
ঘন কুয়াশার কারণে দীর্ঘ প্রায় ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া দিয়ে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এদিকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে ঘন কুয়াশায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবার ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পদ্মার অববাহিকায় কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে পুনরায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে নদী পারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে শতশত যানবাহন। এতে আটকা পড়া যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নদীতে ঘন কুয়াশা পড়ায় নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) রুহুল আমিন জানান, ঘন কুয়াশার কারণে এ রুটে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মায় কুয়াশা কমে যাওয়ায় বেলা ১১টার দিক থেকে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
তবে দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে রয়েছে ছোট বড় প্রায় ৮০০শ’ যানবাহন। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকলে সিরিয়ালে থাকা যানবাহনের চাপ দ্রুত কমে যাবে।
মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে ঘন কুয়াশায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবার ফেরি চলাচল শুরু হয়।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম শাহ নেওয়াজ খালেদ জানান, ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। নদীতে নোঙর করে থাকে ছয়টি ফেরি।
শুক্রবার সকাল ১০টায় কুয়াশা কেটে গেলে আবার ফেরি চলাচল শুরু হয়। নদীতে নোঙর করা ফেরিগুলোসহ সব ফেরি চলাচল শুরু করে। ফেরি বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে আটকা পড়া তিন শতাধিক যানবাহনের যাত্রীদের কনকনে শীতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে পদ্মা পারাপারের গুরুত্বপূর্ণ পথ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি। শীত মৌসুমে এসব নৌপথে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায়ই পারাপার বিঘ্নিত হয়।
জেবি/পি




