ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

মধু কি কাশির জন্য উপকারি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মধুর অনেক গুণ। অনেক ধরনের অসুখ সারাতে এটি কাজ করে। কাশির জন্য মধু দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্ভরযোগ্য ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, কিন্তু এটি কি আসলেই কাশি সারাতে সাহায্য করে? এই প্রাকৃতিক মিষ্টিটি কাশির উপসর্গ থেকে আরাম দিতে পারে কি না এবং এটি ব্যবহারের সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী, সে সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

কাশি সারাতে কি মধু ব্যবহার করা যায়?

কাশির প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে মধু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণাও ইঙ্গিত দেয় যে এটি উপসর্গ থেকে আরাম দিতে কার্যকর হতে পারে, বিশেষ করে হালকা ঊর্ধ্ব শ্বাসনালীর সংক্রমণের ক্ষেত্রে। এর ঘন, আঠালো গঠন গলাকে আবৃত করে ও আরাম দেয়, যা কাশির কারণ হতে পারে এমন অস্বস্তি কমিয়ে দেয়। মধুর মধ্যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা এর আরামদায়ক প্রভাবে অবদান রাখতে পারে।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, মধু রাতের কাশির তীব্রতা মাতে পারে। এটি সাধারণ সর্দিতে আক্রান্ত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের মানও উন্নত করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গ উপশমের জন্য এটি দোকানে পাওয়া যায় এমন কিছু কাশির ওষুধের মতোই বা তার চেয়েও ভালো কাজ করেছে। এর ফলে অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণ কাশির জন্য একটি সহজ ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে মধুর সুপারিশ করে থাকেন।

আরও পড়ুন

কাশি নিরাময়ে সঠিক উপায়ে মধু খাওয়ার কিছু কৌশল

* ঘুমানোর আগে মধু খেলে তা বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে।
* এক বা দুই চা চামচ মধু সরাসরি খান।

* মধু গরম পানি, দুধ বা ভেষজ চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি গলার অস্বস্তি কমাতে এবং সাময়িক আরাম দিতে সাহায্য করতে পারে।

মধু কাশির মূল কারণ, যেমন ভাইরাল সংক্রমণ, অ্যালার্জি, হাঁপানি বা ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুস্থতার চিকিৎসা করে না। এটি মূলত শরীর সেরে ওঠার সময় উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও, এক বছরের কম বয়সী শিশুদের কখনোই মধু দেওয়া উচিত নয়, কারণ এতে ইনফ্যান্ট বোটুলিজম নামক একটি বিরল কিন্তু গুরুতর রোগের ঝুঁকি থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদেরও পরিমিত পরিমাণে মধু খাওয়া উচিত, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
লিচুবাগানে মিলল ১০৩ ককটেল
সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
নিউইয়র্কে একাধিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এফবিআইয়ের অভিযান, বড় জালিয়াতির তদন্ত
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৩৬৬