ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মাড়ির এই ৫ লক্ষণ দেখলেই সাবধান, না হলে দাঁত হারানোর ঝুঁকি!

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ১১:০৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মুখের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে পুরো শরীরেই তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাড়ির রোগ একটি সাধারণ সমস্যা হলেও শুরুতেই ধরতে না পারলে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেকেই বুঝতেই পারেন না যে তাদের মাড়িতে সমস্যা শুরু হয়েছে।

গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগ সাধারণত ধীরে ধীরে বাড়ে এবং শুরুতে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দেয়। যেগুলোকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

সবচেয়ে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। দাঁত ব্রাশ করার সময় বা খাবার খাওয়ার পর যদি বারবার রক্ত পড়ে, তবে তা মাড়ির প্রদাহের ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় ভুলভাবে ব্রাশ করা বা অন্য শারীরিক সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে, তবে বারবার হলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

দ্বিতীয় লক্ষণ হলো মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া বা স্পর্শ করলে ব্যথা অনুভব করা। এটি সাধারণত মাড়িতে জীবাণু ও ময়লা জমে প্রদাহ তৈরি হলে ঘটে।

আরও পড়ুন

তৃতীয় লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে মাড়ি সরে যাওয়া। এতে দাঁতের গোড়া বেশি দেখা যায় এবং দাঁতের চারপাশে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

চতুর্থ লক্ষণ হলো দাঁতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা। ঠান্ডা বা গরম খাবার খেলে দাঁতে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভূত হলে তা মাড়ির সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

পঞ্চম লক্ষণ হলো মুখে দুর্গন্ধ বা অস্বাভাবিক স্বাদ থাকা। মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া জমে গেলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। যা অনেক সময় মাড়ির রোগের কারণে হয়ে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলো শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে মাড়ির রোগ অনেক সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু অবহেলা করলে তা দাঁত ক্ষয়, হাড় ক্ষয় এমনকি দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত দাঁতের যত্ন, সঠিকভাবে ব্রাশ করা এবং প্রয়োজনীয় সময় ডেন্টাল চেকআপ করাই মাড়ির রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

মুখের ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় বিপদের আগাম সতর্ক সংকেত হতে পারে। তাই এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
সম্পর্ক শেষ হয়েছে অনেক দিন আগে। জীবনও নিজের মতো এগিয়ে চলছে। আপনি জানেন, মানুষটি আপনার জন্য সঠিক ছিলেন না।
ভুল মানুষ, তবুও বারবার প্রাক্তনকে মনে পড়ে কেন
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একসময় চুল পড়া বা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হতো। তবে বর্তমানে অনেক তরুণের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ থেকে চুল সরে যাওয়া কিংবা মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
অল্প বয়সেই চুল পড়া কিসের লক্ষণ
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
হঠাৎ বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব হলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এটি হৃদরোগের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
একা বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে যা করবেন 
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। কেউ দ্রুত ফল পেতে চান, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চান।
ওজন কমাতে কতদিন লাগে 
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা