
র্যাবের বর্তমান ও সাবেক সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চারদিন পর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। দেশটির সরকারের প্রতি বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, বাংলাদেশ যখন করোনা মহামারি জয়ের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার উৎকর্ষে উন্নয়নের পথে ধাবমান, ঠিক তখনই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে একদল লবিস্টের ইশারায় হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত অযাচিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। একইসঙ্গে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।
এতে আরও বলা হয়, সরকার সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়- মতবাদ নিয়ে বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করে। এ নীতি অনুযায়ী অন্যান্য দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও রয়েছে বাংলাদেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ। এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর ও পররাষ্ট্র দপ্তর কর্তৃক আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদসহ সাত কর্মকর্তার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্য উদ্বিগ্ন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বাংলাদেশ পুলিশকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিবৃতিতে সংগঠনটি আরও বলে, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের যেকোনো প্রয়োজন ও সংকটে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে অঙ্গীকারবদ্ধ।পুলিশের কর্মতৎপরতার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে।’
উল্লেখ্য, ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে র্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
এসকে




