
দেশে ৪৬টি জীবন বীমা কোম্পানি আছে। আমাদের দেশে অবশ্য কোম্পানির সংখ্যা বেশি, ব্যাংকের সংখ্যা বেশি, জীবন বীমার সংখ্যাও বেশি, আমরা হুজুগে চলি। তবে এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই। কোনো প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বা বীমা) সমস্যায় পড়লে আমরা তাকে ফেলে রেখে যাব না। যে কোনোভাবেই হোক সেটা টিকিয়ে রাখা হবে। বললেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ২০১৬ সালের লভ্যাংশ চেক গ্রহণের সময় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৪০ কোটি টাকার লভ্যাংশ চেক অর্থমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে এ লভ্যাংশ ছিল ৩০ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন- ‘বর্তমান সরকার বীমা খাতের উন্নয়ন চায়। বীমা খাত রেগুলেশনের অভাব ছিল। এখন রেগুলেশনের অধীনে আসছে, এটা ভালো। এখনো বীমা খাত পরিপক্ব নয়। অনেক অভিযোগ আছে- বীমা পায় না, ক্লাইম ঠিক মতো দেয়া হয় না, এটা বাড়ছে। তবে বীমা খাতের ভবিষ্যৎ ভালো।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ বীমা ন্যাচারালি এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা বাড়ছে, সাধারণ বীমাও বাড়ছে। তবে জীবন বীমার বিষয়টি আলাদা। অন্যভাবে বাড়াতে হয়।’
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৩ সালে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন রাষ্ট্রায়ত্ত নন লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২৮৫ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর মধ্যে ৮২ দশমিক ৫২ কোটি আয়কর প্রদান করা হয়েছে।
এসজে




