
জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক মূল্য বৃদ্ধি ও পাচাররোধে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
শনিবার (৬ নভেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
নসরুল হামিদ বলেন, সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সরকার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। তবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে তার প্রতিফলন ঘটবে। ২০১৬ সালেও জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আশপাশের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের মূল্য এখনও কম। আজকেও ভারতের কলকাতায় প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ছিল ৮৯.৭৯ রুপি বা ১০৪ টাকা। ২৬টি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন যে পরিমাণ পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে ঢুকে তাও বিবেচনার বিষয়। পাচারের আশঙ্কা তো রয়েছেই।
আরএ/এসকে




