
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে বর্তমান সরকার আত্মস্বীকৃত চোর ও দুর্নীতিবাজ।
বললেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, শিক্ষামন্ত্রী এক ভয়ঙ্কর বার্তা পাঠালেন শিক্ষাঙ্গনে, তার বক্তব্যে এটাই ফুটে উঠছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা তোমরা নীতি, নৈতিকতা, আদর্শ এবং ন্যায়বোধের বিবেকশাসিত উন্নত মানুষ হওয়ার বদলে সহনীয় মাত্রায় দুর্নীতির পাঠ নিতে শিখো, তাহলেই তোমাদের সাফল্য আসবে।
তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে আরও প্রতীয়মান হয় যে, তিনি চাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা জ্ঞানদীপ্ত প্রকৃত শিক্ষার আলোয় আদর্শ জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ না হয়ে বরং দুর্নীতি, দখলবাজী, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাস, দলবাজী, দুর্বৃত্তপনা, ইভটিজিং, মাদকসহ লুটপাটের অর্থবিত্তের কাছে নতি স্বীকার করতে শিখুক। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য জাতির হৃদয়ের স্পন্দনকে থামিয়ে দেয়ার সামিল। দেশে বিদ্যমান নৈরাজ্যকর অমানিষার মধ্যে তার এ বক্তব্য দেশের জন্য আরও ভয়াবহ উদ্বেগ, ভয় ও বিপদের কারণ হতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী সুকৌশলে নিজেদের লোকদেরকে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও কেনা বেচার সুযোগও করে দিয়েছেন দাবি করে রিজভী বলেন, আওয়ামী সরকারের মন্ত্রীরা এক অভিনব কায়দা উদ্ভাবন করেছেন যেখানে প্রাইমারির প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে পিইসি, জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা, চাকুরিতে নিয়োগ পরীক্ষা সবখানেই প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস হয় লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে। এই কেলেঙ্কারিতে জড়িতরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। শিক্ষামন্ত্রীর কথায় মনে হচ্ছে, তিনিই এসব কেলেঙ্কারির উৎসাহদাতা।
এসজে




