ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

কোরবানির পর যেসব ভুল করলেই ছড়াবে দুর্গন্ধ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির আনন্দের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় পরিচ্ছন্নতা। পশু জবাইয়ের পর সঠিকভাবে বর্জ্য পরিষ্কার না করলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকা জুড়ে। এতে যেমন পরিবেশ দূষণ হয়, তেমনি বাড়ে নানা রোগের ঝুঁকিও। তাই কোরবানির পর ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরবানির জন্য এমন স্থান বেছে নেওয়া উচিত, যেখান থেকে সহজেই বর্জ্য সরানো যায়। রাস্তার ওপর বা চলাচলের জায়গায় পশু জবাই না করাই ভালো। কয়েকজন মিলে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি করলে পরিষ্কার করাও সহজ হয়।

পশু জবাইয়ের পর প্রথমেই রক্ত পরিষ্কার করতে হবে। রক্ত পুরোপুরি ঝরে গেলে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। পরে জীবাণুনাশক বা চুন ছিটিয়ে দিলে দুর্গন্ধ অনেকটাই কমে যায়।

পশুর নাড়িভুঁড়ি, হাড় বা উচ্ছিষ্ট খোলা জায়গায় ফেলে রাখা যাবে না। এগুলো দ্রুত পচে ভয়াবহ দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়া বা নির্দিষ্ট ময়লার স্থানে ফেলে দেওয়াই উত্তম।

আরও পড়ুন

কোরবানির চামড়াও দীর্ঘ সময় ফেলে রাখা ঠিক নয়। যত দ্রুত সম্ভব এতিমখানা, মাদরাসা বা নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিতে হবে। কারণ চামড়া জমে থাকলে পরিবেশ নষ্ট হয়।

মাংস বাড়িতে নেওয়ার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। রক্ত যেন সিঁড়ি, উঠান বা লিফটে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নইলে কয়েকদিন পর্যন্ত দুর্গন্ধ থেকে যায়।

ঘরের ভেতরে মাংস কাটার আগে মেঝেতে পাটি বা মোটা প্লাস্টিক বিছিয়ে নেওয়া ভালো। কাজ শেষে গরম পানি ও পরিষ্কারক দিয়ে পুরো জায়গা ধুয়ে ফেলতে হবে। ছুরি, বটি ও অন্যান্য সরঞ্জামও ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখতে হবে।

দুর্গন্ধ কমাতে ব্লিচিং পাউডার, চুন, লেবু, লবঙ্গ বা কমলার খোসা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ঘরের ভেতরের দুর্গন্ধ অনেকটাই দূর হয়।

পরিচ্ছন্ন কোরবানি শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, বরং ইসলামের সৌন্দর্যও তুলে ধরে। তাই কোরবানির আনন্দের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
২৮ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য ডাম্পিং করেছে ডিএসসিসি
সরেজমিনে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকায় পশু কোরবানির পর চলছে বর্জ্য অপসারণ
কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক