ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

জিভের খেলায় মেতে ওঠার দিন আজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ এএম
কঠিন শব্দের বাক্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে উচ্চারণের মজার প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠার দিন আজ। ছবি: সংগৃহীত

কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ জিভ জড়িয়ে যাওয়া কিংবা একই ধরনের কঠিন শব্দ দ্রুত উচ্চারণ করতে গিয়ে বারবার ভুল করা—এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই আছে। কখনো নিজের ভুলেই হাসি পায়, আবার কখনো বন্ধুদের সঙ্গে শুরু হয় কে কত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে বলতে পারে, সেই প্রতিযোগিতা। ভাষার এই মজার খেলাই পরিচিত জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য নামে। হাসি, আনন্দ আর উচ্চারণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রতিবছর নভেম্বরের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয় আন্তর্জাতিক জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য দিবস। ২০২৬ সালে আজ ৮ নভেম্বর পালিত হচ্ছে দিবসটি।

কেন পালিত হয় এই দিবস?

জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য মূলত এমন কিছু শব্দের সমষ্টি, যেগুলো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে উচ্চারণ করা বেশ কঠিন। একই রকম ধ্বনি কিংবা কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দ বারবার থাকায় দ্রুত বলতে গেলে জিভ জড়িয়ে যায়। ফলে সহজ বাক্যও হয়ে ওঠে কঠিন এক পরীক্ষা।

ইংরেজি ভাষার বহুল পরিচিত একটি বাক্য হলো ‘পিটার পাইপার পিকড আ পেক অব পিকলড পেপারস’। বাক্যটি দ্রুত কয়েকবার বলার চেষ্টা করলেই বোঝা যায়, কতটা কঠিন এই খেলা!

আন্তর্জাতিক জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো ভাষার এই মজার দিকটি উপভোগ করা, উচ্চারণের দক্ষতা যাচাই করা এবং বন্ধু-পরিজনের সঙ্গে আনন্দময় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া। একই সঙ্গে কথা বলার দক্ষতা অনুশীলনেরও সুযোগ তৈরি হয় এই আয়োজনে।

যেভাবে শুরু হয়েছিল এই মজার খেলা

জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্যের ইতিহাস নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত রয়েছে। ইংরেজি ভাষার জনপ্রিয় ‘পিটার পাইপার’ ছড়াটির পেছনেও রয়েছে একটি প্রচলিত কাহিনি। ধারণা করা হয়, পিটার পাইপার নামে এক ফরাসি ব্যক্তি ছিলেন, যিনি মশলা ও সুগন্ধি উদ্ভিদের বীজ সংগ্রহের জন্য পরিচিত ছিলেন। তার জীবন নিয়ে প্রচলিত নানা গল্পের সঙ্গে এই ছড়াটির যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম কঠিন জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য হিসেবে গিনেস বিশ্ব রেকর্ডসে উল্লেখ রয়েছে ‘দ্য সিক্সথ সিক শেখস সিক্সথ শিপস সিক’ বাক্যটির। একবার দ্রুত উচ্চারণের চেষ্টা করলেই বোঝা যায়, এটি কতটা কঠিন!

যেভাবে উদযাপন করবেন দিবসটি

দিবসটি পালনের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পছন্দের জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য বেছে নিয়ে অনুশীলন করা। প্রথমে ধীরে ধীরে বাক্যটি উচ্চারণ করতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়ে নির্ভুলভাবে বলার চেষ্টা করতে পারেন।

বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজন করতে পারেন মজার প্রতিযোগিতা। কে সবচেয়ে দ্রুত ও ভুল ছাড়াই কঠিন বাক্যটি বলতে পারেন, তা নিয়ে জমে উঠতে পারে হাসি-আনন্দের আসর।

কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মীদের নিয়ে এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে। চাইলে সবাই মিলে নতুন নতুন জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য তৈরি করে একে ওপরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন।

যারা একটু বেশি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন, তারা নিজেরাই কঠিন শব্দ দিয়ে নতুন বাক্য তৈরি করে অন্যদের উচ্চারণের পরীক্ষা নিতে পারেন।

সব মিলিয়ে, ভাষার চর্চা, উচ্চারণের অনুশীলন আর নির্মল আনন্দে সময় কাটানোর দারুণ একটি উপলক্ষ আন্তর্জাতিক জিভ জড়িয়ে দেওয়া বাক্য দিবস। তাই আজ বন্ধুদের সঙ্গে মজার এই খেলায় মেতে উঠুন। দেখা যাক, কার জিভ সবচেয়ে কম জড়িয়ে যায়!

