ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৮, ০৯:০৭ এএম

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

অনেক দিন ধরেই মেয়েদের মন চুরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কত কীনা করেছেন! ফেসবুকে দিনের পর দিন ইনবক্স করে গেছেন কোনও প্রত্যুত্তর ছাড়াই। কখনও কখনও হতাশ হয়ে শুধু ফেসবুক নয়, মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। যদিও সেই সিদ্ধান্ত ২৪ ঘণ্টার জন্যও বলবৎ থাকেনি। এত কথা বলছি বলে হয়ত ভাবছেন যে এবার আপনার সব প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখবে। ভুল ভাবছেন, কথা হলো, এই সপ্তাহের কোনও একদিন আপনার মনটা চুরি হয়ে যাবে। কারও মন চুরির চেষ্টা না করলেও মেষ রাশির জাতিকাদের মন চুরির সম্ভাবনা রয়েছে বহুলাংশে।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

বিচ্ছেদ মানেই বিভেদ নয় কিন্তু বিচ্ছেদের জন্য সাময়িক হলেও প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে বিভেদ সৃষ্টি হয়-ই। এই সপ্তাহে বৃষ রাশির জাতক-জাতিকারা বিচ্ছেদ যন্ত্রণাপ্রাপ্ত হবেন। প্রকৃতির নিয়ম অনুসারেই এজন্য আপনার সবকাজে দেহযোগ থাকলেও মনোযোগ থাকবে না। অফিসের কেউ কেউ আপনার এমন পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করবেন না। ভাববার কোনও কারণ নেই। আর কিছু না পারি আপনার এই দুর্দিনে পরামর্শ নিয়ে আমি আছি পাশে। শোনেন যখন কেউ আপনাকে জ্বালাবে মুখ বন্ধ করে সহ্য করবেন না, চোখও বন্ধ করে রাখবেন।

মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

মিথুন রাশিধারীরা এমনিতেই একটু বেশি অস্থির। শুয়ে-বসে পা নাড়ানোর স্বভাব তো রয়েছেই। এই সপ্তাহে অস্থিরতার মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে কয়েকগুণ। এই অস্থিরতা শুধু জাগরণে নয়, বিদ্যমান থাকবে ঘুমেও; অফিস-রাস্তা-রুমেও। যাদের ঘুমের মাঝে হাঁটার অভ্যাস নেই, তারা এই সপ্তাহে হাঁটাহাঁটি করবে। আর যাদের ঘুমের মাঝে হাঁটার অভ্যাস আছে, তারা তো দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেবেন। বুঝতেই পারছেন যে মিথুনদের জন্য নয়, এই সপ্তাহে সতর্কতা তাদের পাশে থাকা মানুষদের জন্য।

কর্কট (২২ জুন-২২ জুলাই)

অন্যের কথা ভেবেই তো জীবনের এতগুলো বসন্ত পার করে দিলাম। ভাবছেন আমার কথা বলছি। মোটেও না। সপ্তাহজুড়ে এই কথাই ভাববেন কর্কটরা। নিজের ভাবনায় এতটাই মগ্ন থাকবেন যে বিয়ে করতে যাওয়া কর্কটরা বিয়ের লগ্ন ভুলেই যাবেন। যার সঙ্গে কথা বলার ভাবনা আর চেষ্টায় আপনার এতগুলো দিন কেটেছে, তার চিৎকারেও আপনার ভাবনা রঙ্গ হবে না ভঙ্গ।

সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

শুধু স্পষ্ট নয়, সুস্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, এই সপ্তাহে আপনার পকেট ফাঁকা নয়, টাকা-পূর্ণ। বেতনের পর ঈদ বোনাসও নিশ্চয় পেয়ে গেছেন। তবে আরকি, টাকা না উড়িয়ে খরচ করতে থাকেন। আপনার বাবা-মা প্রায়ই বলেন যে আপনি নাকি টাকা রাখতে পারেন না, উড়িয়ে দেন। এই সপ্তাহে টাকা না উড়িয়ে যা বাবদ খরচ করবেন, তা দেখিয়ে প্রমাণ করুন যে আপনি মোটেও টাকা ওড়ান না, শুধু খরচ করেন। এতো গেল সিংহদের কথা। সিংহীরা এই সপ্তাহে কমমেটিকসের জিনিসপত্র একটু বেশিই কিনবেন।

কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

স্লিম হওয়ার জন্য এতো দিন না খেয়ে, না ঘুমিয়ে থেকেছেন। না ঘুমানোর কথা কেন বললাম সেটা নিশ্চয় ভাবছেন! কারণ, স্লিম না হতে পারার চিন্তাতেই তো এতদিন আপনার কোনো রাতেই ভালোভাবে ঘুম হয়নি। এই সপ্তাহে আপনি বুঝতে পারবেন যে সত্যিই স্লিম হয়েছেন। আপনি নিশ্চয় খুব খুশি হবেন। কিন্তু আপনার বিধি বামে। আপনি স্লিম হতে গিয়ে এতটাই চিকন হয়েছেন যে এই সপ্তাহে যারা বিয়ের জন্য আপনাকে দেখতে আসবেন তারা এই কারণেই না করে দেবেন। জাতক-জাতিকা উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

তুলা রাশির মানুষ আত্মভোলা- এমন একটা জনশ্রুতি আছে। যদিও এই কথা তুলারা কখনোই মাথা পেতে মেনে নেননি। কিন্তু এই সপ্তাহে বিষয়টি আর মানা-না মানার মধ্যেই থাকবে না। মানামানির সীমানা ছাড়িয়ে তুলাদের আত্মভোলার বিষয়টি ‘দুর্বিষহভাবে’ অহরহ প্রমাণিত হবে। এমন হবে যে আপনি জামা-প্যান্ট পরে বের হবেন কিন্তু বাইরে থেকে ঘরে ফিরে সেগুলো খোলার সময় বুঝতে পারবেন যে জামা-প্যান্টের একটা বোতামও লাগাননি! আরও কী কী হতে পারে তা নিশ্চয় এতোক্ষণে ‍বুঝতে পেরেছেন।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

বৃশ্চিক, চারদিক নয়, দশদিক ভেবে ভেবে বলছি আপনার খারাপ সময় এসে গেছে। প্রচুর মিথ্যা কথা বলতে হবে আপনার। এমনকি এতোদিন গোপনে-সযতনে যে সম্পর্কের চারা গাছটির পরিচর্যা করে এসেছেন, তার কথাও অস্বীকার করে বসতে পারেন। কারণ গত সপ্তাহে আপনার ফেক ফেসবুক আইডির খবর পেয়ে গেছেন আপনার গার্লফ্রেন্ড। ভাবতে থাকেন, কাকে কী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবেন গার্লফ্রেন্ডের কাছে।

ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

ধনুকে উদ্দেশ্য করে ছোঁড়ার মতো কোনও তীর নেই এই সপ্তাহে আমার ধনুকে। প্লিজ বিষয়টি কেউ নেতিবাচকভাবে নেবেন না। আসল কথা হলো, এই সপ্তাহ নিজের মতো করে কাটাতে পারবেন ধনুরা। এই সপ্তাহে নেয়া আপনাদের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে। এমনকি ইনভেস্ট ছাড়াও পেতে পারেন ইন্টারেস্ট। হতে পারে অ্যাপ্লাই না করেই পেয়ে যাবেন চাকরি। অবশ্য এক্ষেত্রে আপনার উপায় কী হবে সেই ব্যাপারে কথা বলতে আমি নিজেই নিরুপায়। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই বিষয়টি প্রযোজ্য।

মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

এই সপ্তাহ মকর রাশির জাতিকাদের জন্য একটু বেশিই শুভ। গিফটের ছড়াছড়ি, গিফটের গড়াগড়ি ড্রয়ার-বেডে। এতোদিন যারা আপনার পেছনে লাইন-বেলাইন মেরেছেন, তাদের আপনি হতাশ করলেও তারা আপনাকে হতাশ করবেন না। আর বড় ভাই, প্রেমিক, প্রেমিক সমভাবাপন্নদের কথা অশেষভাবে উল্লেখ আর নাইবা করলাম। জাতকদের অবস্থা জাতিকাদের ঠিক বিপরীতে নয়, একেবারে বিরুদ্ধে।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

