
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ)-এর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক আজ (মঙ্গলবার) মিয়ানমারের নেপিতো শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সীমান্ত সম্মেলন সোমবার শুরু হয়। সম্মেলন শেষ হবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এবং মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের ‘চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফ’ পুলিশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো সুয়ি উইন-এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড-এর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডিসেন্স এটাসে অংশগ্রহণ করবেন।
অপরদিকে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ) এবং বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর কর্মকর্তাবৃন্দ, সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদক ও কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছেন।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এই সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- সীমান্ত লঙ্ঘন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ, সীমান্ত এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালানো, ভূমি ও আকাশসীমা লঙ্ঘন, সীমান্তে সামরিক বাহিনীর চলাচল, মাইন স্থাপন, পুঁতে রাখা মাইন ও বিস্ফোরক অপসারণ, সন্ত্রাসী ও নাগরিকদের আটক ও অপহরণ, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ যেমন; মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বিশেষ করে ইয়াবা পাচার, চোরাচালান দ্রব্য, মানব পাচার, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও বাংলাদেশি জেলেদের ওপর গুলিবর্ষণ, সীমান্ত নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা যেমন- নিয়মিত পতাকা বৈঠক, স্থানীয় অধিনায়ক পর্যায়ের বৈঠক, নাফ নদীসহ সীমান্তে সমন্বিত যৌথ টহল ও সীমান্তে যৌথ নজরদারি, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপ যেমন; ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ ও সফর বিনিময়, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময়, উভয় বাহিনীর পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্যদের ভ্রমনসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
এছাড়া মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী এবং চিফ অব মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স এর সাথে বিজিবি মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
জেএইচ




