
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী বোঝা নয়, তারা সমাজেরই অংশ। তাদেরকে পিছিয়ে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জীবন বদলে গেছে। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও নানা কারণে এখনও দেশে প্রতিবন্ধীদের সমঅধিকার নিশ্চিত হয়নি। শিক্ষা, কর্মসংস্থান চিকিৎসা, যাতায়াতসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা প্রতিনিয়ত অবহেলিত হচ্ছেন। তারা যেন সমাজের সাধারণ আর দশটা মানুষের মতোই সব নাগরিক সুবিধা নিয়ে সমানতালে এগিয়ে যেতে পারে, সেজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ এবং ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সবার সমন্বিত উদ্যোগেই প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার নিশ্চিত হবে। এর ফলে সমাজে পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠী যেমন উপকৃত হবে, তেমনই দেশ আরও অনেক এগিয়ে যাবে।
শনিবার (৩ ডিসেম্বর) ৩১তম আন্তর্জাতিক ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আরটিভির বিশেষ অনুষ্ঠান ‘সবার বাংলাদেশ’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে ২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ শারীরিক, মানসিক এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধিতার শিকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হিসেবে দেশে প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা ২৪ লাখ। তবে বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী এই সংখ্যা ৪৭ লাখ ৪২ হাজার। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে এই সংখ্যা আরও বেশি। সরকার বিগত বছরগুলোতে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়িয়েছে, দক্ষতা বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ও গণপরিবহন ব্যবস্থা, স্থাপনা, প্রাত্যহিক নাগরিক সুবিধা গ্রহণ পদ্ধতি, শ্রমবাজার কোনোকিছুই এখনও প্রতিবন্ধীবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি। এমন একটি বাস্তবতার মধ্যে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী পদক্ষেপ : প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস। বক্তারা বলছেন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে সমাজ এবং রাষ্ট্রের মনস্তত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম) মো. শাহীন বলেন, সমাজের অনগ্রসর, পিছিয়ে পড়া কিংবা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সবাইকে নিয়ে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আরও এগিয়ে যেতে চাই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে বৈষম্যহীনভাবে সবার জন্য সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সবাইকে উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার বিধান রেখেছেন। সংবিধানে পরিষ্কারভাবে বলা আছে, অসুস্থ, পঙ্গু, প্রতিবন্ধী, বিধবা কিংবা পিছিয়ে পড়া যেকোনও জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এসব ব্যবস্থা আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেশের সকল ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২৩ লাখ ৬৫ হাজার প্রতিবন্ধীকে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। আরও যারা আছে, ধীরে ধীরে সবাইকে এর আওতায় আনা হবে। মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীর হাতে ভাতার টাকা পৌঁছে যাচ্ছে। এ ছাড়া খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সঙ্গে আমরা নিজেরাই দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আরও অত্যাধুনিক হোয়াইটক্যান (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাঁটার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন লাঠি) তৈরির জন্য কাজ করছি। প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের জন্য ৪৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সাভারে একটি প্রতিবন্ধী ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া সংসদ ভবনের পাশেই আরও একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে।
সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এন আই খান) বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে শিক্ষা। আমরা যদি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ দিতে পারি, তাহলে তারা সমাজের সঙ্গে একীভূত হতে পারে। এই শিক্ষার জন্য বিগত ১০-১৫ বছরে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। আমি যখন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলাম, তখন ইনক্লুসিভ এডুকেশন শুরু করি। একজন অভিভাবক ফোন করে বলেছিলেন, স্যার আমার ছেলেকে তো পাগলদের সঙ্গে পড়ার জন্য পাঠাইনি। আমি উনাকে অনেক চেষ্টা করেও বিষয়টি বুঝাতে পারিনি। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হওয়ার পর এসএসি পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আধা ঘণ্টা সময় বেশি দিতে সার্কুলার জারি করেছিলাম। কিন্তু অনেকেই সেটা মানতে চাননি, খাতা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু সেই অবস্থা এখন আর নেই, অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া দরকার, সেটা এখনও হয়নি।
তিনি বলেন, আমরা সব উপজেলায় প্রতিবন্ধীদের জন্য স্কুল করতে পারিনি। এ ছাড়া সরকার থেকে একীভূত শিক্ষার কথা বলা হয়। কিন্তু সেখানেও কিছু সমস্যা আছে। শিক্ষকরা সবাই এ বিষয়ে ভালোভাবে প্রশিক্ষিত না। আমাদের একটা ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান দরকার। যেখানে একীভূত শিক্ষা, সমন্বিত শিক্ষা কিংবা বিশেষ শিক্ষার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বিষয়ে ভালোভাবে জানাশোনা বা পড়াশোনা করা শিক্ষক নিয়োগ দেয়া উচিত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ বিষয়ে পড়াশোনার ফ্যাকাল্টি খুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে চাপ দিতে হবে। এ ছাড়া রাস্তায় সঠিকভাবে চলাচল না করায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে আর প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এজন্য শুধু ট্রাফিক আইন কড়াকড়ি করলে হবে না, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিশুদের রাস্তায় চলাচল করার নিয়মগুলো শেখাতে হবে।
সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষদের ভাতা দেওয়াটাই শেষ কথা নয়। বরং তাদেরকে শিক্ষিত ও স্বনির্ভর করা হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য প্রতিবন্ধীবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দরকার। সবসময় পৃথকভাবে আইসোলেটেড শিক্ষা না দিয়ে, তাদেরকে সাধারণ শিক্ষার সঙ্গেও যুক্ত করতে হবে। তাদেরকে বোঝাতে হবে যে, তারাও সমাজের অংশ এবং সমমর্যাদার নাগরিক। এই বোধটা সবার মধ্যেই থাকতে হবে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাধারণ শিশুদের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করতে পারে। সেই সুযোগটাকে অবারিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য রাষ্ট্রীয় এবং বেসরকারিভাবে কর্মসংস্থান করা দরকার। একটি প্রতিষ্ঠানে এক হাজার কর্মী আছে। সেখানে অন্তত ১০ জন প্রতিবন্ধীর কর্মসংস্থান করার কথা ভাবা উচিত। এটা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যেমন ভাবা দরকার, তেমনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুালোরও ভাবা দরকার। কিন্তু সেই ভাবনাটা আমাদের আছে বলে মনে হয় না। এটা কেবলমাত্র সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাজ না। এটা সব মন্ত্রণালয়ের কাজ। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে না রেখে, তাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ যদি দেওয়া হয়, তাহলে তারা সব প্রতিযোগিতা করতে পারে এবং সমাজের সর্বোচ্চ স্থানে উঠতে পারে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাফল্যগুলোকে মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তুলে ধরা দরকার।
উইমেন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা আশরাফুন্নাহার মিষ্টি বলেন, এইচএসসি পাস করার পর আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম, তারা আমাকে বলেছে ‘তুমি প্রতিবন্ধী তাই এখানে পড়তে পারবে না’। আমার প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয় কেন বলেনি, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, আমি তোমাকে নিতে পারছি না, দুঃখিত’। সেটা কিন্তু তারা করেনি। এটা আমার না, ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার বাস্তবায়নে সরকারের প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। কাউকে পেছনে ফেলে রেখে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব না। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসেও আমাদের জন্য প্রতিবন্ধীবান্ধব বাস নাই। যারা হুইলচেয়ার ছাড়া হাঁটতে পারি না, তারা বাসেও ওঠানামা করতে পারি না। রেলের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করতে হবে, প্রতিটি রেলস্টেশনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেনে ওঠানামার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হবে, কর্মসংস্থান নীতিমালা হবে। কেনো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এখনও সেটি বাস্তবায়ন করছে না? আমরা ২ শতাংশ বাজেট চাই না। আমরা ভাতা চাই না, সঠিক কর্মসংস্থান ও সম্মানজনক জীবন ব্যবস্থা চাই। আমরা আমাদের পরিবারের বোঝা হব না, সমাজকে কন্ট্রিবিউট করব।
অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন প্রতিবন্ধীবান্ধব নেতা। অতীতে অভিভাবকরা তার প্রতিবন্ধী সন্তানকে আড়াল করে রাখত। এখন কিন্তু সেই অবস্থাটা নেই। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে ভাতা দিচ্ছে। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ৬০০ টাকা থেকে ১৩৫০ টাকা করে প্রতিমাসে দিচ্ছে। একই সঙ্গে অটিজমের চিকিৎসার জন্য প্রত্যেককে প্রতি বছর ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের ৬৪ জেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষিত ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলে পরবর্তীতে চাকরি দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ঘর দিচ্ছেন। আমরা সবসময় তাদের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। আরও বেশি সচেষ্ট হব। তবে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ বলেন, সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিতে হবে বিষয়টা এমন নয়। যার যেই সাপোর্ট দরকার, তাকে সেটাই দিতে হবে। অনেকে আছেন যাদের চিকিৎসা দিয়েই সুস্থ করে ফেলা সম্ভব, তাদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। শুধু সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় এটা পারবে না। সমাজকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুসহ সরকারের সব মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য আমাদের প্রত্যেককে যার যার জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। তাদের সুস্থ করে তুলতে আমাদের সদিচ্ছা দরকার।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হুইলচেয়ার ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নুর মোহম্মদ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তরিকুল ইসলাম নাজিমসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বেশ কয়েকজন প্রতিবন্ধী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় তারা তাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সৈয়দা মুনিরা ইসলাম। আরটিভির এই বিশেষ আয়োজনের প্রিন্ট মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক সমকাল।