বিশ্বাস করুন, আপনাদের কথা জানাতে গিয়ে আমারই হাতের আঙুল আর কি-বোর্ডের কি-গুলো দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছে। এই সপ্তাহে প্রাপ্তবয়স্ক কুম্ভদের বেশির ভাগেরই মৃত্যু হবে। প্লিজ, কাঁদার জন্য সংবাদটি শোনার অপেক্ষা করলেও আফসোস করার জন্য আর অপেক্ষা করবেন না। নিশ্চয় এতোক্ষণে ‍সবার নচিকেতার গানটি মনে পড়ে গেছে। ‘জনতা-জনার্দন শুনে হবেন বড় প্রীত, পুরুষ মানুষ দুপ্রকার জীবিত-বিবাহিত।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

মিনমিন করে মীন, কাটাবে আর কদিন? চোখ তুলে, মুখ খুলে মনের কথা বলে দিন। এতোদিন লুকিয়ে লুকিয়ে ভালোবেসে মিলনের পরিবর্তে বিরহের রোদে শুকিয়ে শুকিয়ে তো ডায়েট কন্ট্রোল ছাড়াই স্লিম হয়ে গেলেন। এবার বলে ফেলেন। মীন রাশির জাতিকাদের বলছি। লেট করলেই দেরি হয়ে যাবে। বোকা ছেলেগুলোর ওপর ভরসা করলে ফরসা ত্বকে মরিচা ধরে যাবে। তার চেয়ে বরং নিজেরটুকু নিজেই বুঝে নেন ‘খুকু’।

