ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায়ের পর্যবেক্ষণ বিদ্বেষপ্রসূত : মেনন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০১৭, ০৮:৪০ পিএম

এটা স্পষ্ট যে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণ পরিপূর্ণভাবে বিদ্বেষপ্রসূত। বললেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের প্রাক-প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, যদিও বাংলাদেশের সংবিধানে ‘আমরা জনগণ’ কথাটি আছে, তবু ইতিহাসের সত্য হচ্ছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নামেই পরিচালিত হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণে বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যাতে মনে হয় ইতিহাসের সত্য হিসেবে নয়, সেটা জোর করে বাংলাদেশের নেতৃত্বে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণ কোনোভাবেই ইতিহাস সম্মত নয়। দেশের কোনো অংশের মানুষের কাছে এ রায় গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, সংসদকে অবমূল্যায়ন করে গণতন্ত্রের স্বার্থ বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষিত হতে পারে না।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তপন দত্ত, বিকল্প সদস্য মোস্তফা আলমগীর রতন, নগর কমিটির সভাপতি আবুল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়, নারী মুক্তি সংসদের যুগ্ম সম্পাদক শিউলী শিকদার।

কে/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিদায় ২০১৭, স্বাগত ২০১৮
মহাকালের আবর্তে বিলীন হতে যাচ্ছে ২০১৭ সাল। এই বছরের সকল দুঃখ-বেদনা ভুলে রোববার দিনগত রাতে বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে স্বাগত জানাবে ২০১৮ সালকে। বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইংরেজি নববর্ষ ২০১৮ সালকে স্বাগত জানাবে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী প্রদান করেছেন। বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ড সর্বপ্রথম ২০১৭ কে বিদায় জানিয়ে বরণ করেছে ২০১৮ কে। নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে, দেশটির শত শত মানুষ নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে শহরের কেন্দ্রে ভিড় জমায়। এদিকে ২০১৭ সালকে বিদায় জানিয়ে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকা ২০১৮ সালকে বরণ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য ২০১৭ সাল ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্জনের একটি বছর। এই বছর রাজনীতি, অর্থনীতি, কৃষি, জঙ্গি দমন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ আশাতীত সাফল্য অর্জনসহ মধ্য আয়ের দেশে এগিয়ে যাবার পথে অনেক ধাপ এগিয়েছে। এই বছরে বিশ্ব সূচকেও বাংলাদেশের অনেক সাফল্য রয়েছে। দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতি পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত থাকায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনেও এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। নতুন বছর উদযাপনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে নির্দেশ জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কে/এসএস
বিদায় ২০১৭, স্বাগত ২০১৮
আফগানিস্তানে বোমা হামলায় নিহত ১৫
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় জালালাবাদ শহরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো ১৪ জন। খবর রয়টার্স।  আফগান সরকারের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রোববার ওই এলাকার সাবেক সিটি গভর্নরের জানাজার সময় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এখনো কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। স্থানীয় প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আহমদ জিয়া আবদুজজাই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নানগারহর প্রদেশের গভর্নরের আরেক মুখপাত্র নুর আহমদ হাবিবি জানান, রোববার প্রদেশের এক জেলার সাবেক চেয়ারম্যানের জানাজায় এ হামলা চালানো হয়। তাৎক্ষণিক কেউ এ হামলায় দায়-দায়িত্ব স্বীকার করেনি। তবে সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান ও আইএসের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় তোলো নিউজ চ্যানেল এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথমে হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছে। পরবর্তীতে এ সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গেলো বৃহস্পতিবার রাজধানী কাবুলে শিয়া সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ও সংবাদ সংস্থার কার্যালয়ে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৪০ জন নিহত ও ৮৪ জন আহত হন। পরে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস ওই হামলার দায় স্বীকার করে। ভয়াবহ ওই হামলার শোক কাটিয়ে না উঠতেই ফের হামলা চালালো সন্ত্রাসীরা। এপি/এসএস
আফগানিস্তানে বোমা হামলায় নিহত ১৫
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
নির্বাচন কমিশনে(ইসি) নিবন্ধনের জন্য ৭৬টি রাজনৈতিক দল নতুন করে আবেদন করেছে। এছাড়া আবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে ১৫টি দল। জানালেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। রোববার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। আজ ছিল আবেদন জমা দেয়ার শেষ দিন। হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, আবেদনের সময় বাড়ানো হবে না। ইতোমধ্যে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা যাচাই-বাছাই করে দেখবেন আবেদনকারী দলগুলো নিবন্ধন শর্ত পূরণ করেছে কিনা। প্রয়োজনে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে যাদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে, তাদের নাম কমিশনে সুপারিশ করা হবে। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যারা নিবন্ধিত হবেন তারা সামনের সব নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সচিব বলেন, নিবন্ধিত ৪০ দল শর্ত পূরণ করছে কিনা তারও খোঁজ-খবর নেয়া হবে। যারা শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। ইসি সূত্রে জানা গেছে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী দলগুলো হলো- ঐক্য ন্যাপ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, জোনায়েদ সাকীর গণসংহতি আন্দোলন, নাকফুল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নিউ সংসদ লীগ, ঘুষ নির্মূল পার্টি, মঙ্গল পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ(বাকশাল), কর্মসংস্থান আন্দোলন, বাংলাদেশ সমাধান ঐক্য পার্টি(বসবাস), সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ, সত্যব্রত আন্দোলন, সততা দল, জাতীয় পরিবার কল্যাণ পার্টি, শান্তির দল, জনতার কথা বলে, মৌলিক বাংলা, জনস্বার্থে বাংলাদেশ, সুশীল সামাজিক আন্দোলন, আলোকিত পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক গাজী, জালালী পার্টি, ইনসানিয়া বিপ্লব, ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি, ইসলামিক পার্টি, ফরায়েজি আন্দোলন, বাংলাদেশ রামকৃষ্ণ পার্টি, বাংলাদেশ হিন্দুলীগ, মাইনরিটি জনতা পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, জনতা পার্টি, রিপাবলিকান পার্টি, সমাজ উন্নয়ন পার্টি, জাতীয় লীগ, পরিবহন লেবার পার্টি, তৃণমূল ন্যাশনাল পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, মানবাধিকার আন্দোলন, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, গণশক্তি দল, বেঙ্গল জাতীয় কংগ্রেস(বিজেসি), কৃষক শ্রমিক পার্টি, লিবারেল পার্টি, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন, জাতীয় দল, নতুন ধারা বাংলাদেশ, সাধারণ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি(ডিপিএলডিপি), মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম ডেমোক্রেটিক পার্টি, গণ আজাদী লীগ, লেবার পার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক পার্টি, তৃণমূল লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ আওয়ামী পার্টি(ভাসানী ন্যাপ)। কে/এসএস
নিবন্ধন চায় ৭৬টি দল
ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত-শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ইংরেজি নতুন বছর ২০১৮ উপলক্ষে দেশবাসী, প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নতুনের আহ্বানে পুরাতন সব জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে নতুন সূর্যের আলোয় আলোকিত হোক আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। নতুন বছর আমাদের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি।’ নতুন বছর উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করি। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে মধ্যমআয়ের এবং ২০৪১ সালের আগে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব ইনশাল্লাহ।’ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ধারা রক্ষা এবং সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে ২০১৭ সালকে আমাদের জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল বছর অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বছরটি ছিল বাংলাদেশের জন্য সাফল্যময় বছর।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত বছর দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎসহ প্রতিটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যমআয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশের একটি আজ বাংলাদেশ।’ ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। মানুষের আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ৫ কোটি মানুষ নিম্নআয়ের স্তর থেকে মধ্যমআয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। সাক্ষরতার হার ৭২ শতাংশের বেশি হয়েছে। দেশের ৮৩ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায়। সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। দরিদ্রমানুষ বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ পাচ্ছে। গড় আয়ু বেড়ে ৭১ বছর ৮ মাস হয়েছে।’ ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে আরো বলেন, ‘সারাদেশে সড়ক, মহাসড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, পাতাল সড়ক, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রেল, নৌ ও যোগাযোগ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ চলছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছি। চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন সমুদ্রবন্দর পায়রার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্ন করেছি। জাতীয় চারনেতার হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার বিচার কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণকে দেয়া ওয়াদা অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য পরিচালনা করা হচ্ছে। বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে।’ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখলের সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে তার সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে।’ ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অবদ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ অর্জন বাঙালি জাতি হিসেবে অত্যন্ত গৌরবের জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে স্থলসীমানা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমারও শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’ এসএস
ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত-শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
থার্টি ফার্স্ট নাইট / নিরাপত্তা জোরদারে হেলিকপ্টার নিয়ে র‌্যাবের টহল
থার্টি ফার্স্ট নাইটের প্রস্তুতি চলছে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে। নববর্ষে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নির্বিঘ্ন রাখতে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারে টহল দিচ্ছে র‌্যাব।  রোববার রাত ৮ টার দিকে গুলশানে র‌্যাবের হেলিকপ্টারে সার্চ লাইট দিয়ে টহল দিতে দেখা যায়।  র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান বলেন, রাজধানীতে সারারাত হেলিকপ্টার টহলে থাকবে। সার্চ লাইট দিয়ে ওপর থেকে দেখা হবে।   তিনি বলেন, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা এলাকাসহ সব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এসব এলাকায় সার্চ লাইট নিয়ে টহল দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর হেলিকপ্টারও। আকাশে কুয়াশা থাকলেও এই সার্চ লাইট দিয়ে নিচে স্পষ্ট দেখা যাবে।  তিনি আরো বলেন, এবার পোশাক পরা ও সাদা পোশাকে র‌্যাব সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। চেকপোস্টগুলোতে র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড কাজ করছে। নিরাপত্তায় রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত দিনগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। এর আগে আজ রোববার রাজধানীতে কাবাডি স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেন, জনগণের নিরাপত্তার কথা ভেবে থার্টি ফার্স্ট নাইটে কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিধি-নিষেধের বাইরে কেউ কোনো কিছু করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  শহীদুল হক বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি কূটনৈতিক বা অভিজাত এলাকা বিশেষ নজরদারির মধ্যে আনা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব স্থানেই বেশি লোক সমাগম ঘটে। পুলিশের বিধি-নিষেধ মেনে চললে রাতটি শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারবেন নগরবাসী। এসএস
নিরাপত্তা জোরদারে হেলিকপ্টার নিয়ে র‌্যাবের টহল
আরও পড়ুন
আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন মেনন