ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

হার্ট সুস্থ রাখে যেসব চা

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

হার্টের যত্ন নেওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি স্বাস্থ্য অভ্যাসগুলোর একটি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ হৃদরোগ এখন বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। তাই দৈনন্দিন জীবনে ছোট কিছু অভ্যাসই বড় সুরক্ষা দিতে পারে।

গবেষণা বলছে, কিছু নির্দিষ্ট চা পান হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে সবুজ চা, কালো চা এবং কিছু ভেষজ চা শরীরের জন্য উপকারী বলে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব চায়ে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্ত চলাচল উন্নত করা এবং হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে ভূমিকা রাখে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চা পানকারীদের হৃদরোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। এমনকি কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন চা পান করলে হৃদযন্ত্রজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

ভেষজ চায়ের মধ্যে পুদিনা চা, জিনসেং চা, জবা চা, রুইবোস চা, চায়না গোলাপ চা, তিব্বতি চা ও বিশেষ কিছু উদ্ভিদভিত্তিক চা শরীরের চাপ কমাতে সহায়তা করে। এগুলো মানসিক চাপ কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে বলে ধারণা করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালো চায়ে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড নামের উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং রক্তনালীর স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে সতর্কতাও রয়েছে। অতিরিক্ত চা পান করলে ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিত মাত্রায় চা পান করাই ভালো।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, দিনে দুই থেকে তিন কাপ হৃদয়বান্ধব চা পান করা উপকারী হতে পারে। তবে এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অংশ।

তাই সঠিক ধরনের চা ও পরিমিত অভ্যাস হৃদয়কে সুস্থ রাখতে একটি সহজ ও প্রাকৃতিক সহায়ক হতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অল্পতেই রাগ আর বিরক্তি, জানুন নেপথ্যের কারণ
অনেক নারীদের সবসময় বিরক্তি, রাগ বা সামান্য বিষয়েও অস্থির হয়ে ওঠাকে অনেক সময় বদমেজাজ বা খারাপ স্বভাব বলে মনে করা হয়।
অল্পতেই রাগ আর বিরক্তি, জানুন নেপথ্যের কারণ
সঙ্গী ছেড়ে যাওয়ার ভয়? এই ৫ আচরণে মিলবে উত্তর
ও কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে? কিংবা একদিন কি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে?
সঙ্গী ছেড়ে যাওয়ার ভয়? এই ৫ আচরণে মিলবে উত্তর
সুস্থ থাকতে আজ থেকেই বদলান এই ১৭ অভ্যাস
সুস্থ থাকতে শুধু অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়াই যথেষ্ট নয়, প্রতিদিনের জীবনযাপনেও কিছু ভালো অভ্যাস তৈরি করা জরুরি।
সুস্থ থাকতে আজ থেকেই বদলান এই ১৭ অভ্যাস
কলা রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কি না, বুঝবেন যেভাবে
প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কলা রাখেন অনেকেই। পুষ্টিগুণের কারণে নিয়মিত কলা খাওয়ার অভ্যাসও রয়েছে অনেকের।
কলা রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কি না, বুঝবেন যেভাবে
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে আর নারীদের বাম দিকে কেন থাকে? এ বিষয়ে কি কখনো ভেবে দেখেছেন? এ বিষয়ে অবশ্য কেউই তেমন নিশ্চিত নন। তবে অনেক ইতিহাসবিদের ধারণা, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে থাকার কারণ হলো পোশাকে অস্ত্র রাখার ব্যবস্থার মাধ্যমেই এ ঘটনার চল হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ইতিহাসবিদ ড. ক্লো চ্যাপিন টাইমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানান, পুরুষের পোশাকের বোতাম ডান দিকে থাকার এই শৈলী সামরিক বাহিনী থেকে আসতে পারে। শার্টে বন্দুক লুকানো থাকলে এক্ষেত্রে হাত দ্রুত পৌঁছানো সহজ। বোতামগুলো ডানদিকে থাকলে ডান হাতটি শার্ট বা জ্যাকেটে আরও সহজভাবে ঢুকিয়ে বের করা যায়। আবার কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, তরবারি রাখার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোবের পল কিয়ার্স গার্ডিয়ানকে জানান, বেশিরভাগ মানুষই তলোয়ার সব সময় বাম দিকে পরিধান করেন, যাতে এটি ডান হাতে ধরা যায় সহজেই।’ বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা জানিয়েছেন, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে হওয়ার কারণ হলো অস্ত্র সম্পর্কিত। অর্থাৎ শার্টের বোতাম ডানপাশে হলে অস্ত্র বাম পাশে রাখলে ডান হাত দিয়ে তা সহজেই বের করা যায়। তাহলে নারীদের পোশাকের বোতাম বাম দিকে কেন? শার্ট ব্র্যান্ড এলিজাবেথ ও ক্লার্কের প্রতিষ্ঠাতা মেলানি মুরের মতে, ১৩ শতকে যখন বোতাম আবিষ্কৃত হয়েছিল, তখন ধনী নারীদের পোশাক বেশ ভারি হত। বিশেষ করে ওই সময় ধনী নারীরা দাসীর সাহায্য ছাড়া নিজেরা পোশাক পরতে পারতেন না। সেক্ষেত্রে পোশাকের বোতাম লাগানোর কাজও দাসীরাই সারতেন। এজন্য বাম পাশে বোতাম লাগানো হত, যাতে সেগুলো সহজেই লাগাতে পারেন দাসীরা। তখন থেকেই হয়তো এটি ধারণা প্রচলিত। আরেকটি তত্ত্ব হলো, বেশিরভাগ নারীই বাম হাতে বাচ্চাদের ধরেন। এক্ষেত্রে যাতে তাদের বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হয় এজনই শার্টের বোতাম বাম দিকে রাখা হয়। যাতে জরুরি মুহূর্তে তারা সহজেই বোতাম খুলতে পারেন। তবে অতীতের এই ধারণাকে এখন তোয়াক্কা করেন না বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থা। এখন নারীদের শার্টের বোতামও ডান দিকে রাখা হয়। সূত্র: ইনসাইডার/টাইম/গার্ডিয়ান আরটিভি/এসআর
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
আরও পড়ুন
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
আজকের ‘হারভেষ্ট মুন’ উপভোগ করছেন তো?
বর্জ্যের বিনিময়ে খাবার-গাছ দিলো ‘ক্লিন চাঁদপুর’
নিউইয়র্কে সরকারি চাকরি, আবেদন অক্টোবর পর্যন্ত