কে/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
সহজ ভাষায় এটাকে বলে ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসা। আর ব্যায়ামের ভাষায় স্কোয়াট। ভেঙে বললে, চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানো। হাত দুটো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে রাখা। প্রতিদিন শরীরচর্চার সময় না পেলেও অন্তত মিনিট পাঁচেক এভাবে দাঁড়ানোর অভ্যাস আপনার শরীরে কী উপকার করতে পারে দেখে নিন- বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ শরীরচর্চার সময় না পেলেও নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক স্কোয়াট আপনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পারে। লাফানো, দৌড়ানো, হাঁটাহাঁটিতে পায়ের পেশীর যে উপকার মেলে, স্কোয়াট তার অনেকটাই পুষিয়ে দেয়। শুধু পেশীর জোর বাড়ানোই নয়, টেস্টোস্টেরন ও গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে বিশেষ কার্যকর এই ব্যায়াম। যার জেরে পেশীর বৃদ্ধি ও ভরকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। সারা শরীরে শক্তির সমান বণ্টনের ক্ষেত্রেও বিশেষ কাজ করে এই ব্যায়াম। স্কোয়াট করলে শুধু পেশীর উপকার নয় বরং হাঁটাহাঁটিতে যে পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন হয়, তার চেয়েও বেশি ফ্যাট ঝরাতে পারে এই ব্যায়াম। স্কোয়াটের ফলে যেসব মাংসপেশি সুগঠিত হয়, তার প্রতি পাউন্ডের জন্য অতিরিক্ত ৫০-৭০ ক্যালোরি বার্ন হয়। ফলে মাত্র ১০ পাউন্ড পেশী থেকেই মিলতে পারে ৫০০-৭০০ ক্যালোরি বার্ন। এই ব্যায়াম মাসখানেক করলে দৌড়ানো, লাফানো বা পরিশ্রম করার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। যারা খেলোয়াড়, তাদের ক্ষেত্রেও জোরে দৌড়াতে কিংবা বেশি লাফাতে সাহায্য করে স্কোয়াট। এই ব্যায়ামের প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হরমোন ক্ষরণ, কোষে কোষে পুষ্টিগুণ পৌঁছানোর কাজও সহজ হয়ে যায়। ফলে পেটের সমস্যা প্রতিরোধ, সারা শরীরে উপকারী বডি ফ্লুয়িড পৌঁছনোর মতো প্রয়োজনীয় জৈবিক কাজও অনেক সহজ করে তোলে এই স্কোয়াট অভ্যাস।   ডি/এসএস
প্রতিদিন ‘কাল্পনিক চেয়ারে’ বসলে যে উপকার পাবেন
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
বছরের শেষের দিকে এসে প্রতিবারই নিজের পছন্দের বইয়ের তালিকা জানান বিল গেটস। এবার এই তালিকার পাঁচটি বই সবাইকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে মাইক্রোসফট চালু করতে গিয়ে হার্ভার্ড থেকে ঝরে পড়েন গেটস। বর্তমানে তিনি পৃথিবীর শীর্ষ দানশীল ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। ফোর্বস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর বিল গেটস প্রায় ৫০টি বই পড়ার সময় পান। এরপর নিজের পছন্দের বইগুলোর তালিকা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের পড়ার পরামর্শ দেন। এবার বিল গেটস যে বইগুলো পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন- টারা ওয়েস্টওভারের 'এডুকেটেড' প্রকাশিত গ্রন্থটিতে নিজের চলমান স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন টারা ওয়েস্টওভার। বইটি সম্পর্কে ব্লগে বিল গেটস লিখেছেন, 'আমি কখনো ভাবিনি, এমন পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হবো। তিনি একজন ভালো লেখক। বইটিতে যখন আমি তাঁর শৈশব সম্পর্কে পড়ছিলাম বিষয়টি আমার মনে গভীরভাবে প্রতিফলিত হচ্ছিল। পল শেয়ারির 'আর্মি অব নান' এই বইয়ে মূলত যুদ্ধে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, এটা খুব জটিল বিষয়। কিন্তু শেয়ারি এর পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরেছেন। জন ক্যারেরিউয়ের 'ব্যাড ব্লাড' এই বইয়ে পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক জন ক্যারেরিউ মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বায়োটেক ফার্ম থেরানস'র উত্থান-পতনের ভেতরের গল্প উপস্থাপন করেছেন। 'ব্যাড ব্লাড' নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকা অনুযায়ী বেস্ট সেলার গ্রন্থ এবং এটি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে। বইটি সম্পর্কে বিল গেটস জানান, আমি যতটা আশা করেছিলাম তার চেয়েও এই গল্পটা ভালো। বইটা পড়তে শুরু করার পর এটা আমি কখনও রাখতেই পারছিলাম না। ইউভাল নোয়াহ হারিরির 'টুয়েন্টি-ওয়ান লেসনস ফর দ্য টুয়েন্টি-ফার্স্ট সেঞ্চুরি' গত আগস্টে প্রকাশিত বইটিতে ২১ শতকের চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বই সম্পর্কে বিল গেটস লিখেছেন, হারারি যা লিখেছেন তার সবকিছুরই বড় একজন ফ্যান আমি। তাঁর এই বইটিও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে পৃথিবীর অতীত ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে নজর দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যে চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবেলা করছি সে সম্পর্কে চিন্তার একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে অনেক কাজে আসবে এই বই। অ্যান্ডি পুডিকমবির 'দ্য হেডস্পেস গাইড টু মেডিটেশন অ্যান্ড মাইন্ডফুলনেস' দিনে মাত্র ১০ মিনিটের মেডিটেশনে যে অনেক উপকার পাওয়া যাবে বইটি পাঠে সে বিষয়ে জানা যাবে। 'হেডস্পেস' নামের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অ্যান্ডি পুডিকমবি মেডিটেশন ও মনোসংযোগ চর্চার সহজ ও কার্যকর কৌশলগুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। বইটি সম্পর্কে গেটস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হওয়া পর্যন্ত পুডিকমবি কীভাবে মেডিটেশন করেছেন এবং কীভাবে সঠিকভাবে মেডিটেশন করতে হয় তার ব্যাখ্যা করেছেন বইটিতে। ডি/