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ধনী হতে না পারার ৬ কারণ
সম্প্রতি একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মূলত ছয়টি ভুলের কারণে অনেক মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে বড় অঙ্কের সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হয় না। কী সেই ভুলগুলো? চলুন, জেনে নেওয়া যাক।
ধনী হতে না পারার ৬ কারণ
সন্তানের খিটখিটে মেজাজের শুরু গর্ভ থেকেই!
গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টির প্রভাব পড়ে গর্ভস্থ সন্তানের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এ সময় মায়ের শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি থাকলে জন্মের পর শিশুর আচরণেও তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ছয় মাস বয়সে শিশুর মধ্যে খিটখিটে মেজাজ, অস্থিরতা ও সহজে কান্নার প্রবণতা বেশি দেখা যেতে পারে। ‘ডেভেলপমেন্টাল সাইকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এ গবেষণায় ৩০০ জনের বেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীর তথ্য বিশ্লেষণ করেন গবেষকরা। গর্ভাবস্থায় খাবার ও সম্পূরক খাবারের মাধ্যমে তাদের ভিটামিন সি গ্রহণের পরিমাণ এবং মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও অবসাদের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। শিশুদের বয়স ছয় মাস হলে তাদের মা-বাবার কাছ থেকে আচরণ ও মেজাজ সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, যেসব মা গর্ভাবস্থায় তুলনামূলক কম ভিটামিন সি গ্রহণ করেছেন, তাদের সন্তানদের মধ্যে নেতিবাচক আবেগ প্রকাশের প্রবণতা বেশি। সহজে বিরক্ত হওয়া, অস্থিরতা এবং সামান্য অস্বস্তিতে কান্নাকাটির মতো আচরণ দেখা গেছে এসব শিশুর মধ্যে। গবেষকদের মতে, গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ খাবার ও পুষ্টির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ এবং পরবর্তী সময়ে আবেগ প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার সম্পর্ক থাকতে পারে। গবেষণায় ভিটামিন সি সম্পূরক গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। গবেষকদের ধারণা, ভিটামিন সি-এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে গবেষণাটি ভিটামিন সি-এর ঘাটতি ও শিশুর আচরণের মধ্যে একটি সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছে; সরাসরি কারণ প্রমাণ করেনি। তাই গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন সি সম্পূরক গ্রহণ করা উচিত নয়। আরটিভি/এসআর  
সন্তানের খিটখিটে মেজাজের শুরু গর্ভ থেকেই!
ঘুম থেকে উঠার পর শুকিয়ে যাচ্ছে মুখ, যে সংকেত দিচ্ছে শরীর
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ শুকিয়ে থাকা, জিভ আঠালো লাগা কিংবা গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।
ঘুম থেকে উঠার পর শুকিয়ে যাচ্ছে মুখ, যে সংকেত দিচ্ছে শরীর
প্রিয় টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার দিন আজ
শৈশবের কত স্মৃতিই না জড়িয়ে থাকে একটি ছোট্ট টেডি বিয়ারের সঙ্গে! কখনো ঘুমের সঙ্গী, কখনো ভয় কাটানোর বন্ধু, আবার কখনো মন খারাপের দিনে একটুখানি স্বস্তি।
প্রিয় টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার দিন আজ
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা কাজের ফাঁকে চাঙা থাকতে অনেকেই ভরসা করেন এনার্জি ড্রিংকের ওপর।
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, আটক শিক্ষক