ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মাড়ির এই ৫ লক্ষণ দেখলেই সাবধান, না হলে দাঁত হারানোর ঝুঁকি!

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ১১:০৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মুখের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে পুরো শরীরেই তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাড়ির রোগ একটি সাধারণ সমস্যা হলেও শুরুতেই ধরতে না পারলে তা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় অনেকেই বুঝতেই পারেন না যে তাদের মাড়িতে সমস্যা শুরু হয়েছে।

গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগ সাধারণত ধীরে ধীরে বাড়ে এবং শুরুতে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দেয়। যেগুলোকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

সবচেয়ে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। দাঁত ব্রাশ করার সময় বা খাবার খাওয়ার পর যদি বারবার রক্ত পড়ে, তবে তা মাড়ির প্রদাহের ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় ভুলভাবে ব্রাশ করা বা অন্য শারীরিক সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে, তবে বারবার হলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

দ্বিতীয় লক্ষণ হলো মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া বা স্পর্শ করলে ব্যথা অনুভব করা। এটি সাধারণত মাড়িতে জীবাণু ও ময়লা জমে প্রদাহ তৈরি হলে ঘটে।

আরও পড়ুন

তৃতীয় লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে মাড়ি সরে যাওয়া। এতে দাঁতের গোড়া বেশি দেখা যায় এবং দাঁতের চারপাশে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

চতুর্থ লক্ষণ হলো দাঁতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা। ঠান্ডা বা গরম খাবার খেলে দাঁতে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভূত হলে তা মাড়ির সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

পঞ্চম লক্ষণ হলো মুখে দুর্গন্ধ বা অস্বাভাবিক স্বাদ থাকা। মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া জমে গেলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। যা অনেক সময় মাড়ির রোগের কারণে হয়ে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলো শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে মাড়ির রোগ অনেক সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু অবহেলা করলে তা দাঁত ক্ষয়, হাড় ক্ষয় এমনকি দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত দাঁতের যত্ন, সঠিকভাবে ব্রাশ করা এবং প্রয়োজনীয় সময় ডেন্টাল চেকআপ করাই মাড়ির রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

মুখের ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় বিপদের আগাম সতর্ক সংকেত হতে পারে। তাই এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে