
নতুন বছর ২০১৮ সালে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আবারো দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন।
এমন আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথিরি বক্তব্যে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনা নিরপেক্ষ নির্বাচন দিবেন না। কারণ, নির্বাচন দিলে তো তিনি ফেল করবেন। এজন্য আর দাবি করে লাভ নেই। অধিকার আদায় করে নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন তো দিতেই হবে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ২০১৮ সালেই আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকেই নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন। আমরা নির্বাচনে তো যাবই, দেশনেত্রীও থাকবেন। বরং আওয়ামী লীগই নির্বাচনে থাকবেন না। কারণ, তারা ভালো করেই জানে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাদের পরিণতি কী হবে?’
নতুন বছরের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সাল হবে খালেদা জিয়ার বছর, তারেক রহমানের বছর, এদেশের মানুষ যারা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন, তাদের বছর। এই বছরেই আমরা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। এখনই তো অনেকে বলা শুরু করেছে, দেশটা আওয়ামী লীগের নয়।’
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট একনায়ক সরকারকে সরাতে না পরলে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সংগঠন, আন্দোলন এবং নির্বাচনের জন্য এক সঙ্গে প্রস্ততি নিতে হবে। আন্দোলন করেই নির্বাচন আদায় করে ক্ষমতায় যেতে হবে।’
এসজে




