
দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমেছে ৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জেলায় বয়ে গেছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। এ সময়ে ঝোড়ো হওয়ার কারণে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
ফলে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তীব্র ভ্যাবসা গরম কিছুটা কমছে। তবে রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ১৩ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
রাজধানীর রমনা এলাকায় রিক্সাচালক আকবর হোসেন বলেন, গত দুই দিনের তুলনায়, গরম কম। ঠান্ডা বাতাসও বইছে। অনেকটা স্বস্তি লাগছে।
অপরদিকে বসুন্ধরা এলাকায় পথচারী লোকমান হোসেন বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। শনিবারও এসেছিলাম। তবে আজ গরম কিছুটা কম।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, রোববার (৭ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শনিবার (৬ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয় ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সাতক্ষীরায় ২৯ মিলিমিটার। সামান্য বৃষ্টিপাত হয়েছে ঢাকায়।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানায় সংস্থাটি।
এছাড়া, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে এবং রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।
তবে আগামী ৫ দিনে সারাদেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এদিকে রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ১৩ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।