যে পাঁচটি বই পড়তে বলেছেন বিল গেটস
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
উপকরণ ফুলকপি ১টি (মাঝারি), হলুদের গুঁড়া প্রয়োজন মতো, মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, পাপড়িকার গুঁড়া এক চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, রসুন বাটা কোয়ার্টার চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ একটি (কুচি), ধনেপাতা দুই টেবিল চামচ, চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার দুই টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার কোয়ার্টার চা চামচ, বেসন পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য যতটুকু প্রয়োজন। প্রস্তুত প্রণালি ফুলকপি ধুয়ে কেটে নিন। খুব বেশি ছোট টুকরা করবেন না। প্যানে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। পানি গরম হলে ফুলকপির টুকরা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন প্যান। আশি শতাংশ পর্যন্ত সেদ্ধ করুন ফুলকপি। এর বেশি সেদ্ধ করবেন না। পানি ঝরিয়ে অর্ধেক অংশ নিয়ে নিন পাকোড়া তৈরির জন্য। কোয়ার্টার চা চামচ হলুদের গুঁড়া, এক চা চামচ মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পাপড়িকার গুঁড়া, কোয়ার্টার চা চামচ আদা বাটা, এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়া অথবা কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ দিয়ে মেখে নিন ফুলকপির টুকরা। পাপড়িকার গুঁড়া সুন্দর একটি স্মোকি ফ্লেভার যোগ করবে ও লালচে রঙ নিয়ে আসবে পাকোড়ায়। তবে এটি না থাকলে ব্যবহার না করলেও চলবে। অল্প করে বেসন দিয়ে মাখাতে হবে সব উপকরণ। কয়েক চা চামচ বেসন ও পানি দিয়ে এমনভাবে মাখান যেন ফুলকপির চারপাশে বেসনের কোটিং লেগে থাকে। প্যানে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভাজতে হবে পাকোড়া। মাঝারি আঁচে ভাজবেন। ডি/  
যেভাবে তৈরি করবেন ফুলকপির পাকোড়া
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
গ্যাস্ট্রিকের কারণে অনেকেই মারাত্মক সমস্যায় পড়েন। ঠিকমতো কোনও কিছুই খেতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে। চলুন দেখে নেয়া যাক গ্যাস্ট্রিক দূর করতে কি খাবেন- গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। ডি/এ
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে যা খাবেন
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
খুশি বা যেকোনও বিজয় উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে ঘরের তৈরি কালোজাম। দেখে নিন কিভাবে কালোজাম তৈরি করবেন- উপকরণ ময়দা আধা কাপের চেয়ে একটু বেশি, গুঁড়া দুধ ২ কাপ, ডিম ২টি, বেকিং পাউডার ২ চা চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, তরল দুধ ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, সিরার জন্য চিনি ৬ কাপ, পানি ৩ কাপ।  প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। এরপর বাটিতে দুটো ডিমে ২ টেবিল চামচ তরল দুধ এবং ৩ টেবিল চামচ ঘি একসঙ্গে খুব ভালো করে ফেটে নিতে হবে। এবার অন্য একটা প্লেটে গুঁড়া দুধ, ময়দা এবং ২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার দিয়ে মিক্স করে নিয়ে ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণটিতে ভালো করে মাখিয়ে নিন। হাতের তালুতে সামান্য ঘি লাগিয়ে পছন্দের শেপ অনুযায়ী গোল গোল গোল্লা করে নিন। চুলায় তেল গরম করে গরম তেলে মিষ্টিগুলো ঢিমা আঁচে কালচে করে ভাজুন। তবে এদিকে খেয়াল রাখতে হবে যেন চুলার জ্বাল বেড়ে না যায়। বেশি আঁচে ভাজলে মিষ্টিগুলো কাঁচা আর ভেতরে গুটির মতো শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। এবার অন্য একটি কড়াইতে চিনি ও পানি দিয়ে মিষ্টির জন্য সিরা করে নিন। ভাজা মিষ্টিগুলো বলক ওঠা সিরায় ছেড়ে দিয়ে ৫-৬ মিনিটের জন্য রেখে দিন। মিডিয়াম আঁচে চুলার ওপর কিছুক্ষণ রাখুন। এবার চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ২ ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন। আকর্ষণীয় উপায়ে পরিবেশন করতে কালোজামের ওপর মাওয়া ছড়িয়ে দিন। ডি/এসএস
বিজয় উদযাপনে কালোজাম বানান ঘরেই
আরও পড়ুন
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে
এই সপ্তাহ আপনার কেমন যাবে