
ধূমপানের নেশা না করেও কিংবা বাড়তি লবন না খেয়েও শরীরে একই রকম ক্ষতি হতে পারে এবং তা শুধুমাত্র বায়ুদূষণের কারণে! বিভিন্ন গবেষণা থেকে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন। পরীক্ষানিরীক্ষায় দেখা গেছে, ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্তদের এক তৃতীয়াংশ মানুষের অসুখের নেপথ্যে আছে বায়ুদূষণ।
বাতাসে ভেসে থাকা ২.৫ মাইক্রন অথবা তার থেকেও ছোট পার্টিক্যুলেট ম্যাটার আমাদের শরীরের জন্যে সাংঘাতিক ক্ষতিকর। প্রথমত এরা রক্তস্রোতে মিশে গিয়ে রক্তবহনকারী ধমনীকে ক্রমশ সরু করে দেয়। ফলে রক্ত চলাচল বাধা পায়। এর ফল হার্টের অসুখ ও ব্রেন স্ট্রোক। ফুসফুসে জমে থাকা পিএম ক্যানসারের একটা বড় কারণ। নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ও সালফার ডাই অক্সাইড শ্বাসের সঙ্গে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে ও শ্বাসকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অ্যাজমা অর্থাৎ হাঁপানির অন্যতম কারণ ওজোন গ্যাস। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে শিশুদের মধ্যে হাঁপানি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ এখানকার দূষিত বাতাস।
ইউনিসেফ-এর এক সমীক্ষায় জানা গেছে যে, বিশ্ব জুড়ে শিশুদের অ্যাজমার ঝুঁকি ভয়ানক ভাবে বেড়ে চলেছে। ৫–১৮ বছর বয়সিদের মধ্যে ১৪ শতাংশ অ্যাজমার শিকার। প্রতি বছর বায়ু দূষণের জন্য পাঁচ বছরের কমবয়সি পাঁচ লক্ষাধিক শিশু শ্বাসনালীর অসুখে মারা যায়। ইদানীং শিশুদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকিও খুব বাড়ছে। এর জন্যও দায়ী দূষণ।
তাই জেনে রাখা দরকার কীভাবে এড়ানো যায় ধূষণ।-
এমকে




