
সরকার চাইলে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রস্তুত রয়েছে। বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।
বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।
এর আগে সিইসির সঙ্গে বিকেল চারটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেঞ্জি তেরিঙ্ক বৈঠক করেন।
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনের জন্যতো ৯০ দিন সময় থাকে। এটাতো সরকারের ওপর নির্ভর করে আগাম নির্বাচনের বিষয়টা। তারা যদি আগাম নির্বাচনের জন্য বলে, তখন আমরা পারবো। শুধু পেপার ওয়ার্কগুলো লাগবে।’
সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের কোনো আপোষ নেই।’
প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটে খুব একটা সাড়া পাওয়া যায় না। তাই আমি বলেছি যে, তিনশ আসনের নির্বাচনের জন্য আমাদের লোকজনের বিদেশে বাক্স নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তবে নিয়মটি এখনো বলবৎ আছে। যদি ইভিএম চালু হয়, তখন হয়তো এটা করা হবে।’
‘এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি না আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিল আমি বলেছি যে, এটা সম্ভব না। আমরা প্রস্তুত না। কিছু রাজনৈতিক দল এটির বিরোধীতা করেছে, সে জন্য আমরা এ নিয়ে কোনো বিতর্কে যাবো না,’ বলেন সিইসি।
‘তাদেরকে বলেছি যে, তোমরা আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গোষ্ঠি। ইউরোপীয়ন ইউনিয়নে আমাদের প্রায় ৮৫ ভাগ বাণিজ্য হয়। প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ গার্মেন্টস প্রডাক্টস ইউরোপীয়ন ইউনিয়নে যায়।’
তিনি বলেন, নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের কাছে যখন যে সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হবে তারা তা করবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।
এসজে




