণ পরিকল্পনা তাদের সামনে তুলে ধরুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি কোথায় যাবেন, কী কী স্থানে ভ্রমণ করবেন বা কোন শহরগুলোতে যাবেন।

৬. আমার কাছে যথেষ্ট অর্থ নেই

আপনার কাছে পর্যাপ্ত টাকা নেই স্বীকার করলে বা এই প্রশ্নে ভুল করলে সন্দেহ তৈরি হবে। তাই সব সময় ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ক্রেডিট কার্ড, এমনকি প্রয়োজনে নগদ অর্থের মতো প্রমাণ বহন করুন। এসব প্রমাণাদি নিশ্চিত করে যে, আপনি আর্থিকভাবে সক্ষম এবংযে দেশে যাচ্ছেন তার ওপর বোঝা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৭. মাদক, বোমা বা অপরাধ নিয়ে মজা

এমন মজা কখনোই করবেন না। এসব শব্দ উচ্চারণ করাই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ভুল কথা বললে যে শাস্তি হতে পারে

ইমিগ্রেশনে ভুল উত্তর দিলে সরাসরি ফেরত পাঠানো নাও হতে পারে। তবে সেকেন্ডারি ইন্সপেকশনে পাঠানো, ব্যাগ তল্লাশি, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ বা ভিসা বাতিলের মতো সমস্যায় পড়তে পারেন। কাজেই সব সময় মনে রাখবেন, আপনার কথার স্পষ্টতা ও সঙ্গতিই হলো সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

সূত্র : এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীর প্যান্টে মিলল ২৪ কোটি টাকার তরল সোনা
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা